Abhijit Dipke Funding: ৩০ হাজারের জুতো, বিদেশযাত্রার খরচ—অভিজিৎ দীপকের ‘ফান্ডিং’ নিয়ে প্রশ্ন, কী জবাব দিলেন CJP নেতা?

সাংবাদিকদের প্রশ্ন ছিল সরাসরি। নির্বাচন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতার দাবি যখন CJP-র অন্যতম প্রধান বক্তব্য, তখন তাঁদের নিজেদের দলের টাকা কোথা থেকে আসছে, তা কি প্রকাশ্যে জানানো হবে? এই প্রশ্নের জবাবে দীপকে পাল্টা প্রশ্ন করেন, দলের অর্থের উৎস জানালে কি দেশের নির্বাচন ব্যবস্থা ঠিক হয়ে যাবে?

Published on: Oct 2, 2026, 07:56:28 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

Abhijit Dipke Funding: মুম্বইয়ের শিবাজি পার্কে শুক্রবারই বড় বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি বা CJP। মূল দাবি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফা। তার আগে বৃহস্পতিবার মুম্বই প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। সেখানেই উঠে এল তাঁর নিজের এবং দলের অর্থের উৎস নিয়ে প্রশ্ন। বিশেষ করে বিদেশ যাওয়া, দেশ জুড়ে ঘোরাঘুরি এবং বড় মাপের আন্দোলনের খরচ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে দীপকের জবাব ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা।

বৃহস্পতিবার মুম্বই প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। (PTI)
বৃহস্পতিবার মুম্বই প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। (PTI)

আরও পড়ুন: ভালো সম্পর্ক, তবু প্রতি বৈঠকেই প্রশ্ন মোদীর! ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে কী বললেন পুতিন

সাংবাদিকদের প্রশ্ন ছিল সরাসরি। নির্বাচন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতার দাবি যখন CJP-র অন্যতম প্রধান বক্তব্য, তখন তাঁদের নিজেদের দলের টাকা কোথা থেকে আসছে, তা কি প্রকাশ্যে জানানো হবে? এই প্রশ্নের জবাবে দীপকে পাল্টা প্রশ্ন করেন, দলের অর্থের উৎস জানালে কি দেশের নির্বাচন ব্যবস্থা ঠিক হয়ে যাবে? তাঁর বক্তব্য, CJP-র যে অর্থ আসছে, তা প্রকাশ্যে আসছে বলেই তিনি দাবি করেন। তাই দলের ফান্ডিংয়ের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তাঁদের অভিযোগের সম্পর্ক নেই বলেই তাঁর মত।

এর পরেই প্রসঙ্গ ওঠে তাঁর ব্যক্তিগত খরচ নিয়ে। সম্প্রতি অভিজিৎ দীপকের পায়ে থাকা জুতো নিয়েও সমাজমাধ্যমে নানা আলোচনা হয়েছিল। সেই প্রসঙ্গে দীপকে বলেন, তিনি প্রায় ৩০ হাজার টাকার জুতো পরেন এবং তা নিয়ে তাঁর কোনও লজ্জা নেই। নিজের সামর্থ্য রয়েছে বলেই তিনি এমন জিনিস ব্যবহার করেন বলে জানান।

শুধু জুতো নয়, তাঁর বিদেশযাত্রা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে আন্দোলন সংগঠিত করা, মুম্বই থেকে দিল্লি যাতায়াত কিংবা আমেরিকা সফরের খরচ কী ভাবে মেটানো হয়, তা নিয়েও নানা প্রশ্ন রয়েছে। দীপকের বক্তব্য, তিনি আমেরিকা গিয়েছেন এবং নিজের সামর্থ্য রয়েছে বলেই সেখানে যেতে পারেন। তাঁর যুক্তি, আমেরিকায় যাওয়ার মতো সামর্থ্য যদি থাকে, তা হলে মুম্বই থেকে দিল্লি যাওয়া তাঁর পক্ষে অসম্ভব কিছু নয়।

এ দিকে CJP-র শুক্রবারের কর্মসূচিকে ঘিরেও জটিলতা তৈরি হয়েছে। মুম্বই পুলিশের তরফে শিবাজি পার্কে বিক্ষোভের অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছে একাধিক সংবাদমাধ্যম। মাঠ ব্যবহারের বিধিনিষেধ, প্রয়োজনীয় অনুমতির ঘাটতি, যানজট এবং শব্দদূষণ নিয়ে পুলিশের আপত্তির কথা সামনে এসেছে। এর পরেই দীপকে ‘জেল ভরো আন্দোলন’-এর ডাক দেন।

CJP জানিয়েছে, জ্ঞানেশ কুমার ইস্তফা না দিলে আন্দোলন শুধু মুম্বইয়ে থামবে না। গোয়া, কর্নাটক, পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরপ্রদেশ, বিহার এবং ঝাড়খণ্ডেও কর্মসূচি করার কথা বলা হয়েছে। অক্টোবরের শেষ দিকে দিল্লির যন্তর মন্তরে বড় আন্দোলনেরও ঘোষণা রয়েছে।

অর্থাৎ নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের পাশাপাশি এখন CJP-র সামনে নতুন প্রশ্ন—এই দীর্ঘ কর্মসূচির অর্থ আসছে কোথা থেকে? সেই প্রশ্নের জবাবে দীপকে অবশ্য কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা সংস্থার নাম প্রকাশ করেননি। বরং নিজের সামর্থ্য এবং প্রকাশ্যে আসা অর্থের কথাই তুলে ধরেছেন। ফলে ফান্ডিং নিয়ে বিতর্ক থামার বদলে আপাতত আরও জোরালোই হল।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More