Toxic work culture: মাত্র ১৫ মিনিট লাঞ্চ ব্রেক, ছুটি নেই! বার্ষিক ১৭ লক্ষ টাকার চাকরি ছাড়লেন IIT স্নাতক

Toxic work culture: এই ঘটনাটি ব্যাপক ভাবে সাড়া ফেলেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। বিশেষ করে এমন এক সময়ে যখন কর্মসংস্কৃতি নিয়ে নানাবিধ আলোচনা হয়ে চলেছে।

Published on: Apr 16, 2026 7:33 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Toxic work culture: বার্ষিক বেতন প্রায় ১৭ লক্ষ টাকা। কিন্তু লোভনীয় সেই বেতন প্রত্যাখ্যান করে ব্যাঙ্কের চাকরি ছাড়লেন দিল্লির ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির (আইআইটি) ২৪ বছরের এক স্নাতক। তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন, কোনও রকম আপস করতে রাজি নন তিনি। ওই কর্মীর সঙ্গে ঘটা ঘটনাটি ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। তার সঙ্গে ফের একবার ‘টক্সিক কাজের সংস্কৃতি’ নিয়ে নতুন করে শুরু হয়েছে বিতর্ক।

বার্ষিক ১৭ লক্ষ টাকার চাকরি ছাড়লেন IIT স্নাতক
বার্ষিক ১৭ লক্ষ টাকার চাকরি ছাড়লেন IIT স্নাতক

জানা গেছে, ওই যুবকের নাম চিরাগ মাদান। তিনি একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কিং সংস্থায় কর্মরত ছিলেন।সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও ক্লিপে তিনি জানান, তাঁর চাকরি ছাড়ার সিদ্ধান্তের মধ্যে কোন হঠকারীতা ছিল না। বরং ক্রমাগত কাজের চাপ এবং কর্মজীবন ও ব্যক্তিজীবনের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার কারণেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এরপরেই চিরাগ প্রকাশ্যে ‘টক্সিক কাজের সংস্কৃতি’ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, অফিসে প্রথমে তাঁর কাজের সময় সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা হওয়ার কথা থাকলেও, পরবর্তীতে তা বেড়ে সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত হয়ে গিয়েছিল। এমনকী সপ্তাহে ৫ দিনের পরিবর্তে টানা ৬ দিন কাজ করতে হতো তাঁকে। শুধু তাই নয়, অসুস্থতার কারণে ছুটি চাইতে হলে অফিসে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করতে হতো তাঁকে।

ভিডিওতে চিরাগ মাদান জানিয়েছেন, কীভাবে অফিস ব্রেকগুলো সামলানো তাঁর পক্ষে কঠিন হয়ে পড়ছিল। কাজের চাপের কারণে অফিসে লাঞ্চ ব্রেক দেওয়া হতো মাত্র ১০ থেকে ১৫ মিনিট। চিরাগ আরও জানান, অফিসে তাঁর মানসিক চাপের বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল টার্গেট পূরণ করা। অফিসের কর্মীদের মাসে প্রায় ১০ কোটি টাকার ডিল সম্পন্ন করার লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হতো। আর টার্গেট পূরণ করতে না পারলে ম্যানেজারদের কাছে হেনস্থার শিকার হতে হতো তাঁদের। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে, এই চাহিদাগুলো কর্মীদের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলতে শুরু করে। এই ঘটনাটি ব্যাপক ভাবে সাড়া ফেলেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। বিশেষ করে এমন এক সময়ে যখন কর্মসংস্কৃতি নিয়ে নানাবিধ আলোচনা হয়ে চলেছে। ঘটনার জেরে প্রযুক্তি ক্ষেত্রে কাজের পরিবেশ নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠেছে। আলোচনা শুরু হয়েছে, বিশেষ করে ব্যক্তিগত সময় ও পেশাগত দায়িত্বের সীমারেখা কোথায় টানা উচিত, তা নিয়েও। এই পোস্ট সামনে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন অনেকে। বেশিরভাগই কর্পোরেট ক্ষেত্রে এই কাজের চাপের সঙ্গে নিজের কাজের তুলনা করেছেন। বিতর্ক থামার কোনও লক্ষণ নেই। বরং এই ঘটনাই যেন কর্মজীবন ও ব্যক্তিজীবনের ভারসাম্য নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিল।