Protest Update: নিট আন্দোলনের পর এবার সংরক্ষণ নিয়ে কোমর কষছে জেন-জি! দিল্লির Ex পুলিশ কর্মীরাও..
সিজেপির আন্দোলনের পর এবার দিল্লি পুলিশের প্রাক্তন কর্মীরা দিল্লির যন্তর মন্তরে প্রতিবাদে বসতে চলেছেন। প্রতিবাদে থাকবেন দিল্লির প্রাক্তন পুলিশ অফিসাররা।
সদ্য ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন দেখেছে গোটা দেশ। নিট প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে তাদের প্রতিবাদের জেরে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ইস্তফার রাস্তায় হাঁটতে হয় প্রতিবাদীদের দাবি মেনে। এরপরই উঠে যায় সিজেপির জেন জির প্রতিবাদ। এরপর সোশ্যাল মিডিয়ায় সংরক্ষণের বিরোধিতা করে একাধিক পেজ তৈরি হতে দেখা যাচ্ছে। ‘রিজার্ভেশন হটাও আন্দোলন’ (আরএইচএ) তার মধ্যে একটি। আরেকটি অ্যাকাউন্ট পরিচিতি পাচ্ছে ‘রিজার্ভেশন রিমুভাল সঙ্ঘ’ (আরএসএস)। অ্যাকাউন্টের ফলোয়ারের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। ফলত জল্পনা চলছে, তাহলে কি দেশের জেন-জি এবার পরবর্তী আন্দোলন হিসাবে সংরক্ষণ বিরোধিতা নিয়ে সরব হবে?

এদিকে, সিজেপির আন্দোলনের পর এবার দিল্লি পুলিশের প্রাক্তন কর্মীরা দিল্লির যন্তর মন্তরে প্রতিবাদে বসতে চলেছেন। প্রতিবাদে থাকবেন দিল্লির প্রাক্তন পুলিশ অফিসাররা। তবে প্রাক্তন পুলিশ কর্মীদের এই প্রতিবাদ কী নিয়ে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। জানা গিয়েছে, সিজেপির প্রতিবাদের সময় পুলিশ কর্মীদের ওপর মারধরের ঘটনার প্রতিবাদে এবার দিল্লির প্রাক্তন পুলিশ কর্মীদের এই বিক্ষোভ। দিল্লি পুলিশ দাবি করেছে যে, সিজেপি-র বিক্ষোভে কিছু সমাজবিরোধী অনুপ্রবেশ করে পুলিশ কর্মীদের ওপর হামলা চালালে শতাধিক পুলিশ কর্মী আহত হন। অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সংগঠন 'দিল্লি পুলিশ ফেডারেশন' ৩১ জুলাই যন্তর মন্তরে একদিনের বিক্ষোভ কর্মসূচির অনুমতির জন্য দিল্লি পুলিশের কমিশনার অনুরাগ কুমারের কাছে চিঠি দিয়েছে।
এদিকে, সংরক্ষণ নিয়ে যে পেজ তৈরি হয়েছে, সেখানে, ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ‘reservationhataomovement’-এ ১০০টিরও বেশি পোস্ট রয়েছে, এটি কেবল ভারতীয় সেনাবাহিনীর অফিসিয়াল অ্যাকাউন্টকেই অনুসরণ করে এবং নিজেকে নাগরিকদের সমর্থনপুষ্ট একটি আন্দোলন হিসেবে তুলে ধরে। 'রিজার্ভেশন হটাও আন্দোলন' সংস্কারের জন্য একটি রূপরেখাও পেশ করেছে, তাদের যুক্তি হল, জাতি-ভিত্তিক বৈষম্য দূর করাই যদি লক্ষ্য হয়, তবে দৈনন্দিন জনজীবনে জাতিগত পরিচয় চাওয়া বা তা স্বীকৃতি দেওয়া সরকারের বন্ধ করা উচিত। অনলাইনে ‘E20 জনতা পার্টি’ নামে একই ধরনের আরেকটি ব্যঙ্গাত্মক সোশ্যাল মিডিয়া পেজও নজর কাড়ছে, তবে এর প্রতিষ্ঠাতার পরিচয় এখনও অজানা। মনে করা হচ্ছে, কেন্দ্রীয় সরকারের ‘E20’ জ্বালানি,যা ২০ শতাংশ ইথানল ও ৮০ শতাংশ পেট্রোলের মিশ্রণ প্রবর্তনের উদ্যোগকেই এই পেজটি লক্ষ্যবস্তু করেছে। কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক মন্ত্রী নীতিন গড়কড়ি এই উদ্যোগটির জোরালো প্রবক্তা। সেই জায়গা থেকে এই পেজগুলি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


