দেশের ৮০ তম স্বাধীনতা দিবসে বন্ধুদের কিভাবে শুভেচ্ছা জানাবেন ভাবছেন! রইল ১০ মেসেজ
আজ ৮০ তম স্বাধীনতা দিবস! ১৫ আগস্ট ২০২৬র সকালে রইল বিশেষ কয়েকটি শুভেচ্ছাবার্তা।
দেশ পালন করতে চলেছে ৮০ তম স্বাধীনতা দিবস। ২০২৬ সালের ভোর থেকেই দেশ জুড়ে পালিত হতে চলেছে দেশের এই বিশেষ দিন। এই বিশেষ দিনে অনেকেই দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ কোনও বার্তা দিয়েই নিজের প্রিয়জনকে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানাতে চান। এমনই কিছু শুভেচ্ছাবার্তা রইল, যেখানে রয়েছে বিভিন্ন মণীষীর বিখ্যাত কিছু উক্তি।

১."তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেবো।" নেতাজির এই বাণীকে স্মরণে রেখেই আগামীর পথ চলা হোক গৌরবময়, স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা।
২."এমনভাবে বাঁচো যেন তুমি আগামীকালই মারা যাবে। এমনভাবে শেখো যেন তুমি চিরকাল বাঁচবে।" গান্ধীজির এই বার্তা দিয়েই জানাই স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা।
৩."চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির, জ্ঞান যেথা মুক্ত, যেথা গৃহের প্রাচীর আপন প্রাঙ্গণতলে দিবসশর্বরী বসুধারে রাখে নাই খণ্ড ক্ষুদ্র করি।" কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই বার্তায় জাগ্রত হোক দেশপ্রেম, রইল স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা।
৪."ব্যক্তিকে হত্যা করা সহজ, কিন্তু আদর্শকে হত্যা করা যায় না। বড় বড় সাম্রাজ্য ভেঙে পড়ে, কিন্তু আদর্শ বেঁচে থাকে।" শহিদ ভগৎ সিংয়ের বার্তাই হোক আগামীর পথ চলার পাথেয়। রইল স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা।
৫."স্বরাজ আমার জন্মগত অধিকার এবং আমি তা অর্জন করবই।" এই বার্তা দিয়েছিলেন বালগঙ্গাধর তিলক। স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা।
৬." শত্রুর গুলির মুখোমুখি আমরা হব, আজাদই আছি, আজাদই থাকব।" এই বার্তা রয়েছে চন্দ্রশেখর আজাদের।স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা।
৭."অন্যায় ও অসত্যের সাথে আপোষ করাই হলো সবচেয়ে বড় অপরাধ।" নেতাজির এই বার্তাতেই আরও উজ্জিবীত হোক দেশপ্রেম। স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা।
৮."হে বীর, সাহস অবলম্বন করো, সদর্পে বলো— আমি ভারতবাসী, ভারতবাসী আমার ভাই।" বলেছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ। রইল স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা।
৯."ও আমার দেশের মাটি, তোমার 'পরে ঠেকাই মাথা।" এই সুরেই হোক ৮০ তম স্বাধীনতা দিবস আরও উৎসবময়।
১০."এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি, সকল দেশের রাণী সে যে আমার জন্মভূমি", এই জন্মভূমিকে আমরা সকলেই নতমস্তকে প্রণাম করি। রইল স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


