Spelling Error in Voter Roll: 'f' জটে প্রশ্নের মুখে নাগরিকত্ব! কর্ণাটকের ভারতরত্নজয়ী প্রবীণ বিজ্ঞানীকে SIR শুনানিতে তলব

Spelling Error in Voter Roll: ২০২৮ সালে বিধানসভা নির্বাচন হতে চলেছে কর্ণাটকে। সেই উপলক্ষে গত ৩০ জুন থেকে সেখানে শুরু হয়েছে এসআইআর-এর কাজ। এখানেই বিপাকে পড়েছেন ভারতরত্ন ৯২ বছর বয়সি বিজ্ঞানী অধ্যাপক সিএনআর রাও।

Published on: Sep 9, 2026, 20:11:07 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Spelling Error in Voter Roll: রসায়নের গূঢ় তত্ত্ব নিমেষে সমাধান করেছেন তিনি। বিজ্ঞানের জগতে তাঁর অসামান্য কৃতিত্বের জন্য ভারত সরকার তাঁকে দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান ভারতরত্ন। এহেন ভারতরত্নজয়ী প্রবীণ বিজ্ঞানী সি এন আর রাওকে এসআইআর নোটিস পাঠাল নির্বাচন কমিশন। কর্ণাটকে ভোটার তালিকা সংশোধনের (এসআইআর) কাজ চলাকালীন এই ঘটনা ঘটেছে।

ভারতরত্নজয়ী প্রবীণ বিজ্ঞানীকে SIR শুনানিতে তলব (সৌজন্যে টুইটার)
ভারতরত্নজয়ী প্রবীণ বিজ্ঞানীকে SIR শুনানিতে তলব (সৌজন্যে টুইটার)

২০২৮ সালে বিধানসভা নির্বাচন হতে চলেছে কর্ণাটকে। সেই উপলক্ষে গত ৩০ জুন থেকে সেখানে শুরু হয়েছে এসআইআর-এর কাজ। এখানেই বিপাকে পড়েছেন ভারতরত্ন ৯২ বছর বয়সি বিজ্ঞানী অধ্যাপক সিএনআর রাও। জানা যাচ্ছে, ২০০২ সালের পুরনো ভোটার তালিকায় এই বিজ্ঞানীর নাম ছিল প্রফ (অধ্যাপক) সিএনআর রাও (Prof CNR Rao)। বর্তমান তালিকায় যে নাম রয়েছে তা হল 'প্রফ (অধ্যাপক) সিএনআর রাও' (Proff CNR Rao)। অর্থাৎ Prof বানানে একটি 'f' বেশি। এই ধন্দ কাটাতেই বিজ্ঞানীকে শুনানিতে ডেকে পাঠানো হয়েছে বলে কমিশন সূত্রে খবর।

জানা গিয়েছে, এই নাম-বিভ্রান্তি মেটাতে তাঁকে বেঙ্গালুরুর মল্লেশ্বরমে একটি শুনানিতে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। প্রয়োজনীয় নথি নিয়ে হাজিরা দিতে হবে তাঁকে। এ বিষয়ে অধ্যাপক সিএনআর রাওয়ের দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, 'আমরা এখনও এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের তরফে কোনও নোটিস পাইনি। হতে পারে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে এই ত্রুটি দেখানো হয়েছে। তবে অধ্যাপকের নামের বানান ছাড়া অন্য কোনও সমস্যা নেই।'

১৯৩৪ সালে বেঙ্গালুরুতে জন্মগ্রহণ করেন বিজ্ঞানী সি এন আর রাও (Bharat Ratna awardee C.N.R Rao)। রসায়ন বিজ্ঞান, বিশেষ করে সলিড স্টেট ম্যাটেরিয়ালস, ন্যানোম্যাটেরিয়ালস এবং স্ট্রাকচারাল কেমিস্ট্রি ক্ষেত্রে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। ১৯৭৬ সালে তিনি ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্সে (IISc) সলিড স্টেট অ্যান্ড স্ট্রাকচারাল কেমিস্ট্রি ইউনিট প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৮৪-৯৪ সাল পর্যন্ত এই প্রতিষ্ঠানের ডিরেক্টর ছিলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী, রাজীব গান্ধী, আইকে গুজরাল এবং মনমোহন সিংয়ের আমলে কেন্দ্রের বিজ্ঞানবিষয়ক পরামর্শদাতা কমিটির সদস্য ছিলেন। এখনও পর্যন্ত তিনি ১,৬০০-রও বেশি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছেন এবং দেশ-বিদেশে বহু সম্মান পেয়েছেন। বিজ্ঞানে অসামান্য অবদানের জন্য ২০১৩ সাল তাঁকে দেশের সর্বোচ্চ সম্মান ভারতরত্ন প্রদান করা হয়। বিজ্ঞানের দুনিয়ায় অসামান্য কৃতিত্বের জন্য ২০১৪ সালে তাঁকে দেশের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান ভারতরত্নে সম্মানিত করে কেন্দ্রীয় সরকার। এবার তাঁর নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় স্বাভাবিকভাবেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

উল্লেখ্য, কর্ণাটকে এই ঘটনা অবশ্য প্রথম নয়। শিক্ষার প্রসারে অগ্রণী ভূমিকা রাখা পদ্মশ্রী পুরস্কার প্রাপ্ত হরেকলা হাজাব্বাকেও এসআইআর নোটিস পাঠিয়েছে কমিশন। পদ্মশ্রী সম্মান পাওয়ার মাত্র ৬ বছর পর তাঁকে এসআইআর নোটিস পাঠানো হয়েছে। আগামী ১১ সেপ্টেম্বর স্থানীয় গ্রামপঞ্চায়েতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে তাঁকে। কমলালেবু বিক্রির টাকায় স্কুল তৈরি করেছিলেন হরেকলা হাজাব্বা।