Pak Army: নাজেহাল করে ছেড়েছে TTP! ড্রোন থেকে বাঁচতে পাকিস্তানের সেনার ভরসা মাছ ধরার জাল, সীমান্তে ‘তৎপর’ মুনির-বাহিনী

আল জাজিরার রিপোর্ট বলছে, নিরাপত্তার চেক পয়েন্ট গুলিকে মাছ ধরার জাল দিয়ে ঢাকতে খরচ পড়ছে ১,৪০০ মার্কিন ডলার, আর সেখানে অ্যান্টি ড্রোন সিস্টেম মোতায়েন করতে গেলে খরচ ৫ হাজার মার্কিন ডলার থেকে ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

Published on: Oct 7, 2026, 16:51:33 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

বেশ কিছুদিন ধরেই পাকিস্তানের সঙ্গে সীমান্ত বিবাদে লিপ্ত তাদের প্রতিবেশী আফগানিস্তান। ডুরান্ড লাইন ঘিরে এই সংঘাতের মাঝেই পাকিস্তানের আফগান সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় ড্রোন হামলার আশঙ্কা বেড়েই চলেছে। সেই ড্রোন হামলা থেকে নিজেদের পোস্ট বাঁচাতে পাকিস্তানি সেনার ভরসা এখন মাছ ধরার জাল!

ড্রোন থেকে বাঁচতে পাকিস্তানি সেনার ভরসা মাছ ধরার জাল! সীমান্তে মুনির-বাহিনী তৎপর. ( প্রতীকী ছবি, Photo by Nelson ALMEIDA / AFP) (AFP)
ড্রোন থেকে বাঁচতে পাকিস্তানি সেনার ভরসা মাছ ধরার জাল! সীমান্তে মুনির-বাহিনী তৎপর. ( প্রতীকী ছবি, Photo by Nelson ALMEIDA / AFP) (AFP)

তেহরিক-এ তালিবান পাকিস্তান বা টিটিপির দিকে বহুদিন ধরেই পাকিস্তান অভিযোগের আঙুল তুলেছে। অভিযোগ, তাদের নিক্ষেপ করা ড্রোন পাকিস্তানের আফগান সীমান্তের খাইবার পাখতুনখোয়া এলাকাকে তপ্ত করেছে। টিটিপির পদক্ষেপের জেরে নাজেহাল পাকিস্তানি সেনা তাই ড্রোন হামলা থেকে নিজেদের আফগানিস্তানের সীমান্ত ঘেঁষা পোস্ট বাঁচাতে মাছ ধরার জাল পোস্টের চারিদিকে টাঙিয়ে রাখছে। এমনই খবর প্রকাশিত হয়েছে আল জাজিরা-র প্রতিবেদনে।

প্রায় তিন মাসের অস্বস্তিকর শান্ত অবস্থার পর সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে লড়াই তীব্রতর হয়েছে । এর নেপথ্যে রয়েছে পাকিস্তানের দীর্ঘদিনের ক্ষোভ কাবুলের বিরুদ্ধে। টিটিপি, যা পাকিস্তানি তালিবান নামেও পরিচিত, তাদেরকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ তুলে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে পাকিস্তান। আফগানিস্তান এই অভিযোগ অস্বীকার করলেও, পাকিস্তান দাবি করেছে যে তাদের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর ধারাবাহিক হামলার পেছনে টিটিপি রয়েছে।

আফগানিস্তান থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে পাকিস্তানের হাঙ্গু জেলা। এপ্রিল মাসে সেখানে একটি পুলিশ পোস্টে বড়সড় হামলা হয়। টিটিপির বন্দুকধারীরা সেখানে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর গুলি চালায় বলে অভিযোগ। তারপর সেখানে আছড়ে পড়ে মুড়িমুড়কর মতো ড্রোন। রিপোর্ট বলছে, ড্রোন রুখতে আর্থিক দুর্দশায় থাকা পাকিস্তান অ্যান্টি ড্রোন সিস্টেম মোতায়েনের বদলে, মাছ ধরার জাল নিয়ে আসে। নিরাপত্তা বাহিনীর পোস্ট গুলির ছাদ থেকে পাঁচিল পর্যন্ত মশারির মতো ওই মাছ ধরার জাল দিয়ে তারা পোস্ট ঢেকে দেয়, যাতে ড্রোন নিজের টার্গেটে পড়ার আগেই আটকে যায়। ধারণাটি তুলনামূলকভাবে সহজ। যদি কোনো ড্রোন জালে ঢুকে যায়, তাহলে এর প্রপেলারগুলো জড়িয়ে যেতে পারে, যার ফলে চেকপয়েন্টে পৌঁছানোর আগেই যানটি থেমে যেতে বা তার চলাচলে ব্যাঘাত ঘটতে পারে। সেখানে আল জাজিরাকে এক পুলিশ কর্তা জানিয়েছেন, ‘যদি কোনও ড্রোন চেকপয়েন্টের ওপর দিয়ে আসে, তাহলে সেটি জালে আটকা পড়ে নিষ্ক্রিয় বা থামানো হতে পারে।’

আল জাজিরার রিপোর্ট বলছে, নিরাপত্তার চেক পয়েন্ট গুলিকে মাছ ধরার জাল দিয়ে ঢাকতে খরচ পড়ছে ১,৪০০ মার্কিন ডলার, আর সেখানে অ্যান্টি ড্রোন সিস্টেম মোতায়েন করতে গেলে খরচ ৫ হাজার মার্কিন ডলার থেকে ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। জানা যাচ্ছে, নিরাপত্তা বাহিনীর পোস্টগুলি, এমন মাছ ধরার জাল দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে পাকিস্তানের ডেরা ইসমাইল, করক, বান্নু, লাক্কি মারওয়াত, কোহাত এলাকায়।

  • Sritama Mitra
    ABOUT THE AUTHOR
    Sritama Mitra

    শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More