100% Ethanol Mix Fuel: 'জ্বালানি তেলে ১০০ শতাংশ ইথানল মিশ্রণের লক্ষ্য অর্জন করা উতিত ভারতের'
100 per cent Ethanol Mix Fuel: সাধারণত, পেট্রলকে ইথানল বা মিথানলের সাথে মিশ্রিত করে 'ফ্লেক্স জ্বালানি' হিসাবে ব্যবহৃত হয়। ব্রাজিলের মতো দেশগুলিতে ইতিমধ্যেই ১০০ শতাংশ ইথানল মিশ্রণ ব্যবহার করা হয়।
100 per cent Ethanol Mix Fuel: ইথানল মিশ্রিত জ্বালানি নিয়ে দেশে বিতর্ক রয়ছে। আর এরই মধ্যে কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রী নীতিন গড়করি মঙ্গলবার একটি বড় মন্তব্য করলেন। নীতিন গড়করি একটি ইভেন্টে বলেন, অদূর ভবিষ্যতে ১০০ শতাংশ ইথানল মিশ্রণ অর্জনের লক্ষ্য রাখা উচিত দেশের। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পশ্চিম এশিয়া সংকটের মধ্যে তেল সরবরাহের অনিশ্চয়তার বিষয়টি তুলে ধরেন নিজের মন্তব্যের পক্ষে। তাঁর কথায়, জ্বালানি খাতে স্বনির্ভর হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত, পেট্রলকে ইথানল বা মিথানলের সাথে মিশ্রিত করে 'ফ্লেক্স জ্বালানি' হিসাবে ব্যবহৃত হয়। ব্রাজিলের মতো দেশগুলিতে ইতিমধ্যেই ১০০ শতাংশ ইথানল মিশ্রণ ব্যবহার করা হয়।

গডকড়ী কী বলেন? ইন্ডিয়ান ফেডারেশন অফ গ্রিন এনার্জির আয়োজিত গ্রিন ট্রান্সপোর্ট কনফারেন্সে ভাষণ দিতে গিয়ে গড়করি বলেন, ভারত তার তেলের চাহিদার প্রায় ৮৭ শতাংশ আমদানি করে এবং প্রতি বছর প্রায় ২২ লক্ষ কোটি টাকার জীবাশ্ম জ্বালানী আমদানি করা হয়। এতে দূষণও বাড়ে। তাই বিকল্প জ্বালানী এবং জৈব জ্বালানির উৎপাদন বাড়ানো প্রয়োজন। এই কারণেই ২০২৩ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ২০ শতাংশ ইথানল মিশ্রিত পেট্রোল (ই-২০) চালু করেছিলেন। পেট্রোল এবং ডিজেল গাড়ির ব্যবহার নিরুৎসাহিত করা প্রয়োজন। তবে জোর করে মানুষজনকে সেগুলি কেনা থেকে বিরত রাখা যায় না। তবে অদূর ভবিষ্যতে ১০০ শতাংশ ইথানল মিশ্রণ অর্জনের লক্ষ্য রাখা উচিত দেশের। তাহলে জ্বালানির দিক থেকে ভারত স্বনির্ভর হতে পারবে।
এদিকে গ্রিন হাইড্রোজেন সম্পর্কে বলতে গিয়ে গড়করি বলেন, গ্রিন হাইড্রোজেন ভবিষ্যতের জ্বালানী। তিনি বলেন, হাইড্রোজেন পাম্প পরিচালনার খরচ কমাতে হবে, যাতে এটি অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক হয়ে ওঠে। একই সঙ্গে হাইড্রোজেন পরিবহণের ক্ষেত্রেও চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এই আবহে গড়করির বক্তব্য, হাইড্রোজেন পরিবহণের খরচ কেজি প্রতি এক ডলারে নামিয়ে আনতে হবে, যাতে ভারত জ্বালানি রফতানিকারক দেশ হয়ে উঠতে পারে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


