Kitchen Hacks: ডিমের খোলা ফেলে দিচ্ছেন? জানেন কত কাজে লাগতে পারে এগুলি
ডিম খাওয়ার পরে তার খোলা ক’জনই বা জমিয়ে রাখেন? কিন্তু এই খোলা লাগতে পারে অনেক কাজে। জেনে নিন সেগুলি কী কী।
ডিম পুষ্টিগুণে ভরা। নিয়মিত ডিম খেলে শরীরের নানা উপকার হয়। কিন্তু ডিমের খোলা আর কী কাজেই বা লাগতে পারে! এমনটাই ভাবেন বেশির ভাগ মানুষ। তাই তাঁরা ডিমের খোলা ফেলেই দেন।

কিন্তু ডিমের খোলা দিয়ে নানা ধরনের কাজ করা যায়। রইল সেই তালিকা:
- ডিমের খোলা গাছের সার হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন। যাঁদের বাগান আছে, তাঁরা তো বটেই, যাঁরা ছোট জায়গায় টবে গাছ লাগান, তাঁদের জন্য ডিমের খোলা খুব কাজের হতে পারে। এগুলি গুঁড়ো করে মাটিতে মিশিয়ে দিন। দারুণ কাজ করবে সার হিসাবে।
- মাঝে মধ্যে কফি খান? সেই কফির গুঁড়োর সঙ্গে ডিমের খোলা মিশিয়ে নিন। কফির কষাটে ভাব কমবে। শুনে অবাক হচ্ছেন? কিন্তু বিষয়টি খুবই পরিচিত। কফি বানানোর আগে, তার গুঁড়োর সঙ্গে ডিমের খোলা মিশিয়ে নিন। তবে ডিমের খোলাগুলি ভালো করে ধুয়ে নেবেন। এর পরে ছেঁকে নিলেই আপনার কফি তৈরি।
- ত্বকে নানা কারণে প্রদাহ হচ্ছে? এই সমস্যা কমাতে পারে ডিমের খোলা। খোলা গুঁড়ো করে সামান্য অ্যাপল সাইডার ভিনিগারে মিশিয়ে নিন। তার পরে সেই মিশ্রণ ত্বকে লাগান। জ্বালা, চুলকানি কমবে।
- এটা শুনলেও অবাক লাগতে পারে। কিন্তু ডিমের জামাকাপড়ে লালচে দাগ পড়তে দেয় না। আলমারিতে জামাকাপড়ের সঙ্গে যদি কয়েকটি ডিমের খোলা রেখে দেন, তাহলে জামাকাপড়ে গন্ধ হবে না, লালচে দাগও পড়বে। তবে অবশ্যই খোলাগুলি তার আগে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে নেবেন।
- বাসন মাজতেও কাজে লাগতে পারে এই খোলা। গুঁড়ো করে নিয়ে এগুলি সাবানের সঙ্গে মিশিয়ে নিন। তার পরে তা দিয়ে বাসন মাজুন। দেখবেন, দাগ পরিষ্কার হচ্ছে সহজেই।
- বাড়িতে চক বানাতে চান? ডিমের খোলা থাকলে কোনও চিন্তা নেই। এক চামচ ময়দা, এক চামচ গরম জল আর এক চামচ ডিমের খোলার গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। ইচ্ছা হলে তাতে খাবারে ব্যবহার করার রং মেশান। শুকিয়ে নিলেই চক তৈরি।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


