India Pak Track 2 Row: ‘কোনও অফিশিয়াল অংশগ্রহণ নয়’, কলম্বোয় ভারত-পাকিস্তান ট্র্যাক২ বিতর্কে দিল্লি জানিয়ে দিল অবস্থান
ট্র্যাক টু বৈঠক বিতর্কে ভারতের বিদেশমন্ত্রক সাফ জানাচ্ছে, ’আমরা আসলে এই ঘটনাগুলোকে মোটেও গুরুত্ব দিই না। আমাদের কাছে এগুলোর তেমন কোনও মূল্য নেই।'
২০২৫ সালে পহেলগাঁওতে জঙ্গি হামলার পর থেকে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্কে আরও অবনতি হয়। এরপর অপারেশন সিঁদুরে দাপটে পাকিস্তানের একাধিক জঙ্গিঘাঁটি ভারতীয় সেনা গুঁড়িয়ে দেয়, কূটনৈতিকভাবে সিন্ধুর জল নিয়ে পাকিস্তানকে ব্যাকফুটে রাখে দিল্লি। এই পরিস্থিতির মাঝেই সদ্য মিডিয়া রিপোর্টে উঠে আসে কলম্বোয় ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে ট্র্যাক২ আলোচনা বিতর্ক। রিপোর্ট বলছে, ওই বিতর্কিত বৈঠক, ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (আইআইএসএস)-এর সম্মেলনের ফাঁকে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনে ভারত, পাকিস্তান হাজির ছিলেন শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, যুক্তরাজ্য ও অন্যান্য দেশের প্রতিনিধিরা।

আন্তর্জাতিক মঞ্চে যখন দিল্লি-ইসলামাবাদ সংঘাত তুঙ্গে, সদ্য করাচিতে বিস্ফোরণ ঘিরে ভারতের দিকে পাকিস্তান আঙুল তুলতেই তার পাল্টা জবাব দিয়েছে দিল্লি, তখন এক রিপোর্ট দাবি করছে, সম্প্রতি শ্রীলঙ্কার কলম্বোয়, ভারত এবং পাকিস্তানের অবসরপ্রাপ্ত সামরিক এবং কূটনীতিক কর্তাদের বৈঠক হয়। এই ট্র্যাক ২ বৈঠক নিয়ে বিতর্ক ক্রমেই দানা বাঁধছে। সাধারণত বিবাদমান দুটি দেশের মধ্যে বেসরকারি আলোচনাকে ট্র্যাক টু বৈঠক হিসাবে অভিহিত করা হয়। তথ্য বলছে, এই ধরনের বৈঠকে কোনও সরকারি আধিকারিক থাকেন না। এদিকে, কলম্বোর এই ট্র্যাক টু বৈঠক ঘিরে তুঙ্গে জল্পনার পারদ। তারই মাঝে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দিল ভারতের বিদেশমন্ত্রক।
বিদেশমন্ত্রকের সচিব বিক্রম মিশ্রি এই ট্র্যাক টু বৈঠক বিতর্ক নিয়ে বলেন,' আমি প্রতিবেদনগুলো দেখেছি। আমি সেগুলো সম্পর্কে অবগত আছি।' এরই সঙ্গে তিনি বলেন,' বিশ্বজুড়ে নানা বিষয়ে এ ধরনের অসংখ্য আয়োজন বা অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। তাই এসব আয়োজনের মধ্যে নতুন বা বিশেষ কিছু নেই।' দিল্লির সাফ বার্তা, ‘আমাদের মতে, এগুলো ব্যক্তিগত পক্ষ দ্বারা আয়োজিত ব্যক্তিগত অনুষ্ঠান। আমাদের দৃষ্টিতে এর মধ্যে কোনও সরকারি বিষয় নেই। আমি পাকিস্তান সরকারের হয়ে কথা বলতে পারি না, কিন্তু ভারত সরকারের পক্ষ থেকে এই সফরগুলোতে কোনও অফিশিয়াল (আনুষ্ঠানিক) অংশগ্রহণ, অফিশিয়াল সমর্থন বা সম্পৃক্ততা নেই।’ তিনি বলেন, এই বৈঠকে নিজ নিজ ক্ষেত্রে বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নিয়েছেন, যেখানে তাঁরা ‘নিজেই নিজের কথা বলেন এবং নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন। এগুলো কোনোভাবেই ভারত সরকারের দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিনিধিত্ব করে না,এবং কোনওভাবেই তা করতে পারে না।’ ট্র্যাক টু বৈঠক বিতর্কে ভারতের বিদেশমন্ত্রক সাফ জানাচ্ছে, ’আমরা আসলে এই ঘটনাগুলোকে মোটেও গুরুত্ব দিই না। আমাদের কাছে এগুলোর তেমন কোনও মূল্য নেই।'
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


