Operation Safed Sagar: বৃহস্পতিবার রাতে অমিতকুমার গুপ্ত পরিবারের সঙ্গে ম্যাগনাম গ্লোবাল পার্কে এক রেস্তরাঁয় গিয়েছিলেন। রাত ৮টা নাগাদ পরিবারের সদস্যদের নামিয়ে গাড়ি পার্ক করতে গেলে পার্কিং কর্মীরা তাঁকে ভ্যালেট, বেসমেন্ট ও মাল্টিলেভেল পার্কিংয়ে ঘোরান। পরে গাড়ি পার্ক করতে অস্বীকার করা হয় বলে অভিযোগ।
Operation Safed Sagar: গুরুগ্রামে ম্যাগনাম গ্লোবাল পার্কে পার্কিং নিয়ে বচসার জেরে কার্গিল যুদ্ধের প্রবীণ অবসরপ্রাপ্ত বায়ুসেনা আধিকারিক গ্রুপ ক্যাপ্টেন অমিতকুমার গুপ্তকে রড দিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে এক পার্কিং কর্মীর বিরুদ্ধে। মাথা ও হাতে গুরুতর চোট পেয়েছেন তিনি। এমনকী অমিতকুমার গুপ্তকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।
'অপারেশন সফেদ সাগরের' সৈনিকের ওপর হামলা (সৌজন্যে টুইটার)
১৯৯৯ সালে ভারতীয় বায়ুসেনার ‘অপারেশন সফেদ সাগর’(Operation Safed Sagar)-এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন অমিতকুমার গুপ্ত। বৃহস্পতিবার রাতে পরিবারের সঙ্গে ম্যাগনাম গ্লোবাল পার্কে এক রেস্তরাঁয় গিয়েছিলেন। রাত ৮টা নাগাদ পরিবারের সদস্যদের নামিয়ে গাড়ি পার্ক করতে গেলে পার্কিং কর্মীরা তাঁকে ভ্যালেট, বেসমেন্ট ও মাল্টিলেভেল পার্কিংয়ে ঘোরান। পরে গাড়ি পার্ক করতে অস্বীকার করা হয় বলে অভিযোগ। তাঁর দাবি, গাড়ি পিছনে নেওয়ার সময়ে এক কর্মী উইন্ডশিল্ড ভাঙার চেষ্টা করেন। প্রতিবাদ করতে গাড়ি থেকে নামলে ওই কর্মী রড দিয়ে অমিতকুমার গুপ্তর হাতে ও মাথায় আঘাত করেন। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। এমনকী তাঁকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেছেন প্রাক্তন বায়ুসেনা আধিকারিক।
প্রাক্তন বায়ুসেনা কর্তার আরও অভিযোগ, ঘটনাস্থলে নিরাপত্তাকর্মী ও অন্য পার্কিং কর্মীরা উপস্থিত থাকলেও কেউ তাঁকে সাহায্য করেননি। পুলিশ হেল্পলাইনে ফোন করার পরও প্রায় আধ ঘণ্টা পুলিশ ঘটনাস্থলে আসেনি বলে দাবি তাঁর। পরে এক রাঁধুনি হস্তক্ষেপ করায় প্রাণে বেঁচে যান তিনি। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে অ্যাম্বুল্যান্সে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁর কনুইয়ের হাড় জোড়া দিতে অস্ত্রোপচার করতে হয়। পুলিশি সাহায্য না পাওয়ার পাশাপাশি হাসপাতালের মেডিকো-লিগ্যাল কেস বা এমএলসি রিপোর্ট নিয়েও অভিযোগ তুলেছেন তিনি। তাঁর দাবি, রিপোর্টে মাথা থেকে রক্তপাত এবং কনুইয়ের আঘাতের উল্লেখ নেই। এই ঘটনায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা এবং খুনের চেষ্টার ধারায় মামলা দায়েরের দাবি জানিয়েছেন অমিত গুপ্ত। তবে অভিযুক্তকে এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।