Abhijeet Dipke degree controversy: 'আসুন আমরা দুজনেই...,' PM মোদীকে খোলা চ্যালেঞ্জ অভিজিৎ দীপকের
Abhijeet Dipke degree controversy: এর আগেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন অভিজিৎ দীপকে। তাঁর দাবি, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় অন্য কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের মতো নরেন্দ্র মোদীকে প্রকাশ্যে তাদের প্রাক্তন শিক্ষার্থী হিসেবে তুলে ধরে না।
Abhijeet Dipke degree controversy: নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে (Narendra Modi) সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানালেন ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে (Abhijeet Dipke)। তাঁর বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশ্ন ওঠার পর অভিজিৎ দীপকে দাবি করেছেন, নিজের সব শিক্ষাগত নথি, এমনকী স্কলারশিপ পাওয়ার চিঠিও প্রকাশ করতে তিনি প্রস্তুত। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাগত নথিও প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

অভিজিৎ দীপকের বক্তব্য, শুধু তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েই কেন প্রশ্ন উঠবে? প্রধানমন্ত্রীও নিজের শিক্ষাগত নথি প্রকাশ করুন। দুজনের নথি সামনে এলেই এ বিতর্কের অবসান হতে পারে বলে দাবি করেছেন তিনি। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় দীপকের বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি নিয়ে নানা প্রশ্ন তোলা হয়। এর জবাবে তিনি এক্স হ্যান্ডেলে একটি বার্তা দেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে সরাসরি উল্লেখ করে নিজের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাগত নথি প্রকাশের প্রস্তাব দেন তিনি। দীপকের বক্তব্য, 'আমার ডিগ্রি দেখার জন্য অপেক্ষা করতে করতে মানুষের ধৈর্য হারিয়ে ফেলছে। এটা ভেবে অবাক লাগে, প্রধানমন্ত্রীর ডিগ্রি না দেখে তারা ১২ বছর কীভাবে কাটিয়ে দিয়েছে।'
এরপর তিনি প্রধানমন্ত্রী মোদীকে তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা দেখাতে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলেন, 'আসুন আমরা দুজনেই আমাদের ডিগ্রি দেখাই এবং এর অবসান ঘটাই।' এর আগেও প্রধানমন্ত্রী মোদীর শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন দীপকে। তাঁর দাবি, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় অন্য কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের মতো নরেন্দ্র মোদীকে প্রকাশ্যে তাদের প্রাক্তন শিক্ষার্থী হিসেবে তুলে ধরে না। তবে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে বিতর্ক অবশ্য নতুন নয়। প্রায় এক দশক আগে তৎকালীন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং আম আদমি পার্টির পক্ষ থেকে তথ্য অধিকার আইনে প্রধানমন্ত্রী মোদীর শিক্ষাগত নথি প্রকাশের দাবি জানানো হয়েছিল। তাঁর স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নিয়ে অসঙ্গতির অভিযোগও তোলা হয়েছিল তখন। পরে বিজেপির তৎকালীন সভাপতি অমিত শাহ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অরুণ জেটলি প্রধানমন্ত্রী মোদীর ডিগ্রির অনুলিপি প্রকাশ করেন। বিজেপির দাবি অনুযায়ী, মোদি ১৯৭৮ সালে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক এবং ১৯৮৩ সালে গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
অন্যদিকে প্রবীণ সাংবাদিক বরখা দত্তকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দীপকে বলেন, ‘বস্টন ইউনিভার্সিটি আমাকে স্কলারশিপ দিয়েছিল। বাকি খরচের জন্য আমি শিক্ষাঋণ নিয়েছিলাম। সেই ঋণ এখনও পরিশোধ করছি।’ নিজের বক্তব্যের সমর্থনে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়া স্কলারশিপ সংক্রান্ত নথিও দেখান। নথি অনুযায়ী, তিনি প্রতি সেমেস্টার পিছু ১২,৫০০ মার্কিন ডলার অর্থাৎ মোট ৩৭,৫০০ ডলারের ডিন’স স্কলারশিপ পেয়েছিলেন। গুজরাটের সুরাটের আরটিআই (RTI) কর্মী অমিত তিওয়ারির অভিযোগকে কেন্দ্র করে এই বিতর্কের সূত্রপাত। তিনি দাবি করেন, দীপকের বাবা ভগবানরাও দীপকে মহারাষ্ট্র ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের (MIDC) একজন জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। তাঁর মাসিক বেতন প্রায় ৬০-৬৫ হাজার টাকা হলে, কী ভাবে তিনি ছেলেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে পাঠালেন, তা খতিয়ে দেখা উচিত। এই অভিযোগ জানিয়ে তিনি মহারাষ্ট্র সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং কেন্দ্রীয় জিএসটি কর্তৃপক্ষের কাছেও তদন্তের আবেদন করেছেন।
E-Paper

