Pakistan on Bangladesh PM post: ৭১র বাংলাদেশে পাক সেনার অত্যাচার নিয়ে তারেকের শক্তিশেলের পর ইসলামাবাদের কণ্ঠে কোন সুর?
১৯৭১ সালে বাংলাদেশে পাকিস্তানি সেনার নারকীয় গণহত্যা নিয়ে তারেক সরব হতেই ইসলামাবাদ ব্যাকফুটে?
বাংলাদেশে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের সেনার নারকীয় অত্যাচার, গণহত্যা নিয়ে বুধবারই সরব হয়েছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিএনপির এই নেতা তথা বাংলাদেশের সদ্য নির্বাচিত হয়ে আসা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর পোস্টে লিখেছিলেন, 'সেই অন্ধকার রাতে, পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী 'অপারেশন সার্চলাইট'-এর নামে বাংলাদেশের নিরস্ত্র জনগণের বিরুদ্ধে ইতিহাসের অন্যতম জঘন্যতম গণহত্যাটি সংঘটিত করেছিল।' এরই সঙ্গে সেই সময়ের ঘটনা, বাংলাদেশের প্রজন্মগুলির জানাটা কতটা দরকার, তা নিয়েও নিজের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে সরব হন বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের সেনার সেই নারকীয় অত্যাচার নিয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্য আসার পরই এবার ইসলামাবাদ বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছে।

ইসলামাবাদের তরফে পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র তাহির আন্দ্রাবি বলেন, 'আমরা বক্তব্যটা দেখেছি। পাকিস্তান মনে করে, ১৯৭১ সালের ঘটনাপ্রবাহ জটিল এবং তা নিয়ে ভিন্ন ধরনের মত পোষণের রাস্তাও খোলা।' এক্ষেত্রে পাকিস্তানের বক্তব্য, ঐতিহাসিক সঠিক তথ্যের ওপর দুই পক্ষের পারস্পরিক সম্মান জানানো উচিত। এরইসঙ্গে তিনি বলেন, 'বাংলাদেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ভ্রাতৃপ্রতীম মানুষের সঙ্গে সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে পাকিস্তান তাকিয়ে রয়েছে। আর তা নির্ভর করছে দুই পক্ষের পারস্পরিক সম্মান ও গঠনমূলক সহযোগিতার উপর।' পাকিস্তান জানিয়েছে, তারা বাংলাদেশের সঙ্গে এমন সম্পর্ক চাইছে, যা মানুষের সঙ্গে মানুষের হবে, অর্থনৈতিক দিক থেকেও যা গুরুত্বপূর্ণ হবে, যা দুই দেশের স্বার্থই রক্ষা করবে।
এর আগে, তারেক রহমান তাঁর পোস্টে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সেনার নারকীয় অত্যাচার নিয়ে লেখেন, ' ২৫শে মার্চের গণহত্যা ছিল একটি পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তৎকালীন রাজনৈতিক নেতৃত্বের দৃশ্যমান ভূমিকা প্রসঙ্গে ঐতিহাসিক গবেষণার মাধ্যমেই এটি প্রমাণিত হয় যে, কেন এই সংগঠিত হত্যাকাণ্ড প্রতিহত করা যায়নি।' এর সঙ্গেই তিনি লেখেন, 'তবে, ২৫শে মার্চ রাতে চট্টগ্রামে ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট 'আমরা বিদ্রোহ করি' ঘোষণা করে গণহত্যার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে সশস্ত্র প্রতিরোধ শুরু করে। গণহত্যার বিরুদ্ধে এই প্রতিরোধের মাধ্যমেই দীর্ঘ নয় মাসব্যাপী সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়েছিল।' বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এরইসঙ্গে লেখেন, 'বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে স্বাধীনতার মূল্য ও তাৎপর্য তুলে ধরতে হলে ২৫শে মার্চের গণহত্যা সম্পর্কেও জানা অপরিহার্য। আসুন আমরা সকলে রাষ্ট্র ও সমাজে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা—সমতা, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার—প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শহীদদের আত্মত্যাগকে সম্মান জানাতে সচেষ্ট হই।'
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


