Back Pain Reasons: পিছনের পকেটে মানিব্যাগ রাখছেন? কোন বিপদ ডেকে আনছেন জানেন
বহু মানুষই প্যান্টের পিছনের পকেটে Wallet রাখেন। এর ফলে কী হতে পারে জানেন?
অনেকেরই অভ্যাস পিছনের পকেটে মানিব্যাগ রাখার। কিন্তু এই অভ্যাস নানা ধরনের বিপদ ডেকে আনতে পারে। বিশেষ করে পিছনের পকেটে মানিব্যাগ রেখে যাঁরা তার উপরে বসেন, তাঁদের ক্ষেত্রে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। দেখে নেওয়া যাক, সেই সমস্যাগুলি কী কী।

আমেরিকান ইনস্টিটিউট অব হেলথ সায়েন্সের গবেষকরাও ছেলেদের নানা হাড়ের সমস্যা এবং পায়ে বা কোমরে বাতের ব্যথার জন্য পিছনের পকেটে রাখা এই মানিব্যাগই দায়ী। কিন্তু কেন এই সমস্যা হয়? এ থেকে মুক্তিই বা কীভাবে?
বিশেষজ্ঞদের কথায়, পিছনের পকেট যেখানে থাকে, ঠিক সেখানেই থাকে সিরোটিক নার্ভ। দীর্ঘ সময় পকেটে মানিব্যাগ রাখায় এবং ওই অবস্থায় চেপে বসে থাকার কারণে সেই নার্ভে ও ওই এলাকার পেশির উপর প্রবল চাপ পড়ে। ফিমার হাড়েও চাপ পড়ে। এতেই কোমরে ব্যথা ও হাড়ের সমস্যা দেখা দেয়।
তাই চিকিৎসকরা বলছেন, এই অভ্যাস যত তাড়াতাড়ি ত্যাগ করা যায়, ততই ভালো। কিন্তু এই সমস্যা একবার দেখা দিলে কী করবেন?
প্রথমত এই অভ্যাস ত্যাগ করতেই হবে। কিন্তু একবার যদি কোমরে ব্যথা শুরু হয়ে যায়, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে এটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। নিয়মিত শরীরচর্চা করতে হবে। ব্যথা বাড়লে চিকিৎসককে জিজ্ঞাসা করে নিয়ে, গরম সেঁক নিতে পারেন।
এই অভ্যাস না বদলালে ভবিষ্যতে নানা ধরনের জটিল সমস্যা হতে পারে।
দীর্ঘ দিন এই অবস্থা চলতে থাকলে কোমরের ব্যথা বাড়তে থাকে। নার্ভের মারাত্মক ক্ষতি হয়। এমনকী হাড়ও ক্ষয়ে যেতে পারে।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


