80 Indians Laid off by US Company: ৫ মিনিটের গুগল মিটে ৮০ ভারতীয়ের চাকরি গেল? মার্কিন সংস্থার সিদ্ধান্ত ঘিরে চাঞ্চল্য

রেডিটে ওই কর্মী জানিয়েছেন, তিনি একটি মার্কিন ব্যাংকের জন্য গ্রাহক পরিষেবা দলে কাজ করতেন। তাঁর নির্ধারিত সন্ধ্যার শিফট ছিল। কিন্তু কাজের মাঝেই আচমকা তাঁদের একটি অনলাইন বৈঠকে যোগ দিতে বলা হয়।

Published on: Sep 18, 2026, 09:19:36 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

মাত্র পাঁচ মিনিটের একটি অনলাইন বৈঠক। আর সেই বৈঠকেই নাকি একসঙ্গে চাকরি হারালেন ভারতের ৮০ জন কর্মী। এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন এক প্রাক্তন কর্মী। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, একটি মার্কিন আর্থিক সংস্থার ভারতীয় গ্রাহক পরিষেবা দলের সব কর্মীকেই হঠাৎ করে চাকরি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি রেডিটে প্রকাশ্যে আসার পর তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সংস্থার পক্ষ থেকে এই দাবি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।

৫ মিনিটের গুগল মিটে ৮০ ভারতীয়ের চাকরি গেল? মার্কিন সংস্থার সিদ্ধান্তে চাঞ্চল্য
৫ মিনিটের গুগল মিটে ৮০ ভারতীয়ের চাকরি গেল? মার্কিন সংস্থার সিদ্ধান্তে চাঞ্চল্য

রেডিটে ওই কর্মী জানিয়েছেন, তিনি একটি মার্কিন ব্যাংকের জন্য গ্রাহক পরিষেবা দলে কাজ করতেন। তাঁর নির্ধারিত সন্ধ্যার শিফট ছিল। কিন্তু কাজের মাঝেই আচমকা তাঁদের একটি অনলাইন বৈঠকে যোগ দিতে বলা হয়। রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ গুগল মিটে বৈঠক শুরু হলে কর্মীদের জানিয়ে দেওয়া হয়, ভারতের পুরো গ্রাহক পরিষেবা দলকেই চাকরি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন ওই কর্মী। তাঁর মতে, মাত্র পাঁচ মিনিটেই ৮০ জন কর্মীর চাকরি শেষ হয়ে যায়।

ঘটনার আরও একটি উল্লেখযোগ্য দিক হল, ওই দিন কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ করতে বলা হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে। এর পর দিনের শেষে হঠাৎ অনলাইন বৈঠকে যোগ দেওয়ার নির্দেশ আসে। কর্মীর অভিযোগ, এত অল্প সময়ের মধ্যে চাকরি চলে যাওয়ার বিষয়টি তাঁদের কাছে সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত ছিল। তিনি আরও লেখেন, বহু কর্মী চাকরি ধরে রাখার আশায় দীর্ঘ সময় ধরে পরিশ্রম করছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই চেষ্টা কোনও কাজে এল না।

চাকরি হারানোর পর নিজের ভবিষ্যৎ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ওই কর্মী। তাঁর কথায়, এত হঠাৎ করে কর্মসংস্থান হারানোর পর নতুন চাকরি খুঁজে পাওয়া নিয়ে তিনি অনিশ্চিত। একই সঙ্গে ৮০ জন কর্মীর সঙ্গে তাঁদের পরিবারের সদস্যরাও এই সিদ্ধান্তের কারণে আর্থিক অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন বলে তিনি দাবি করেন।

পরে রেডিটে করা কয়েকটি প্রশ্নের জবাবে ওই কর্মী দাবি করেন, ভারতীয় দলের প্রত্যাশিত কাজের ফলাফল পাওয়া যাচ্ছিল না। অর্থাৎ, কর্মক্ষমতা বা প্রত্যাশিত উৎপাদনশীলতার বিষয়টি সিদ্ধান্তের অন্যতম কারণ হতে পারে বলে তাঁর বক্তব্য। যদিও এই দাবিরও স্বাধীনভাবে যাচাই হয়নি এবং সংস্থার আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা এখনও সামনে আসেনি।

অন্য একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আক্রান্ত কর্মী সংস্থার নাম হিসেবে ‘ব্লুভাইন’-এর কথা জানিয়েছেন। ব্লুভাইন একটি ডিজিটাল ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্ম, যা ছোট ব্যবসার জন্য ব্যবসায়িক হিসাব, অর্থপ্রদানের সরঞ্জাম এবং ঋণসুবিধা প্রদান করে। তবে এই সংস্থাই ওই ৮০ কর্মীকে সরিয়েছে কি না, সে বিষয়ে সংস্থার কোনও প্রকাশ্য বিবৃতি এখনও পাওয়া যায়নি।

এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে বড় সংস্থাগুলিতে কর্মীদের সঙ্গে ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত কীভাবে জানানো হচ্ছে, তা নিয়ে। কয়েক মিনিটের একটি অনলাইন বৈঠকে এত বড় সংখ্যক কর্মীর চাকরি শেষ হয়ে যাওয়ার দাবি কর্মক্ষেত্রে চাকরির নিরাপত্তা নিয়েও আলোচনা তৈরি করেছে। তবে ঘটনার সম্পূর্ণ সত্যতা, ছাঁটাইয়ের প্রকৃত কারণ এবং মোট কত জন কর্মী এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন—এসব বিষয়ে সংস্থার আনুষ্ঠানিক বক্তব্য না আসা পর্যন্ত বিষয়টি রেডিটে প্রকাশিত দাবির পর্যায়েই রয়েছে।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More