Switzerland Traffic Fine: সুইজারল্যান্ড ট্রিপের পর ১.৫ লক্ষ ট্রাফিক জরিমানা! নোটিশ পেতেই চক্ষু চড়কগাছ ভারতীয় পর্যটকের

Switzerland Traffic Fine: সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম 'এক্স'-এ পোয়ান সাপদি নামে ওই মহিলা এই অদ্ভুত এবং অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেছেন। তিনি জানান, এখন তাঁরা বোঝার চেষ্টা করছেন যে এই জরিমানার বিরুদ্ধে কোনও আপিল করা, জরিমানার অঙ্ক কমানো বা তা পুরোপুরি মকুব করার কোনও আইনি উপায় আছে কিনা।

Published on: Jun 01, 2026 7:39 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Switzerland Traffic Fine: বিদেশ ভ্রমণের আনন্দ যে এক বছর পর এমন এক দুঃস্বপ্নে পরিণত হতে পারে, তা হয়তো ভাবতেও পারেননি এই ভারতীয় পর্যটক। সুইজারল্যান্ড সফর শেষ করে দেশে ফেরার প্রায় এক বছর পর হাতে এল প্রায় ১.৫ লক্ষ টাকার এক বিশাল ট্রাফিক জরিমানার নোটিশ।স্বাভাবিকভাবেই, আকস্মিক এই ঘটনায় একেবারে হতবাক হয়ে গিয়েছেন ওই মহিলা ভ্রমণকারী।

সুইজারল্যান্ড ট্রিপের পর ১.৫ লক্ষ ট্রাফিক জরিমানা!
সুইজারল্যান্ড ট্রিপের পর ১.৫ লক্ষ ট্রাফিক জরিমানা!

সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম 'এক্স'-এ পোয়ান সাপদি নামে ওই মহিলা এই অদ্ভুত এবং অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেছেন। তিনি জানান, এখন তাঁরা বোঝার চেষ্টা করছেন যে এই জরিমানার বিরুদ্ধে কোনও আপিল করা, জরিমানার অঙ্ক কমানো বা তা পুরোপুরি মকুব করার কোনও আইনি উপায় আছে কিনা। তিনি লিখেছেন, 'এখানে এমন কেউ কী আছেন, যিনি সুইজারল্যান্ডে ছুটি কাটিয়ে ফেরার কয়েক মাস পর ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের জরিমানা পেয়েছেন? আমরা সুইজারল্যান্ড ট্রিপের প্রায় এক বছর পর প্রায় ১ লক্ষ টাকার একটি চালান পেয়েছি। আমরা বোঝার চেষ্টা করছি এটি আপিল করার, কমানোর বা মকুব করার কোনও রাস্তা আছে কিনা।' অন্য একটি পোস্টে তিনি এই পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণ পেতে সোশ্যাল মিডিয়া কমিউনিটির কাছে আইনি পরামর্শ ও সহায়তা চেয়েছেন। তিনি বলেন, 'অনুরূপ কোনও পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন বা এই ধরনের আইনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা আছে-এমন কারুর কাছ থেকে পরামর্শ পেলে খুব ভালো হতো। আপনাদের যে কোনও তথ্য বা সাহায্য আমাদের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান।'

সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিক্রিয়া

ইতিমধ্যেই ১.৩ মিলিয়নেরও বেশি ভিউ-সহ ওই মহিলার পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক স্তরে গাড়ি ভাড়া নেওয়ার চুক্তিপত্র খুঁটিয়ে দেখা এবং বিদেশে গাড়ি চালানোর সময় সেখানকার স্থানীয় ট্রাফিক নিয়মকানুন ভালোভাবে বোঝার বিষয়ে ভারতীয় পর্যটকদের মধ্যে একটি বড়সড় আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সাধারণত, গাড়ি ভাড়া দেওয়া সংস্থাগুলো মূল জরিমানার সঙ্গে নিজেদের একটি প্রশাসনিক ফি যুক্ত করে চালানের কপি গ্রাহকের কাছে পাঠায়। আর এই ধরনের জরিমানা উপেক্ষা করলে পরবর্তীতে জরিমানার অঙ্ক আরও বৃদ্ধি পেতে পারে, এমনকী ভবিষ্যৎ বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রেও বড় সমস্যা তৈরি হতে পারে। ওই পোস্টের কমেন্ট সেকশনে একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, 'আমার মনে হয়, এই জরিমানা মকুব করা কোনওভাবেই সম্ভব নয়। উপরন্তু আপনি যেহেতু বিষয়টি সোশ্যাল মিডিয়া 'এক্স'-এ শেয়ার করেছেন, তাই সে দেশের কর্তৃপক্ষ একে একটি উদাহরণ হিসেবে খাড়া করার চেষ্টা করতে পারে।' অন্য এক ব্যবহারকারী পরামর্শ দিয়ে লিখেছেন, 'বিদেশ থেকে জরিমানা মকুবের আবেদন জানালে উল্টো জরিমানার অঙ্ক আরও বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। পরবর্তী সময়ে যাতে শেঞ্জেন ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে ব্ল্যাকলিস্টেড না হতে হয়, তাই যত দ্রুত সম্ভব এটি মিটিয়ে দেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।'

নেটিজেনদের এই সতর্কবার্তার জবাবে ওই মহিলা স্পষ্ট জানান যে তারা জরিমানা ফাঁকি দেওয়ার কথা ভাবছেন না। তিনি লেখেন, 'আমরা অবশ্যই জরিমানা পরিশোধ করব। তবে চিঠিতে উল্লেখ ছিল যে আমরা চাইলে এই জরিমানাকে চ্যালেঞ্জ করতে পারি-আমরা মূলত এই 'লেট ফি' বা বিলম্বিত ফি-টিকে চ্যালেঞ্জ করতে চাই, কারণ আমরা নোটিশটি অনেক দেরিতে পেয়েছি।' এরপর অন্য একজন ব্যবহারকারী নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে লিখেছেন, 'জার্মানি ভ্রমণের পর আমিও একবার ১০ হাজার টাকার একটি জরিমানা পেয়েছিলাম এবং তা পরিশোধও করে দিই। কিন্তু ১ লক্ষ টাকা সত্যিই আকাশছোঁয়া!' অন্যদিকে, আরেকজন নেটিজেন সুইজারল্যান্ডের কঠোর নিয়মের কথা মনে করিয়ে দিয়ে লিখেছেন, 'সুইশ ট্রাফিক জরিমানা অত্যন্ত চড়া হয়। টাকাটা দিয়ে দেওয়াই ভালো, নাহলে ওরা এর ওপর সুদ চাপাতে থাকবে। তবে আপনি চাইলে কিস্তিতে টাকা মেটানোর অনুরোধ করতে পারেন, যাতে অল্প অল্প করে তা শোধ করা যায়। আপনি ভবিষ্যতে আবার সেখানে যাবেন কিনা তা অবশ্য নিশ্চিত নয়।'