Ujjain Clashes: উজ্জয়িনীর উত্তেজনার নেপথ্যে AI ভিডিয়ো! উৎসের খোঁজে পুলিশ, ধৃত ১৫, নজরে ১০০ ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট
পুলিশ প্রশাসন বলছে, বিষয়বস্তুটি সম্পূর্ণ গুজবের উপর ভিত্তি করে তৈরি এবং আক্রমণাত্মক প্রকৃতির ছিল, যারা এই বিষয়বস্তুটি বারবার শেয়ার করেছে, তাদেরও শনাক্ত করেছে পুলিশ।
সদ্য মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়িনীতে এক মসজিদকে ঘিরে উত্তেজনার ছবি দেখা যায়। ঘটনা নিয়ে পুলিশ জানাচ্ছে, এআই দিয়ে তৈরি একটি ভিডিয়ো গোটা ঘটনার কেন্দ্রে রয়েছে। ভিডিয়োতে ভুয়োভাবে দেখানো হয়েছে, মধ্যপ্রদেশের শাহি মসজিদের একাংশ ভাঙা হচ্ছে, যার জেরে গুজব ছড়ায় এবং জামায়েত হয়। সেই জমায়েত ঘিরেই একদল জনতার সঙ্গে পুলিশের সংঘাত হয়। এই গোটা ঘটনার নেপথ্যে কারা রয়েছেন, তাঁদের খোঁজ করছে পুলিশ।

পুলিশ এখন এই কথিত ভুয়ো তথ্যের উৎস ও প্রচার নিয়ে তদন্ত করছে। কর্মকর্তারা সেইসব সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখছেন যেগুলো থেকে প্রথম এই বিষয়বস্তু পোস্ট করা হয়েছিল, পাশাপাশি সেইসব ব্যবহারকারীদেরও, যারা এটি বারবার শেয়ার করেছেন। এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পুলিশের এসপি কুলদীপ শর্মা বলেন, এই ভিডিওগুলোর মধ্যে একটিতে একটি জেসিবি দিয়ে পুরো মসজিদটি ভেঙে ফেলতে দেখা যায়, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ছিল। প্রশাসন বলছে, কর্তৃপক্ষ রাস্তা চওড়া কারর প্রকল্পের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত অংশটুকুই কেবল অপসারণ করার পরিকল্পনা করেছিল , কিন্তু পরবর্তীকালে পৌর প্রশাসনের সাথে একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর পর মুসলিম সম্প্রদায়ের সদস্যরাই নিজেরাই ভাঙার কাজটি সম্পন্ন করেন।
এদিকে, সোমবার সকালে পরিস্থিতি সহিংস রূপ নেয় যখন বিক্ষোভকারীরা মসজিদের কাছে মোতায়েন নিরাপত্তা কর্মীদের লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ে বলে অভিযোগ ওঠে। ভিড় ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও লাঠিচার্জ করে।
এদিকে, সোমবারের ঘটনার জেরেপাঁচটি সোশ্যাল মিডিয়া পেজ বা ইনফ্লুয়েন্সারের বিরুদ্ধে পাঁচটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ প্রশাসন বলছে, বিষয়বস্তুটি সম্পূর্ণ গুজবের উপর ভিত্তি করে তৈরি এবং আক্রমণাত্মক প্রকৃতির ছিল, যারা এই বিষয়বস্তুটি বারবার শেয়ার করেছে, তাদেরও শনাক্ত করেছে পুলিশ। পুলিশি তদন্তের ফলে এ পর্যন্ত ১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ১০০টিরও বেশি ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট সম্পর্কে অভিযোগ জানানো হয়েছে।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


