US-Iran Conflict: ইরান যুদ্ধে অস্ত্রভাণ্ডারে টান! চার মাসে গোলাবারুদেই US-র খরচ ২২.৩ বিলিয়ন ডলার

US-Iran Conflict: পেন্টাগনের প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৯ জুন পর্যন্ত ইরান যুদ্ধে মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতরের মোট আনুমানিক ব্যয় হয়েছে ৩৩.৪ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে ২২.৩ বিলিয়ন ডলার গেছে ব্যবহৃত গোলাবারুদের পেছনে।

Published on: Sep 15, 2026, 23:53:57 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

US-Iran Conflict: ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে মার্কিন সামরিক বাহিনীতে গোলাবারুদের তীব্র ঘাটতি এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের জটিলতা তৈরি হয়েছে। ইরানের চালানো আগ্রাসনের প্রথম চার মাসেই ২২.৩ বিলিয়ন ডলার মূল্যের গোলাবারুদ ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগনের ইন্সপেক্টর জেনারেলের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

ইরান যুদ্ধে অস্ত্রভাণ্ডারে টান! গোলাবারুদেই US-র খরচ ২২.৩ বিলিয়ন ডলার
ইরান যুদ্ধে অস্ত্রভাণ্ডারে টান! গোলাবারুদেই US-র খরচ ২২.৩ বিলিয়ন ডলার

সোমবার প্রকাশিত পেন্টাগনের প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৯ জুন পর্যন্ত ইরান যুদ্ধে মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতরের মোট আনুমানিক ব্যয় হয়েছে ৩৩.৪ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে ২২.৩ বিলিয়ন ডলার গেছে ব্যবহৃত গোলাবারুদের পেছনে। এছাড়া ৩.৭ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস হয়েছে এবং যুদ্ধের দৈনন্দিন কার্যক্রম চালাতে অতিরিক্ত ৭.৪ বিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে। এতে চাপ বাড়ছে মার্কিন প্রশাসনে। তবে এই ৩৩.৪ বিলিয়ন ডলারের হিসাবের মধ্যে ইরানের পাল্টা হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো মেরামত ও পুনর্নির্মাণের ব্যয় অন্তর্ভুক্ত নেই। কুয়েত, বাহরিন, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, সৌদি আরব, ইরাক, ওমান ও জর্ডানে মার্কিন সামরিক কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব হিসেবের বাইরে রাখা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ব্যবহারের কারণে মার্কিন সামরিক অস্ত্রভাণ্ডারে কৌশলগত ঘাটতি তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে নতুন অস্ত্র ও গোলাবারুদ উৎপাদন এবং সরবরাহ বাড়াতে শিল্পখাতের সক্ষমতার সীমাবদ্ধতাও সামনে এসেছে। এতে প্রচণ্ড চাপে পড়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।প্রতিবেদনে বাহরিনে মার্কিন নৌবাহিনীর প্রধান রসদ সরবরাহ কেন্দ্রে ইরানের ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিষয়টি প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া যুদ্ধে মার্কিন বাহিনীর অন্তত ৩০টি এমকিউ-৯ ড্রোন, চারটি এফ-১৫ই ও একটি এফ-৩৫এ যুদ্ধবিমান এবং ১২টি কেসি-১৩৫ রিফুয়েলিং বিমান ধ্বংস বা মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এদিকে জুনের শুরু পর্যন্ত মার্কিন বিদেশ দফতরের যুদ্ধসংশ্লিষ্ট ব্যয় হয়েছে ১১৩ মিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে মার্কিন কূটনীতিক ও নাগরিকদের অঞ্চল থেকে সরিয়ে নেওয়ার খরচও রয়েছে। ইরানের হামলায় ইরাক, কুয়েত, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে মার্কিন কূটনৈতিক কাঠামোগুলোতে প্রায় ১৮৪ মিলিয়ন ডলারের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

এর আগে জুলাইয়ের শেষ দিকে মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ কংগ্রেসকে জানিয়েছিলেন, ইরান যুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় প্রায় ৩৭.৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। তবে ডেমোক্র্যাটিক সূত্রগুলো দাবি করেছিল, ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন ঘাঁটি পুনর্নির্মাণের খরচ হিসাবের বাইরে থাকায় প্রকৃত ব্যয় আরও বেশি হতে পারে। এতে চাপ বাড়ছে ট্রাম্প প্রশাসনে। তবে পিট হেগসেথ গোলাবারুদের সংকটের খবর অস্বীকার করেছেন। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইতিহাসের যে কোনও সময়ের চেয়ে বেশি অস্ত্র তৈরি করছে এবং তা মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন বাহিনীর কাছে নিয়মিত পৌঁছানো হচ্ছে। এর আগে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ‘কার্যত সীমাহীন’ গোলাবারুদের মজুত রয়েছে।