Benjamin Netanyahu: শুধু নেতানিয়াহুর অফিসই নয়, আরও এক নিশানায় হানা ইরানের!কোন ক্ষেপণাস্ত্র ধেয়ে গেল ইজরায়েলে?

ঘটনাকে ইরান ‘সারপ্রাইজ হামলা’ বলে উল্লেখ করেছে।

Published on: Mar 02, 2026 4:48 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

ইরান বনাম ইজরায়েল ও আমেরিকার যুদ্ধের মাঝে, এবার তেহরান দাবি করেছে, তারা পর পর মিসাইল হানা চালিয়েছে ইজরায়েলের বুকে। ইরানের আধাসামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস দাবি করেছে, তারা ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর অফিসে হামলা করেছে। ঘটনাকে ইরান ‘সারপ্রাইজ হামলা’ বলে উল্লেখ করেছে।

শুধু নেতানিয়াহুর অফিসই নয়, আরও এক নিশানায় হানা ইরানের
শুধু নেতানিয়াহুর অফিসই নয়, আরও এক নিশানায় হানা ইরানের

ফার্স সংবাদ সংস্থা কর্তৃক প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ইরানের রেভফোলিউশনারি গার্ড কর্পস জানিয়েছে, ‘ইহুদিবাদী সরকারের অপরাধী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং সরকারের বিমান বাহিনীর কমান্ডারের সদর দপ্তর লক্ষ্যবস্তু করা হয়।’ ফলত শুধু নেতানিয়াহুর অফিসই নয়, আরও একটি টার্গেটে হামলা চালিয়েছে ইরান। আর তা হল, ইজরায়েলের বিমান বাহিনীর কমান্ডারের সদর দফতর।

কোন ক্ষেপণাস্ত্র চালাল ইরান?

ইরানের তরফে জানানো হয়েছে খেইবার মিসাইল চালানো হয়েছে এদিনের হামলায়। এই খেইবার মিসাইলকে খোরামশহর মিসাইলও বলা হয়ে থাকে। যেগুলি মিডিয়াম রেঞ্জ ব্যালাস্টিক মিসাইল বলে জানা যায়। এই মিসাইলগুলি খোরামশহর মিসাইলগুলির চতুর্থ প্রজন্ম। এই খোরামশাহর ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ২০০০ কিলোমিটার পাল্লার এবং ১,৫০০ কিলোগ্রাম ওয়ারহেড বহন করতে পারে। খোররামশাহর-৪ এর নামকরণ করা হয়েছে খোররামশাহরের নামে একটি ইরানি শহরের নামে। যে শহর, যা ১৯৮০-এর দশকে ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় তীব্র যুদ্ধের মধ্যে ছিল, যা খোররামশাহরের যুদ্ধ নামে পরিচিত।

সোমবার জেরুজালেমের উপরে ধারাবাহিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে, এএফপির সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ইরান থেকে নতুন করে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করার কথা বলার পর।

এদিকে, ইজরায়েলি প্রতিবেদনগুলি, ইরানের দাবি অস্বীকার করেছে যে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নেতানিয়াহুর কার্যালয় আঘাত হেনেছে, এবং এগুলিকে 'মিথ্যা প্রচারণা' বলে অভিহিত করেছে। সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে ইজরায়েলি বিমান বাহিনী এবং ইজরায়েলি নৌবাহিনী ইরান থেকে ইজরায়েলে ছোড়া কয়েক ডজন ড্রোনকে বাধা দিয়েছে, বলে দাবি ইজরায়েলের। ইরানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সমন্বিত হামলার পর পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পায়, যার ফলে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ তেহরানের বেশিরভাগ শীর্ষ নেতৃত্ব নিহত হন।

(বিস্তারিত আসছে)