Hyderabad Student Dies: US-এ চাকরি না পাওয়ার হতাশা! অবসাদে আত্মঘাতী ভারতীয় ছাত্র

Hyderabad Student Dies: হায়দরাবাদের দাম্মাইগুড়ার বাসিন্দা প্রদীপ ২০২৪ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের 'ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাস অ্যাট সান আন্তোনিও' (UTSA)-তে ভর্তি হন। সেখান থেকে তিনি স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

Published on: Aug 25, 2026, 13:36:44 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Hyderabad Student Dies: উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন নিয়ে ২০২৪ সালে হায়দরাবাদ থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমিয়েছিলেন। কিন্তু মাত্র দু'বছরের মাথায় সেখান থেকে এল চরম দুঃসংবাদ। চাকরি না পাওয়ার হতাশা এবং তীব্র মানসিক অবসাদের জেরে আত্মঘাতী হলেন তেলাঙ্গানার যুবক সাই প্রদীপ।

অবসাদে আত্মঘাতী ভারতীয় ছাত্র (সৌজন্যে টুইটার)
অবসাদে আত্মঘাতী ভারতীয় ছাত্র (সৌজন্যে টুইটার)

হায়দরাবাদের দাম্মাইগুড়ার বাসিন্দা প্রদীপ (যিনি পরিবার ও বন্ধুদের কাছে 'দীপু' নামে পরিচিত ছিলেন) ২০২৪ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের 'ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাস অ্যাট সান আন্তোনিও' (UTSA)-তে ভর্তি হন। সেখান থেকে তিনি স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরিবার ও বন্ধুদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পড়াশোনা শেষের পর গত প্রায় চার মাস ধরে উদ্ভ্রান্তের মতো চাকরির খোঁজ করছিলেন তিনি। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত চাকরি না পাওয়ায় প্রবল মানসিক চাপের মধ্যে দিন কাটাচ্ছিলেন এই যুবক। এরপর গত ২১ আগস্ট তাঁর মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়।

প্রদীপের তুতো বোন দীপ্তি স্মৃতিচারণ করে জানান, তিনি ছিলেন এক 'স্নেহশীল, দয়ালু এবং প্রাণবন্ত মানুষ।' প্রদীপের দেহ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য পরিবারের তরফে চালু করা ‘গোফান্ডমি’ (GoFundMe) ক্যাম্পেইন থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, ছোটবেলা থেকেই প্রদীপকে একাধিক শারীরিক প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয়েছিল, কিন্তু তিনি কখনই সেগুলিকে নিজের ওপর চেপে বসতে দেননি। দীপ্তি লেখেন, 'স্বাস্থ্য ও ফিটনেসের প্রতি দীপুর একাগ্রতা তার চারপাশের মানুষদের অনুপ্রাণিত করেছে। শৃঙ্খলা, কঠোর পরিশ্রম ও জিমে দীর্ঘ সময় কাটিয়ে সে নিজেকে বদলে ফেলেছিল এবং অদম্য ইচ্ছাশক্তির প্রমাণ দিয়েছিল। তার আন্তরিকতা, ইতিবাচক মানসিকতা ও মনের জোর সবসময় সবার মনে থাকবে।' নতুন কিছু শেখার আগ্রহ থেকেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে থাকাকালীন স্প্যানিশ ভাষাও শিখেছিলেন প্রদীপ।

প্রদীপের বোন জানান, 'ওর এই আকস্মিক মৃত্যু তার বাবা-মা, পরিবার ও প্রিয়জনদের এমন এক শূন্যতায় ফেলেছে যা ভাষায় প্রকাশ করা অসম্ভব।' প্রদীপের দেহ ভারতে ফিরিয়ে আনা ও শেষকৃত্যের যাবতীয় খরচ বহনের জন্য 'গোফান্ডমি'-তে ৩৫,০০০ ডলার সংগ্রহের চেষ্টা করা হচ্ছে। অতিরিক্ত অর্থ তাঁর বাবা-মায়ের সহায়তায় তুলে দেওয়া হবে। মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত ৮২১ জন দাতার সহায়তায় মোট ২৮,৬০২ ডলার সংগৃহীত হয়েছে।