8th Pay Commission Latest Update: অষ্টম পে কমিশনে OPS না NPS? সরকারি কর্মীদের বড় দাবি, কী হতে পারে সিদ্ধান্ত

অষ্টম পে কমিশন ৩ নভেম্বর ২০২৫ সালে গঠিত হয়। কমিশনের নেতৃত্বে রয়েছেন বিচারপতি রঞ্জনা প্রকাশ দেশাই। কমিশনকে ১৮ মাসের মধ্যে সরকারের কাছে চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। ইতিমধ্যে কর্মী সংগঠন, পেনশনভোগীদের সংগঠন এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছে কমিশন।

Published on: Sep 22, 2026, 09:17:35 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের জন্য অষ্টম পে কমিশনকে ঘিরে আলোচনা এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বেতন বাড়ানো, পেনশন সংশোধন এবং বিভিন্ন ভাতা পরিবর্তনের পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে পুরনো পেনশন ব্যবস্থা বা OPS ফিরিয়ে আনার দাবি। একাধিক কর্মী সংগঠন কমিশনের কাছে জানিয়েছে, অবসরের পর নির্দিষ্ট ও নিরাপদ পেনশন নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তবে OPS ফিরবে কি না, নাকি বর্তমান NPS বা অন্য কোনও ব্যবস্থা চালু থাকবে, সেই বিষয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের জন্য অষ্টম পে কমিশনকে ঘিরে আলোচনা এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের জন্য অষ্টম পে কমিশনকে ঘিরে আলোচনা এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

অষ্টম পে কমিশন ৩ নভেম্বর ২০২৫ সালে গঠিত হয়। কমিশনের নেতৃত্বে রয়েছেন বিচারপতি রঞ্জনা প্রকাশ দেশাই। কমিশনকে ১৮ মাসের মধ্যে সরকারের কাছে চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। ইতিমধ্যে কর্মী সংগঠন, পেনশনভোগীদের সংগঠন এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছে কমিশন। সেপ্টেম্বর মাসেও পুদুচেরি এবং চণ্ডীগড়ে আলোচনা হয়েছে। অক্টোবর মাসে বেঙ্গালুরুতে আরও বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

এই আলোচনায় শুধু বেতন বৃদ্ধির বিষয় নয়, ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর, পেনশন, ভাতা এবং বেতন কাঠামোর বিভিন্ন পরিবর্তনের দাবিও সামনে এসেছে। তবে ২০০৪ সালের পর কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরিতে যোগ দেওয়া কর্মীদের অবসর-পরবর্তী আর্থিক নিরাপত্তার বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে। কর্মী সংগঠনগুলির একাংশ মনে করছে, নির্ধারিত পেনশন না থাকায় ভবিষ্যৎ আর্থিক নিরাপত্তা নিয়ে কর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে।

সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার MSA বা মাইনিং সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার একটি সংগঠন পুরনো পেনশন ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছে। তাদের পক্ষ থেকে অবসরের সময় শেষ বেতনের ৫০ শতাংশের সমান গ্যারান্টিযুক্ত পেনশনের দাবিও করা হয়েছে। অর্থাৎ অবসরের পর কর্মী যাতে নির্দিষ্ট অঙ্কের পেনশন পান, সেই ব্যবস্থা চাওয়া হয়েছে।

এদিকে ফেডারেশন অব ন্যাশনাল পোস্টাল অর্গানাইজেশনও NPS এবং UPS-এর আওতায় থাকা কর্মীদের জন্য নির্দিষ্ট সুবিধার পেনশন ব্যবস্থা চালুর দাবি জানিয়েছে। তাদের বক্তব্য, অবসর নেওয়ার পর কর্মীদের জন্য আরও নিশ্চিত আর্থিক সুরক্ষা প্রয়োজন। রেলওয়ে সিনিয়র সিটিজেনস সোসাইটিও ন্যূনতম গ্যারান্টিযুক্ত পেনশনের দাবি তুলেছে।

অষ্টম পে কমিশনের সামনে আরও বেশ কিছু দাবি রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর বাড়ানো, বেতন পুনর্নির্ধারণ, ন্যূনতম পেনশন বৃদ্ধি এবং পেনশনের ক্ষেত্রে সমতা আনা। অর্থাৎ শুধু কর্মরতদের বেতন নয়, অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের সুবিধার বিষয়টিও আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।

এখন কমিশনের কাজ হল বিভিন্ন কর্মী ও পেনশনভোগী সংগঠনের দাবি এবং প্রস্তাব খতিয়ে দেখা। এরপর প্রয়োজনীয় সুপারিশ তৈরি করে তা কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে। বর্তমান সময়সীমা অনুযায়ী, কমিশনের চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২৭ সালের মে-জুনের দিকে জমা পড়তে পারে। তার আগে OPS ফিরবে কি না বা NPS-ই চালু থাকবে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনও ঘোষণা নেই। ফলে অষ্টম পে কমিশনের পরবর্তী বৈঠক ও সুপারিশের দিকেই এখন কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী এবং পেনশনভোগীদের নজর।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More