250 MW BESS for Defence: প্রতিরক্ষা পরিকাঠামোয় সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়াতে পদক্ষেপ, তৈরি হবে ২৫০ মেগাওয়াটের BESS
উত্তরপ্রদেশের সীতাপুরের প্রাক্তন ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মালিকানাধীন অব্যবহৃত জমিতে ২৫০ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প এবং ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম (BESS) গড়ে তোলার অনুমোদন দিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।
দেশের প্রতিরক্ষা পরিকাঠামোয় নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বাড়াতে বড় পদক্ষেপ করল কেন্দ্র। উত্তরপ্রদেশের সীতাপুরের প্রাক্তন ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মালিকানাধীন অব্যবহৃত জমিতে ২৫০ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প এবং ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম (BESS) গড়ে তোলার অনুমোদন দিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। এটি দেশের প্রতিরক্ষা জমিতে গড়ে ওঠা প্রথম বৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ ও ব্যাটারি স্টোরেজ প্রকল্প হতে চলেছে।

প্রায় ৮৫০ একর অব্যবহৃত প্রতিরক্ষা জমিতে এই প্রকল্প তৈরি হবে। প্রকল্পটির লক্ষ্য একদিকে যেমন প্রতিরক্ষা স্থাপনাগুলির দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, তেমনই অন্যদিকে পরিষ্কার ও পরিবেশবান্ধব শক্তির ব্যবহার বাড়ানো। সৌরবিদ্যুতের সঙ্গে ব্যাটারি স্টোরেজ যুক্ত থাকায় উৎপাদিত বিদ্যুৎ সংরক্ষণ করা যাবে এবং প্রয়োজনের সময় তা ব্যবহার করা সম্ভব হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পাবে NTPC। প্রতিযোগিতামূলক দরপত্রের মাধ্যমে কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক, সেনাবাহিনীর সদর দফতর এবং ডিরেক্টরেট জেনারেল ডিফেন্স এস্টেটসের সমন্বয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে।
কেন্দ্রের মতে, এই প্রকল্প চালু হলে প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রচলিত গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ কেনার খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে। একই সঙ্গে দেশের নবায়নযোগ্য শক্তি উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। ভবিষ্যতে দেশের অন্যান্য অব্যবহৃত প্রতিরক্ষা জমিতেও একই ধরনের সৌর ও স্টোরেজ প্রকল্প গড়ে তোলার পথ খুলে দিতে পারে এই উদ্যোগ। বিশেষজ্ঞদের মতে, জাতীয় নিরাপত্তা, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং পরিবেশ সুরক্ষাকে একসঙ্গে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সীতাপুরের এই প্রকল্প একটি নতুন নজির তৈরি করতে পারে।
ভারতের এই মেগা প্রকল্পের জন্য আনুষ্ঠানিক চূড়ান্ত বাজেট ঘোষণা বাকি থাকলেও, বর্তমান বাজার দর (প্রতি মেগাওয়াটে প্রায় ৫ কোটি টাকা) অনুযায়ী এই ২৫০ মেগাওয়াট প্রকল্পের আনুমানিক নির্মাণ খরচ প্রায় ১,২৫০ কোটি টাকা। এই গ্রিন এনার্জি গ্রিড চালুর পর ভারতের প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রচলিত বিদ্যুৎ ক্রয়ের সরকারি খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। এই প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করতে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ইন্টিগ্রেটেড হেডকোয়ার্টার্স (আর্মি) এবং ডিরেক্টরেট জেনারেল ডিফেন্স এস্টেটস (DGDE) সরাসরি এনটিপিসি-র সাথে যৌথভাবে কাজ করছে। এদিকে মেঘলা দিনে বা রাতেও যাতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ বজায় থাকে, সেজন্য এতে ৫০ মেগাওয়াট/২০০ মেগাওয়াট-আওয়ার (MWh) ক্ষমতা সম্পন্ন ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম (BESS) যুক্ত করা হচ্ছে। প্যানেলগুলো পরিষ্কার রাখার জন্য এতে মানুষের পরিবর্তে স্বয়ংক্রিয় রোবোটিক ড্রাই ক্লিনিং প্রযুক্তি (Dry Robotic Cleaning) ব্যবহার করা হবে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


