বাসি ভাত ফেলে না দিয়ে পরের দিন বানিয়ে ফেলুন মজাদার ৩ পদ, দেখুন কীভাবে
বেঁচে যাওয়া ভাত দিয়ে কী কী নতুন পদ বানানো সম্ভব দেখে নিন।
অনেকেই আগের দিনের বেঁচে যাওয়া খাবার পুণরায় গরম করে খেতে পছন্দ করেন না। তবে কিছু খাবার আছে যাকে চাইলে পরের দিন নতুন রূপ দেওয়া সম্ভব। যাতে খাবার ফেলতেও না হয়, আবার স্বাদেও বদল আসে। ভাত সেইসব খাবারের মধ্যে অন্যতম। প্রায় প্রতিটা বাড়িতেই ভাত থেকে যায় পরেরদিন। ফেলে না দিয়ে বা মনমরা করে ডাল দিয়ে তা না খেয়ে এই বেঁচে যাওয়া ভাত দিয়ে বানিয়ে নিতে পারেন নতুন খাবার।

ফ্রায়েড রাইস বা ভাত ভাজা
ডিম ভুরজি করে নিন। আলু-পেঁয়াজ-লঙ্কা-আদা কুটিয়ে নিন। চাইলে গাজর, বিনসও দিতে পারেন তাতে। এবার কড়াইতে সামান্য তেল দিয়ে সমস্ত সবজি ভেজে তাতে ভাত দিয়ে নাড়াচাড়া করে নিন। একটু নুন, গোলমরিচ দিন। মাখন ছড়িয়ে খেয়ে ফেলুন।
ভাতের ক্ষীর
একটা প্যানে আগেরদিনের বেঁচে যাওয়া ভাত, দুধ আর গুড় দিন। এবার কম আঁচে জ্বাল দিন ১৫-২০ মিনিট। দুধ ঘন হয়ে এলে এলাচ গুঁড়ো আর বাদামকুচনো ছড়িয়ে নামিয়ে নিন।
ভাতের পকোড়া
বাসি ভাতের সঙ্গে পেঁয়াজ ও কাঁচা লঙ্কা কুঁচিয়ে মিশিয়ে নিন। এবার একটু নুন দিয়ে ভাত ভাল করে চটকে সেটা দিয়ে ছোট-ছোট মণ্ড বানিয়ে নিন। একটি পাত্রে বেসন গুলে তাতে এই মণ্ড ডুবিয়ে সাদা তেলে ভেজে নিন। চাইলে অল্প একটু আলুর পুরও দিতে পারেন ভাতের মণ্ডের ভিতরে। এবার ছাঁকা তেলে ভেজে নিন।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


