2027 Assembly Election Prediction Survey: ২০২৭ সালে বিধানসভা ভোটে এই রাজ্যে কেমন ফল করতে পারে বিজেপি! বড় দাবি সমীক্ষায়

একটি সংবাদমাধ্যমের করা এই সমীক্ষায় বয়স, সামাজিক শ্রেণি এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও সামাজিক ইস্যু নিয়ে সরাসরি ভোটারদের মতামত নেওয়া হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, একাধিক ইস্যুতে ধামির সিদ্ধান্তের প্রতি সমর্থন রয়েছে। বিশেষ করে নারী সংরক্ষণের প্রশ্নে তাঁর সরকারের উদ্যোগ ব্যাপক সমর্থন পেয়েছে।

Published on: Sep 14, 2026, 08:20:09 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

২০২৭ সালের উত্তরাখণ্ড বিধানসভা নির্বাচনের আগে একটি সাম্প্রতিক জনমত সমীক্ষায় মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি এবং তাঁর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকারের পক্ষে শক্তিশালী জনসমর্থনের ইঙ্গিত মিলেছে। সমীক্ষার হিসাবে, বর্তমান জনমত যদি ভোটের ফলাফলে পরিণত হয়, তাহলে ৭০ সদস্যের বিধানসভায় বিজেপি প্রায় ৫৪টি আসন পেতে পারে। নির্বাচনের এখনও কিছুটা সময় বাকি থাকলেও এই পরিসংখ্যান রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে বিজেপির জন্য ইতিবাচক বার্তা হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

২০২৭ সালের উত্তরাখণ্ড বিধানসভা নির্বাচনের আগে একটি সাম্প্রতিক জনমত সমীক্ষায় মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি এবং তাঁর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকারের পক্ষে শক্তিশালী জনসমর্থনের ইঙ্গিত মিলেছে।
২০২৭ সালের উত্তরাখণ্ড বিধানসভা নির্বাচনের আগে একটি সাম্প্রতিক জনমত সমীক্ষায় মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি এবং তাঁর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকারের পক্ষে শক্তিশালী জনসমর্থনের ইঙ্গিত মিলেছে।

একটি সংবাদমাধ্যমের করা এই সমীক্ষায় বয়স, সামাজিক শ্রেণি এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও সামাজিক ইস্যু নিয়ে সরাসরি ভোটারদের মতামত নেওয়া হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, একাধিক ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রী ধামির সিদ্ধান্তের প্রতি উল্লেখযোগ্য সমর্থন রয়েছে। বিশেষ করে নারী সংরক্ষণের প্রশ্নে তাঁর সরকারের উদ্যোগ ব্যাপক সমর্থন পেয়েছে।

সমীক্ষা অনুযায়ী, মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ দেওয়ার সিদ্ধান্তকে ৮৮ শতাংশ মানুষ সম্পূর্ণভাবে সমর্থন করেছেন। বিপরীতে মাত্র ৫ শতাংশ মানুষ এই সিদ্ধান্তের সম্পূর্ণ বিরোধিতা করেছেন। অর্থাৎ নারী ক্ষমতায়নের প্রশ্নে সরকারের উদ্যোগের প্রতি জনসমর্থনের ব্যবধান যথেষ্ট বড়।

উত্তরাখণ্ডের ‘দেবভূমি’ পরিচয় এবং রাজ্যের মূল চরিত্র ও স্বকীয়তা রক্ষার বিষয়েও ধামি সরকারের প্রতি সমর্থনের ছবি স্পষ্ট। সমীক্ষায় ৭০ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন, এই ক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রীর প্রচেষ্টাকে তাঁরা সম্পূর্ণ সমর্থন করেন। রাজ্যের সাংস্কৃতিক পরিচয়, ঐতিহ্য এবং স্থানীয় বৈশিষ্ট্য রক্ষার বিষয়টি ভোটারদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে বলেই এই পরিসংখ্যান থেকে ইঙ্গিত মিলেছে।

সামাজিক শ্রেণির হিসাবেও ধামির সমর্থন একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীতে সীমাবদ্ধ নয়। সমীক্ষায় বানিয়া-কায়স্থদের মধ্যে ৫৭.৩ শতাংশ, ওবিসি ভোটারদের মধ্যে ৫০.৬ শতাংশ, পাঞ্জাবি-শিখ সম্প্রদায়ের মধ্যে ৪৯.৭ শতাংশ, ব্রাহ্মণদের মধ্যে ৪৬.৩ শতাংশ, রাজপুতদের মধ্যে ৪৬.১ শতাংশ এবং তফসিলি জাতির মধ্যে ৪৫.৩ শতাংশ মানুষ ধামির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। ফলে বিভিন্ন সামাজিক স্তরে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে বলে সমীক্ষাটি দাবি করছে।

বয়সভিত্তিক পরিসংখ্যানেও একই প্রবণতা দেখা গেছে। ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সীদের মধ্যে ৩৭.৮ শতাংশ, ২৬ থেকে ৩৫ বছর বয়সীদের মধ্যে ৪৩ শতাংশ এবং ৩৬ থেকে ৫০ বছর বয়সীদের মধ্যে ৪৬.৮ শতাংশ মানুষ ধামির পক্ষে মত দিয়েছেন। ৫১ থেকে ৬০ বছর বয়সীদের মধ্যে সমর্থনের হার বেড়ে হয়েছে ৫০.৩ শতাংশ। ৬০ বছরের বেশি বয়সীদের মধ্যে তা আরও বেড়ে ৫১.৮ শতাংশে পৌঁছেছে।

সমীক্ষায় ইউসিসি, নকলবিরোধী আইন, নারী ক্ষমতায়ন, উন্নয়ন, সুশাসন এবং উত্তরাখণ্ডের স্বকীয়তা রক্ষার মতো বিভিন্ন সরকারি সিদ্ধান্তের প্রভাবও তুলে ধরা হয়েছে। এসব পদক্ষেপ বিভিন্ন বয়স ও সামাজিক শ্রেণির মানুষের মধ্যে বিজেপি সরকারের গ্রহণযোগ্যতা বাড়িয়েছে বলে সমীক্ষার ফলাফল থেকে দাবি করা হয়েছে।

তবে মনে রাখতে হবে, জনমত সমীক্ষা কোনও নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল নয়। ২০২৭ সালের ভোটের আগে রাজনৈতিক পরিস্থিতি, প্রার্থী নির্বাচন, স্থানীয় ইস্যু এবং বিরোধীদের প্রচার—সবকিছুই ভোটের অঙ্ক বদলে দিতে পারে। তবু বর্তমান সমীক্ষা অনুযায়ী, উত্তরাখণ্ডে ধামি নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার আপাতত জনসমর্থনের দিক থেকে বেশ এগিয়ে রয়েছে এবং ৫৪ আসনের সম্ভাবনার এই পূর্বাভাস নির্বাচনের আগে দলকে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাস জোগাতে পারে।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More