Side-Effects of Intermittent Fasting: জনপ্রিয় হচ্ছে intermittent fasting, কিন্তু মহিলাদের জন্য এই ডায়েট কি আদৌ ঠিক
হালে ওজন নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে সচেতনতা বেড়েছে অনেকের মধ্যেই। অনেকেই বেছে নিচ্ছেন Intermittent Fasting। কিন্তু এটা কতটা ভালো?
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার বিষয়ে এখন অনেকেই সচেতন। আর তাই জনপ্রিয়তা বেড়েছে বিভিন্ন ধরনের খাদ্যাভ্যাসের। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে Intermittent Fasting নিয়ে।

কী এই ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং?
এই ধরনের ডায়েটে দিনের নির্দিষ্ট সময়েই শুধু খাওয়া যাবে। নির্দিষ্ট ঘণ্টা না খেয়ে থাকতে হবে। অথবা সপ্তাহের কয়েক দিন একবারই শুধু খেতে হবে। মোটামুটি প্রচলিত নিয়ম হল, টানা ১৬ ঘণ্টা না খেয়ে থাকা। এর পরে ৮ ঘণ্টার মধ্যে খাওয়া। তার পরে আবার না খেয়ে থাকা। এতে শরীরে জমা মেদ ঝরে যায়। এর কিছু স্বাস্থ্যকর দিক আছে, তা ইতিমধ্যেই প্রমাণিত।
কিন্তু এই ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং কি সকলের জন্য ভালো? হালে এই প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সম্প্রতি livemint.com-এ নামজাদা পুষ্টিবিদ জেন থমাস জানিয়েছেন, এই ডায়েটে ওজন কমলেও, এটি সকলের জন্য মোটেই ভালো নয়। বিশেষ করে মহিলাদের জন্য এই ডায়েট নানা রকম সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।
Frontiers in Endocrinology-তে প্রকাশিত হওয়া একটি গবেষণাপত্রের উল্লেখ করে জেন বলেছেন, এই ডায়েটে মহিলাদের সমস্যা বেশি হওয়ার কারণ একটাই। তাঁদের শরীরে Kisspeptin হরমোন কম পরিমাণে থাকা। পুরুষদের শরীরে এটি বেশি থাকে। এই হরমোন বিপাক হার বা মেটাবলিজম-কে নিয়ন্ত্রণ করে। মহিলাদের এটি কম থাকায়, নতুন ডায়েটের সঙ্গে মানিয়ে নিতে অসুবিধা হয়।
বিশেষ করে কোন কোন সময়ে মহিলাদের এই ডায়েট করা উচিত নয়? তারও তালিকা দিয়েছেন জেন।
- টিনএজ বয়সে
- অন্তঃসত্ত্বা থাকার সময়ে
- সদ্য মা হওয়ার পরে
- মেনোপজের সময়ে
- কোনও মহিলা যদি একান্তই এই ডায়েট মেনে চলতে চান, তাহলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত। তার সঙ্গে কতগুলি বিষয়ে খেয়াল রাখা দরকার।
- মানসিক চাপ যেন না থাকে এই ডায়েট চলাকালীন
- ভালো ঘুম দরকারি
- পুষ্টির অভাব যেন হয়
- কোনও সমস্যাতেই চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলতে হবে
মোটামুটি এই নিয়মগুলি মেনে চললে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং খুব বেশি সমস্যার নাও হতে পারে। তেমনই জানিয়েছেন জেন।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


