ইসলামাবাদে ব্লাস্ট নিয়ে ভারতের দিকে আঙুল পাক PMর! দিল্লি বিস্ফোরণ ঘিরে বাংলাদেশের মন্ত্রী তৌহিদ কী বললেন?
দিল্লিতে ব্লাস্টের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইসলামাবাদে বিস্ফোরণ। কী বলছেন পাকিস্তানের PM?
সোমবার সন্ধ্যায় দিল্লি কেঁপে উঠেছিল গাড়ি বিস্ফোরণে। ঠিক তারপরদিনই পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ কেঁপে উঠল কোর্ট চত্বরে আরও এক গাড়ি বিস্ফোরণে। এদিকে, সেই বিস্ফোরণ নিয়ে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আসিফ খোয়াজা আফগানিস্তানের দিকে আঙুল তোলেন। অন্যদিকে, পাকিস্তানেরই প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ আঙুল তোলেন আফগানিস্তান ও ভারতের দিকে। অন্যদিকে, দিল্লিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ নিয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে বাংলাদেশে ইউনুস সরকারের বিদেশ উপদেষ্টা মুখ খোলেন। দেখে নেওয়া যাক কে কী বললেন?

পাকিস্তানে বিস্ফোরণ ও পাক প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য:-
পাকিস্তানে সদ্য ইসলামাবাদে বিস্ফোরণে অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতের সংখ্যা ২৭। ঘটনা ঘিরে শোক প্রকাশ করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। এদিকে, বেশ কিছু রিপোর্ট দাবি করেছে, ইসলামাবাদে বিস্ফোরণের দায় নিয়েছে তেহরিক-এ তালিবান-পাকিস্তান। এটিকে তারা আত্মঘাতী হামলা বলছে। টিটিপির দায় স্বীকারের পরও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বলেন,'ভারতের স্পনসর করা জঙ্গি' দের 'প্রক্সি' (প্রতিনিধিত্ব)। পাকিস্তানের সংবাদ সংস্থা এপিপি জানিয়েছে, সেদেশের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বলেন,' এই হামলাগুলি পাকিস্তানকে অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে ভারতের রাষ্ট্রীয় মদদপুষ্ট সন্ত্রাসবাদের ধারাবাহিকতা।' তবে এর সপক্ষে কোনও যথার্থ প্রমাণ দিতে পারেননি শেহবাজ। এদিকে, পাকিস্তানের ওয়ানাতে এক কলেজে জঙ্গি ঢুকে পড়ার ঘটনাও ঘটে। শেহবাজ তাঁর দেশে চলা পর পর এই ধরনের ঘটনা নিয়ে অভিযোগ তোলেন, আফগান মাটিতে ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক চালানো হচ্ছে। শেহবাজ বলেন,'আফগানিস্তানকে বুঝতে হবে যে, টিটিপি এবং আফগান ভূখণ্ড থেকে পরিচালিত অন্যান্য সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করেই কেবল স্থায়ী শান্তি অর্জন করা সম্ভব।' উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই ডুরান্ড লাইন ঘিরে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানে সশস্ত্র সংঘাত দেখা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই শান্তি আলোচনাও শুরু হয়েছে।
দিল্লি বিস্ফোরণের কথা উঠতেই কী বললেন তৌহিদ?
এদিকে, দিল্লি বিস্ফোরণের সঙ্গে বাংলাদেশের নাম জড়িয়ে কিছু মিডিয়া প্রচার করছে বলে অভিযোগ প্রসঙ্গে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রকের উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেন,' ভারতের গণমাধ্যমের এমন মনগড়া ও দায়সারা প্রতিবেদন দুই দেশের সম্পর্কের জন্য ইতিবাচক নয়।' তিনি সাফ বলেন,'বাংলাদেশ বরাবরই সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে আসছে।' তিনি বলেন,'যাই কিছু ঘটুক না কেন, ভারতের গণমাধ্যম দোষ চাপানোর চেষ্টা করে থাকে। এমন কথা বিশ্বাসের কোনো কারণ নাই। কোনও বিবেকবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ এগুলো বিশ্বাস করবে না।' উল্লেখ্য, দিল্লিতে এই বিস্ফোরণের পর ভারতে অবস্থিত বাংলাদেশের হাইকমিশন গভীর শোক প্রকাশ করে।
E-Paper

