'আমার সঙ্গে প্রতারণা...,' ব্যাঙ্কের সামনে স্ত্রীকে গুলি, বোনকে মেরে আত্মঘাতী স্বামী, WhatsApp স্টেটাসে...
Lucknow News: স্ত্রীকে খুন করার পর অভিযুক্ত মানস বাজপেয়ী তাঁর হোয়াটসঅ্যাপ স্টেটাসে একটি বার্তা দেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।
Lucknow News: উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ে (Lucknow) স্ত্রী ও বোনকে গুলি করে খুন করার অভিযোগ উঠল ব্যাঙ্ককর্মী স্বামীর বিরুদ্ধে। পরে নিজেও গুলি চালিয়ে আত্মঘাতী হন। বৃহস্পতিবার দুপুরে শহরের অভিজাত গোমতীনগর এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটে।

নিহত মহিলার নাম দিব্যা মিশ্র। তিনি বিবেক খণ্ডের একটি বেসরকারি ব্যাঙ্ক শাখায় রিলেশনশিপ ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাঁর বাড়ি আলমবাগের স্নেহনগরে। অভিযুক্ত স্বামী ৩৮ বছর বয়সি মানস বাজপেয়ী একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের জানকীপুরম শাখায় কর্মরত ছিলেন। পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার দুপুরে মানস গোমতীনগরে অবস্থিত আইসিআইসিআই ব্যাঙ্কের শাখার বাইরে স্ত্রী দিব্যাকে ডেকে আনেন। দিব্যা ওই ব্যাঙ্কেই কাজ করতেন। কয়েক মিনিট কথা বলার পর মানস তাঁকে গুলি করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। রক্তাক্ত অবস্থায় দিব্যাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
স্ত্রীকে গুলি করার পর মানস বাড়িতে ফিরে তার ২৮ বছর বয়সি বোন শিব বাজপেয়ীকেও গুলি করেন। শিব মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। এরপর মানস নিজেও আত্মহত্যা করেন। স্ত্রীকে খুন করার পর অভিযুক্ত মানস তাঁর হোয়াটসঅ্যাপ স্টেটাসে একটি বার্তা দেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। সেই বার্তায় লেখা ছিল, 'আজ আমি আমার স্ত্রীকে খুন করেছি, কারণ সে আমার সঙ্গে প্রতারণা করেছে… এখন আমাকে নিজেকে এবং আমার বোনকে মারতে হবে… তাঁর বোন প্রজ্ঞা এবং ভারত সবকিছু জানে।' দিব্যার বোন বলে পরিচিত সাংবাদিক প্রজ্ঞা মিশ্র ঘটনার খবর পাওয়ার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেন। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, 'এইমাত্র ফোন পেলাম, আমার বোনকে গোমতীনগরে গুলি করা হয়েছে… ও লোহিয়া হাসপাতালে রয়েছে। ঈশ্বর আমার বোনকে রক্ষা করুন।'
পুলিশ জানিয়েছে, দিব্যা ও মানসের বিয়ে হয়েছিল ১২ বছর আগে। তবে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে তাঁরা আলাদা থাকছিলেন। গত বছর দিব্যা বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেছিলেন বলে জানা গেছে। তাঁদের কোনও সন্তান ছিল না। পুলিশ জানিয়েছে, গোটা ঘটনার তদন্ত চলছে। গুলি চালানোর কারণ, কথিত দাম্পত্য বিবাদ এবং পরবর্তী সময়ে অভিযুক্ত ও তাঁর বোনের মৃত্যুর পরিস্থিতি-সবকিছুই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
E-Paper

