Air India: উড়ানের আগেই অ্যালকোহল টেস্টে ফেল! দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলট সাসপেন্ড

Air India: এক বিবৃতিতে বিমান সংস্থা জানিয়েছে, নিরাপত্তা, নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিয়ম কিংবা সংস্থার নির্ধারিত প্রোটোকল ভাঙার ক্ষেত্রে তাদের নীতি ‘জিরো টলারেন্স।’

Published on: Sep 25, 2026, 18:43:30 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

Air India: জুরিখ থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমানের উড়ানের ঠিক আগে অ্যালকোহল পরীক্ষায় ব্যর্থ হলেন এক পাইলট। ঘটনাটি ঘটে ৬ সেপ্টেম্বর জুরিখ বিমানবন্দরে। পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়ার পরই ওই ফার্স্ট অফিসারকে বিমান থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়। আপাতত তাঁকে সাসপেন্ড করেছে এয়ার ইন্ডিয়া। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে।

জুরিখ থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলট সাসপেন্ড (REUTERS) (HT_PRINT)
জুরিখ থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলট সাসপেন্ড (REUTERS) (HT_PRINT)

জানা গিয়েছে, সংশ্লিষ্ট পাইলট ছিলেন এয়ার ইন্ডিয়ার একজন ফার্স্ট অফিসার। উড়ানের আগে জুরিখ বিমানবন্দরে তাঁর বিরুদ্ধে মদ্যপানের অভিযোগ ওঠে। এরপর কর্তৃপক্ষ টেস্ট করে। সেই টেস্টে নির্ধারিত সীমার বেশি অ্যালকোহলের উপস্থিতি ধরা পড়ে বলে রিপোর্ট। ঘটনার পর পাইলটকে বিমান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। পরে তাঁকে যাত্রী হিসেবে ভারতে ফেরানো হয়। চূড়ান্ত তবে মেডিক্যাল পরীক্ষার রিপোর্ট এখনও আসেনি। পাশাপাশি, গোটা ঘটনার তদন্তও চলছে। সেই প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত সাসপেনশন বহাল থাকবে বলে জানিয়েছে বিমান সংস্থা।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ওই বিমানটি জুরিখ থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা ছিল। সুইজারল্যান্ডের বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষও বিষয়টি নিয়ে পদক্ষেপ করে এবং ভারতীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিজিসিএ-কে জানানো হয়। ঘটনাটি নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছে এয়ার ইন্ডিয়া। এক বিবৃতিতে বিমান সংস্থা জানিয়েছে, নিরাপত্তা, নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিয়ম কিংবা সংস্থার নির্ধারিত প্রোটোকল ভাঙার ক্ষেত্রে তাদের নীতি ‘জিরো টলারেন্স।’ কোনও অভিযোগ বা নিয়মভঙ্গ নিশ্চিত হলে নিয়ন্ত্রক বিধি এবং সংস্থার নীতি অনুযায়ী কড়া পদক্ষেপ করা হয়। এয়ার ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, উড়ানকর্মীদের মধ্যে নিয়ম মেনে চলা, দায়িত্বশীলতা এবং জবাবদিহির সংস্কৃতি আরও জোরদার করতে নিয়মিত সচেতনতা ও কমপ্লায়েন্স প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। সাইকোঅ্যাক্টিভ পদার্থের পরীক্ষাও বাধ্যতামূলক। নিরাপত্তা সংক্রান্ত নিয়ম ভাঙার ক্ষেত্রে প্রয়োজনে ন্যূনতম নিয়ন্ত্রক শাস্তির চেয়েও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

কয়েকদিনের ব্যবধানে দ্বিতীয় ঘটনা

এই ঘটনার আগে এয়ার ইন্ডিয়ার আরও এক পাইলটকে ঘিরে মাদক পরীক্ষার রিপোর্ট সামনে এসেছিল। ফুকেট থেকে দিল্লিগামী একটি বিমানের পাইলটের নমুনায় মারিজুয়ানার উপস্থিতি ধরা পড়েছিল বলে রিপোর্ট। ৪ আগস্ট ওই বিমানটি ওড়ার সময় আচমকা প্রায় ৩০০ ফুট উচ্চতা হারিয়েছিল। ঘটনায় কয়েকজন যাত্রী ও ক্রু সদস্য আহত হন। ১৩৭ জন যাত্রী ও আটজন ক্রু সদস্য নিয়ে এআই-২৩৭৯ ফ্লাইটটি ওড়িশার উপর দিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ প্রায় ৩০০ ফুট উচ্চতা হারিয়ে ফেলে। এতে ২০ জনেরও বেশি যাত্রী এবং চারজন ক্রু সদস্য আহত হন। এয়ারবাস এ৩২০নিও মডেলের বিমানটি পরে নিরাপদে দিল্লিতে অবতরণ করে। সাসপেন্ড হওয়া পাইলট সুদীপ বশিষ্ঠ জানিয়েছিলেন যে, তিনি ঘুমের সমস্যার কারণে ওষুধ খেয়েছিলেন। তবে দু’বার তাঁর রক্ত পরীক্ষা করা হয়। প্রতিবারই মেলে মারিজুয়ানার উপস্থিতি। এবার আর এক পাইলটের শরীরে অ্যালকোহলের উপস্থিতি প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে আকাশপথের নিরাপত্তা নিয়ে।