Toothbrush changing: দাঁত তো মাজেন, কিন্তু কদিন পর পর ব্রাশ বদলাতে হয় জানেন? জেনে নিন বিশেষজ্ঞদের মত
Toothbrush changing: দাঁত তো রোজই মাজেন। কিন্তু কদিন পর পর ব্রাশ বদলাতে হয় জানা আছে? জেনে নিন কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা।
সকালে উঠে দাঁত মাজা। রাতে শুতে যাওয়ার আগে দাঁত মাজা। দাঁত ভালো রাখতে দুবার দাঁত মাজার টোটকা অনেকেই জানেন। কিন্তু দাঁত মাজার ব্রাশেই যদি জীবাণু থাকে?

শুনলে অবাক লাগতে পারে, কিন্তু দাঁত মাজার ব্রাশেও জীবাণু জমতে পারে। তাছাড়া ব্যবহার করতে করতে সব জিনিসই অকেজো হয়। তাই ব্যবহারেথ জিনিসটি পাল্টে নিতে হয়।
দাঁত মাজার ব্রাশ না পাল্টালে একটা সময়ের পর আদৌ দাঁত পরিষ্কার হয় না। তাহলে কতদিন অন্তর পাল্টাবেন টুথব্রাশ? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা। দেখে নেওয়া যাক।
বিশেষজ্ঞদের কথায়, দাঁত মাজার ব্রাশে জীবাণু জমা খুব স্বাভাবিক। অনেকদিন ধরে ব্যবহার করলে দাঁত ও বাথরুমের দুইয়ের জীবাণুই জমে ব্রাশে। তাই বদলাতে হয় ব্রাশ।
তিন থেকে চার মাস অন্তর দাঁত মাজার ব্রাশ পাল্টে ফেলা উচিত। পুরনো ব্রাশ ফেলে নতুন ব্রাশ কিনে নিন। এতে দাঁত ভালো থাকে।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


