Weight Loss: পেটের চর্বি গলবে মাখনের মতো! কোরিয়ান সিক্রেটেই আপনি রোগা হবেন, ডায়েটে রাখুন এই ৫ পানীয়
আপনারও কি মনে হচ্ছে, কয়েক কেজি ওজন কমিয়ে ফেললে মন্দ হয় না! কিংবা পেটের মেদ একটু কপালে বেশিই ভাঁজ ফেলছে। তাহলে এই ৫ কোরিয়ান পানীয় আপনাকে সাহায্য করতে পরে।
শুধু রূপচর্চায় নয়, ওজন কমাতেও কিন্তু ১০০ শতাংশ কাজে আসে কোরিয়ান টোটকা। আপনিও যদি নতুন বছরে ওজন কমানোর রেজোলিউশন নিয়ে থাকেন, তাহলে প্রতিদিন এই স্বাস্থ্যকর পানীয়ে চুমুক দিন। কমিয়ে ফেলুন ওজন আর পেটের মেদ। মনে রাখতে হবে, ওজন কমাতে দরকার হয় পরিমাণ মতো স্বাস্থ্যকর খাওয়া-দাওয়া। তবে সঙ্গে এই স্বাস্থ্যকর কোরিয়ান পাীয়গুলো ডায়েটে যোগ করলে, তা আপনার জন্য লাভদায়ক হতে পারে।

- বার্লি চা বা বরিচা হল এমন এক পানীয় যা কোরিয়ানরা গরম ও ঠান্ডা উভয়ভাবেই পান করে থাকেন। এটি ভাজা বার্লি দানা থেকে প্রস্তুত করা হয়। এবং এর আশ্চর্য স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। এদি স্বাদে হালকা তেতো, কিন্তু ওজন কমানো-ক্লান্তি-প্রদাহ-ডায়েরিয়ার জন্য কার্যকর প্রতিকার।
- কোরিয়াতে রোস্ট করা ব্রাউন রাইসের সঙ্গে মেশানো গ্রিন টি নোকচা (nokcha) নামে পরিচিত। এই পানীয় অত্যন্ত পুষ্টিকর কারণ এটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুর। যা শরীরের ডিটক্সিফিকেশনে সাহায্য করে। এবং ওজন কমানোর ক্ষেত্রে বিশেষভাবে সহায়ক হয়।
- ঐতিহ্যবাহী কোরিয়ান আদা চা-কে সেং গাংচা (Saeng Gangcha) বলা হয়। যা আদা ও বাদাম দিয়ে তৈরি করা হয়। এই স্বাস্থ্যকর পানীয়টি ওজন কমানোর সঙ্গে ঠান্ডা ও ফ্লু-র উপসর্গ থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করে। এই চায়ে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্টও শরীরকে ডিটক্সিফাই করে।
- কোরিয়ান ইওনিপ চা সাদা পদ্ম ফুল ব্যবহার করে তৈরি করা হয়। এই চায়ে ভিটামিন বি, ক্যালসিয়াম এবং পটাসিয়াম রয়েছে। এটি ব্লাড পিউরিফাই করতে সাহায্য করে। ঘুমেও উন্নতি করে। এই চা ভিটামিন সি এবং ফ্লাভোনয়েডে সমৃদ্ধ।
- গুল চা (Gul-Cha) বা গোলাপ চা হল একটি স্বাস্থ্যকর কোরিয়া পানীয়। ওজন কমানোর জন্য এটি আপনি চোখ বন্ধ করে ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। কেশর ও গোলাপের পাপড়ি দিয়ে তৈরি করা হয় এই চা। এটি ফ্ল্যাভোনয়েডে সমৃদ্ধ যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


