Pakistani Police personnel Abducted: কেয়েট্টা-করাচি হাইওয়ে থেকে ২০ পাকিস্তানি পুলিশকর্মীকে অপহরণ! তুঙ্গে তল্লাশি

কী ঘটেছে পাকিস্তানে!

Published on: Oct 17, 2026, 16:22:57 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

দিনেদুপুরে পাকিস্তানে ২০ জন পুলিশ কর্মীর অপহরণের ঘটনা ঘিরে শোরগোল। জানা যাচ্ছে, বালোচিস্তানের মাতসঙ্গ এলাকায় কোয়েট্টা-করাচি হাইওয়ে থেকে ওই ২০ জনকে সশস্ত্র গোষ্ঠীর কয়েকজন অপহরণ করে। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডন-এ এই খবর প্রকাশিত হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অফিসারকে উল্লেখ করে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।

কেয়েট্টা-করাচি হাইওয়ে থেকে ২০ পাকিস্তানি পুলিশকর্মীকে অপহরণ! তুঙ্গে তল্লাশি (Photo by AFP)
কেয়েট্টা-করাচি হাইওয়ে থেকে ২০ পাকিস্তানি পুলিশকর্মীকে অপহরণ! তুঙ্গে তল্লাশি (Photo by AFP)

রিপোর্ট অনুসারে, সপ্তাহান্তের ছুটিতে ওই ২০ জন পাকিস্তানি পুলিশকর্মী যাচ্ছিলেন বাড়ি। তাঁরা একটি পাবলিক ভ্যানে চড়েছিলেন। সেই খান থেকেই তাঁদের অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয়। জানা গিয়েছে, বাইকে চড়ে এসে স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র হাতে ওই সশস্ত্রবাহিনীর ব্যক্তিরা আসে। ভ্যান থেকে ওই ২০ পুলিশকর্মীকে সঙ্গে নিয়ে তারা কোনও অজানা যায় চলে যায়। তবে জানা গিয়েছে, এই ভ্যানের চালক ও সেখানে থাকা ৩ জনকে এই সশস্ত্র বাহিনী যদিও ছেড়ে দেয়।

পাকিস্তানের সরকারি অফিসাররা বলছেন, পাকিস্তান পুলিশের রকশন ডিভিশনের কর্মী তাঁরা। তাঁরা পাকিস্তানের কালাত পুলিশ স্টেশনের ট্রেনিং এ ছিলেন। সেখান থেকেই বাড়ি ফিরছিলেন ওই ২০ পুলিশ কর্মী। বাড়ি ফেরার পথেই তাঁদের অপহরণ করা হয়। আপাতত পাহাড়ের বুকে ওই ২০ পুলিশ কর্মীর খোঁজে অপারেশন শুরু করেছে পাকিস্তানি প্রশাসন।

তবে এমন ধরনের অপহরণের ঘটনা নতুন নয়। রকশন এলাকার ডিভিশন কমিশনার আসাদ ককারও কিছুদিন আগে বালোচিস্তানের খারান জেলায় নিখোঁজ হন। আরেকটি ঘটনায় খারানের ডেপুটি কমিশনার মুনির আহমেদ সুমরুও নিখোঁজ হন। গত ৩ অক্টোবর তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। জানা যাচ্ছে, ২ সপ্তাহ তিনি বন্দি ছিলেন। শেষে সশস্ত্র বাহিনী ও স্থানীয় উপজাতির বয়স্ক নেতাদের মধ্যে সমঝোতা আলোচনার পর তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। এর আগে, ২১ জুলাই বালোচিস্তানের এক চেকপোস্টে ৩ আবগারি অফিসারের অপহরণের ঘটনা ঘটে।

  • Sritama Mitra
    ABOUT THE AUTHOR
    Sritama Mitra

    শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More