TMC Lok Sabha Party Split Update: বিদ্রোহী সাংসদদের আবেদনে স্পিকারের তলব অভিষেককে, তখন জেরা চলছিল তৃণমূল সাংসদের

১৫ জুন দুপুরে অভিষেককে একটি ই-মেল পাঠিয়ে বিকেল চারটার মধ্যে সাক্ষাতের জন্য সময় দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই সময় তিনি ইডির জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি ছিলেন। ফলে ফোন বা ই-মেল ব্যবহারের সুযোগ ছিল না। পরে কীর্তি আজাদ স্পিকার অফিসে গিয়ে জানান, এত কম সময়ের নোটিসে অভিষেকের পক্ষে দিল্লিতে উপস্থিত হওয়া সম্ভব নয়।

Published on: Jun 16, 2026, 14:30:07 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে চলা রাজনৈতিক টানাপোড়েন এবার পৌঁছে গিয়েছে স্পিকারের দফতরে। বিক্ষুব্ধ সাংসদদের পৃথক সংসদীয় গোষ্ঠী গঠনের আবেদন ঘিরে রবিবার রাজধানী দিল্লিতে তৈরি হয় চরম নাটকীয় পরিস্থিতি। একদিকে যখন বিদ্রোহী শিবিরের নেত্রী কাকলি ঘোষ দস্তিদার ও তাঁর অনুগামী সাংসদরা বিজেপি নেতা ভূপেন্দ্র যাদব-এর বাসভবনে বৈঠক করছিলেন এবং পরে লোকসভার স্পিকারের সঙ্গে দেখা করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, ঠিক তখনই স্পিকারের সরকারি বাসভবনে হাজির হন তৃণমূলপন্থী সাংসদ সাগরিকা ঘোষ ও কীর্তি আজাদ।

১৫ জুন দুপুরে অভিষেককে একটি ই-মেল পাঠিয়ে বিকেল চারটার মধ্যে সাক্ষাতের জন্য সময় দেওয়া হয়েছিল। (PTI)
১৫ জুন দুপুরে অভিষেককে একটি ই-মেল পাঠিয়ে বিকেল চারটার মধ্যে সাক্ষাতের জন্য সময় দেওয়া হয়েছিল। (PTI)

তাঁরা তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-এর একটি চিঠি স্পিকারের হাতে তুলে দেন। সেই চিঠিতে স্পষ্টভাবে দাবি করা হয়, তৃণমূল কংগ্রেস একটি একক ও অবিভাজ্য রাজনৈতিক দল। লোকসভায় দলের সংসদীয় শাখা মূল দলেরই অংশ এবং আইনের চোখে একটিই তৃণমূল কংগ্রেস, একটিই দলনেতা ও একটিই হুইপ বিদ্যমান। ফলে অন্য কোনও গোষ্ঠী যদি আলাদা স্বীকৃতির দাবি জানায়, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে দলের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য শোনা জরুরি।

সূত্রের খবর, চিঠি পাওয়ার পর বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছে স্পিকার দফতর। জানা গিয়েছে, বিক্ষুব্ধ সাংসদদের আবেদনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে দুই পক্ষকেই আলাদা করে ডেকে তাঁদের বক্তব্য শোনা হবে। ইতিমধ্যেই স্পিকার অফিসের তরফে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছে বলে খবর।

এই আবহে ১৫ জুন দুপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে একটি ই-মেল পাঠিয়ে বিকেল চারটার মধ্যে সাক্ষাতের জন্য সময় দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই সময় তিনি ইডির জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি ছিলেন। ফলে ফোন বা ই-মেল ব্যবহারের সুযোগ ছিল না। পরে কীর্তি আজাদ স্পিকার অফিসে গিয়ে জানান, এত কম সময়ের নোটিসে অভিষেকের পক্ষে দিল্লিতে উপস্থিত হওয়া সম্ভব নয়। পরবর্তী কোনও সুবিধাজনক তারিখে সময় দেওয়ার অনুরোধও জানানো হয়।

অন্যদিকে, কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী শিবির ইতিমধ্যেই স্পষ্ট করে দিয়েছে যে তারা এনসিপিআই-এ যোগ দিতে চলেছে এবং এনডিএকে সমর্থন করবে। ফলে লোকসভায় তৃণমূলের সাংসদ সংখ্যা, দলীয় স্বীকৃতি এবং বিরোধী রাজনীতির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। এখন নজর স্পিকারের সিদ্ধান্তের দিকে। দুই পক্ষের বক্তব্য শোনার পরই এই রাজনৈতিক সংঘাতের সাংসদীয় পরিণতি স্পষ্ট হতে পারে।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More