Topse or Paradise Threadfin Fish: তোপসে মাছের ফ্রাই বা ঝোল খান? শরীরে কেমন প্রভাব পড়ে? পরের বার খাওয়ার আগে জেনে নিন
Topse or Paradise Threadfin Fish: তোপসে মাছ খেলে শরীরে কেমন প্রভাব পড়ে? পরের বার খাওয়ার আগে জেনে নিন এই মাছের বৈশিষ্ট্য।
বেশির ভাগ বাঙালি বাড়িতেই মাছ খাওয়ার চল রয়েছে। ভাতের সঙ্গে মাছ খাওয়ার রেওয়াজ চল এই সব বাড়িতে। নদীমাতৃক এলাকা হওয়ার কারণে বাংলায় মাছও পাওয়া যায় নানা রকমের। এই মাছগুলির এক একটির এক এক রকম বৈশিষ্ট্য। এবং এক একটির এক এক রকম প্রভাব পড়ে শরীরে। আজ আলোচনা করা তোপসে মাছ নিয়ে।

তোপসে অত্যন্ত পরিচিত একটি মাছ। এই মাছের ফ্রাই তো বহু মানুষেরই খুব পছন্দের। এর পাশাপাশি আরও নানা ধরনের পদ রান্না করা হয় এই মাছ দিয়ে। কিন্তু কখনও খোঁজ নিয়ে দেখেছেন কি এই মাছ খেলে শরীরে কেমন প্রভাব পড়ে? দেখে নেওয়া যাক, সেই বিষয়টি।
তোপসে মাছ শরীরে কেমন প্রভাব ফেলে, সেটি বোঝার জন্য জেনে নেওয়া দরকার, এই মাছের বৈশিষ্ট্য। কী কী থাকে এই মাছে, সেটি প্রথমেই জেনে নেওয়া ভালো। প্রথমেই দেখে নিন, সেই তালিকা।
সব মাছের মতোই এই মাছেও একটা বড় মাত্রায় প্রোটিন থাকে। সেই হিসাবে এই মাছ অন্য মাছের থেকে খুব একটা আলাদা নয়। কিন্তু অন্য বহু মাছের থেকে এই মাছ যে বিষয়টিতে এগিয়ে থাকে, সেটি হল ক্যালসিয়াম এবং ফসফরাস। এই দু’টি উপাদানই ভালো মাত্রায় থাকে এই মাছে।
তোপসে হল নদীর মাছ। এটি পুষ্টিগুণে ঠাসা। ফলে এই মাছ শিশুদের জন্য ভালো। এই মাছের প্রোটিন বাড়ন্ত বয়সে কাজে লাগতে পারে। ছোটদের তাই মাছ খাওয়ালে খুবই উপকার পাওয়া যায়। সেটি মনে রাখা ভালো।
এর আগেই উল্লেখ করা হয়েছে, এই মাছে ক্যালসিয়াম ভালো মাত্রায় থাকে। এই ক্যালসিয়াম হাড় গঠনে সাহায্য করতে পারে। সেটি যেমন শিশুদের কাজে লাগে, তেমনই এটি বেশি বয়সি মহিলাদের জন্য অত্যন্ত ভালো। যাঁদের হাড় দুর্বল হয়ে গিয়েছে বা দাঁতের সমস্যা দেখা দিচ্ছে, তাঁদের ক্ষেত্রে এই মাছ উপকার করতে পারে।
এই মাছের বেশ কিছু উপাদান চোখের যত্নে কাজে লাগতে পারে। ফলে যাঁরা চোখের সমস্যায় ভুগছেন, বা বয়সের কারণে চোখের সমস্যা বাড়ছে, তাঁদের জন্য এই মাছ খুবই উপকার করতে পারে। তবে এর পাশাপাশি একটি কথা মনে রাখা দরকার।
বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তোপসের মাছের ফ্রাই খাওয়া হয়। এই ধরনের ফ্রাইয়ে প্রচুর তেল থাকে। এই তেল হজমের সমস্যা ডেকে আনতে পারে। তাছাড়া যাঁরা ওঝন কমাতে চান, তাঁদের জন্যও তোপসে মাছের ফ্রাই খুব একটা স্বাস্থ্যকর নয়। এগুলি মনে রাখা দরকার।
শেষে বলা দরকার, সব মাছ বা সব খাবার সকলের জন্য ভালো নাও হতে পারে বা একই রকম ভাবে কাজ নাও করতে পারে। সেক্ষেত্রে আপনি কী খাবেন, তা ভালো করে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের থেকে জেনে নেওয়া উচিত। আর কোনও সমস্যায় দ্রুত তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


