Tata Sons Chairman: নাটকীয় মোড়! ফের টাটা সন্সের চেয়ারম্যান চন্দ্রশেখরন, টিকল না নোয়েলের আপত্তি

Tata Sons Chairman: জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার টাটা সন্সের বোর্ডে ভোটাভুটি হয়, তখন বোর্ডের সকল সদস্যরা এন চন্দ্রশেখরনকে টাটা সন্সের এগজেকিউটিভ চেয়ারম্যান পদে পুনরায় নিয়োগের সপক্ষে ভোট দেন। একমাত্র রতন টাটার সৎ ভাই, নোয়েল টাটা তাঁর বিপক্ষে ভোট দেন।

Published on: Sep 17, 2026, 19:19:18 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Tata Sons Chairman: এন চন্দ্রশেখরনকে আরও পাঁচ বছরের জন্য চেয়ারম্যান পদে পুনর্নিয়োগের পক্ষে অনুমোদন দিয়েছে টাটা সন্সের বোর্ড। সংশ্লিষ্ট সূত্রের খবর অনুযায়ী, কয়েক সপ্তাহ আগেই এন চন্দ্রশেখরন জানিয়েছিলেন যে তিনি তৃতীয় মেয়াদে দায়িত্ব পালনে আগ্রহী নন। তবে নিয়ন্ত্রক সংস্থার চাপের মুখে পড়ে শেষ পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত বদলানো হল। সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটের মাধ্যমে এন চন্দ্রশেখরনের নতুন পাঁচ বছরের মেয়াদ অনুমোদিত হয়েছে। যদিও, টাটা ট্রাস্টের চেয়ারম্যান নোয়েল টাটা এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছিলেন বলে সূত্রের দাবি। টাটা সন্সের ৬৬ শতাংশ শেয়ারের মালিক টাটা ট্রাস্ট (Tata Trusts)।

ফের টাটা সন্সের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরন (PTI)
ফের টাটা সন্সের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরন (PTI)

জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার টাটা সন্সের বোর্ডে ভোটাভুটি হয়, তখন বোর্ডের সকল সদস্যরা এন চন্দ্রশেখরনকে টাটা সন্সের এগজেকিউটিভ চেয়ারম্যান পদে পুনরায় নিয়োগের সপক্ষে ভোট দেন। একমাত্র রতন টাটার সৎ ভাই, নোয়েল টাটা তাঁর বিপক্ষে ভোট দেন। বর্তমানে টাটা গ্রুপের দায়িত্বে রয়েছেন নোয়েল টাটা। এন চন্দ্রশেখরনের বর্তমান মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। কিন্তু তার আগেই তিনি গত ১২ অগস্ট ইস্তফার কথা ঘোষণা করেন। জানিয়েছিলেন, ফেব্রুয়ারি মাসে মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর তিনি আর টাটা সন্সের এগজেকিউটিভ চেয়ারম্যান পদে আর থাকবেন না। ইস্তফার কারণও ব্যাখ্য়া করেননি তিনি। তবে সংস্থার অন্দরেই জোর জল্পনা শুরু হয় যে নোয়েল টাটার সঙ্গে বিরোধের কারণেই টাটা সন্সের দায়িত্ব ছাড়তে চাইছেন তিনি।

তবে স্যর দোরাবজি টাটা ট্রাস্ট এবং স্যর রতন টাটা ট্রাস্ট, দু’টিই সর্বসম্মত ভাবে তাঁর মেয়াদ বাড়ানোর সুপারিশ করেছিল। প্রায় ছ’মাস ধরে বিষয়টি ঝুলে থাকায় নেতৃত্বে স্পষ্টতার অভাব তৈরি হচ্ছিল বলেও দাবি করেছিলেন তিনি। বৃহস্পতিবারের বৈঠকে সেই জট কাটিয়ে ফের তাঁকেই দায়িত্বে ফেরানো হল। এই সিদ্ধান্তের ঠিক কয়েক দিন আগেই রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI) টাটা সন্সের কোর ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি (CIC) তকমা প্রত্যাহারের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে। ফলে আপার লেয়ার এনবিএফসি (NBFC) অর্থাৎ, উচ্চ শ্রেণীর নন-ব্যাঙ্কিং ফিন্যানসিয়াল সংস্থা হিসেবে শেয়ার বাজারে বাধ্যতামূলক তালিকাভুক্তির পথে হাঁটতেই হচ্ছে সংস্থাকে। ২০২২ সালে আরবিআই টাটা সন্সকে আপার লেয়ার এনবিএফসি তালিকায় ফেলেছিল। তিন বছরের মধ্যে তালিকাভুক্তির নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। সেই সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও ঋণমুক্ত হওয়ার যুক্তিতে ছাড় চেয়েছিল টাটা সন্স। সেই আর্জি আরবিআই সম্প্রতি খারিজ করে দিয়েছে।

টাটা ট্রাস্টের সঙ্গে টানাপড়েন

বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে টাটা ট্রাস্টস জানায়, এন চন্দ্রশেখরন তাঁর বর্তমান মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ থেকে আর পুনর্নিয়োগের জন্য নিজেকে প্রস্তাব করবেন না বলে যে সিদ্ধান্ত জানিয়েছিলেন, তা যথাযথভাবে গ্রহণ করা হয়েছে এবং সেই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে। টাটা ট্রাস্টসের বিবৃতিতে বলা হয়, গত ১২ আগস্ট চন্দ্রশেখরন টাটা সন্সের পরিচালন পর্ষদকে তাঁর বর্তমান মেয়াদ শেষে পুনর্নিয়োগের জন্য নিজেকে প্রস্তাব না করার সিদ্ধান্তের কথা জানান। ট্রাস্টসের দাবি, এটি ছিল তাঁর স্বাধীনভাবে নেওয়া এবং স্পষ্টভাবে জানানো সিদ্ধান্ত, কোনও পর্যালোচনা প্রক্রিয়ার ফল হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। ট্রাস্টসের দাবি, বৃহস্পতিবারের বৈঠকে চন্দ্রশেখরনকে পুনর্নিয়োগের প্রস্তাবের পক্ষে চারজন পরিচালক ভোট দেন এবং নোয়েল টাটা প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ভোট দেন। টাটা সন্সের 'সংঘবিধি'-এর বিধান অনুযায়ী, এই পরিস্থিতিতে পুনর্নিয়োগের প্রস্তাবটি আইনগতভাবে কার্যকর নয় বলে দাবি করেছে টাটা ট্রাস্টস।