Garlic Health Benefits: রোজ খালি পেটে এক কোয়া রসুন, জানেন কি এর ফলে কী কী উপকার পেতে পারেন
রসুনের অনেক গুণ। কিন্তু খালি পেটে রসুন খেলে আরও বেশি লাভ হয় শরীরের। কেমন লাভ জানেন কি?
রান্নায় তো রসুন ব্যবহার হয়ই। বিশেষ করে আমিষ রান্নার সময়ে তো বেশির ভাগ বাঙালিই রসুন ব্যবহার করেন। কিন্তু শুধু স্বাদবৃদ্ধি নয়, রসুনের অনেক গুণও রয়েছে। বিশেষ করে যদি রোজ খালি পেটে এক কোয়া করে রসুন খাওয়া যায়, তাহলে বহু সমস্যাই দূরে থাকে।

খালি পেটে রসুন খেলে কী কী উপকার হয়? রইল তালিকা।
মন শান্ত থাকে (Controlling hypertension): যাঁদের হাইপারটেনশনের সমস্যা আছে, তাঁরা উপকার পেতে পারেন এই অভ্যাসের ফলে। মন শান্ত করার মতো কয়েকটা হরমোনের ক্ষরণ বাড়ে এর ফলে।
অ্যান্টিবায়োটিক হিসাবে ভালো (Natural antibiotic): প্রাকৃতিকভাবে এটি অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে। খালি পেটে রসুন খেলে তার প্রভাব সরাসরি গিয়ে পড়ে জীবাণুর ওপর। তাতে বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণের আশঙ্কা কমে।
শরীরকে দূষিত পদার্থ মুক্ত করা (Detoxifies the body): শরীর সব সময়েই নানা রকম টক্সিন জমা হতে থাকে। রসুন সেগুলোকে সহজেই পরিষ্কার করতে পারে। এর ফলে যেমন ওজন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে থাকে, তেমনই কৃমি, ডায়াবিটিসের মতো সমস্যাও কমতে পারে। অনেকের মতে, এর ফলে ক্যানসারের আশঙ্কাও কমে।
পেটের জন্য ভালো (Good for the gut): উত্তেজনা বাড়লে পেটে কিছু অ্যাসিডের ক্ষরণ বাড়ে। রসুন সেই সব অ্যাসিডের ক্ষরণ কমায়। তাতে খাবার হজম করতে সুবিধা হয়, খিদে বাড়ে এবং লিভারের স্বাস্থ্য ভালো থাকে।
যক্ষা রোগীদের জন্যও ভালো (Helpful in tuberculosis): যাঁরা যক্ষা বা টিবিতে আক্রান্ত হয়েছেন, তাঁরা যদি রোজ খালি পেটে এক কোয়া রসুন খান, তাহলে দ্রুত সুস্থ হওয়ার দিকে এগোবেন। রসুনের একটা কোয়া থেঁতো করে নিয়ে একবারে পুরোটা খেতে হবে। না হলে শুকনো আঁচে সেঁকে নিয়েও খেতে পারেন রসুনের একটা কোয়া।
শ্বাসের সমস্যার জন্য ভালো (Respiration): শুধু যক্ষা নয়, যাঁদের শ্বাসের বা ফুসফুসের অন্য সমস্যা আছে, তাঁরাও রোজ খালি পেটে রসুন খেলে উপকার পাবেন।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


