Argentina FIFA World Cup 2026: খোঁচা খেয়ে জাগল আর্জেন্টিনা! ৯ ম্যাচ পরে বিশ্বকাপে গোল নেই মেসির, তাও হল রেকর্ড
Argentina FIFA World Cup 2026: সুইৎজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠে গেল আর্জেন্টিনা। সেমিফাইনালে লিওনেল মেসিদের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড। আর্জেন্টিনা আহামরি না খেলেই সেমিফাইনালে উঠে গিয়েছে।
Argentina FIFA World Cup 2026: খোঁচা না খেলে কি জাগছে না আর্জেন্টিনা? প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে মিশরের পরে কোয়ার্টার ফাইনালে সুইৎজারল্যান্ডের বিরুদ্ধে কার্যত একই অবস্থা হল লিওনেল মেসির দলের। মিশরের বিরুদ্ধে পিছিয়ে থাকলেও সুইসদের বিরুদ্ধে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। কিন্তু সুইসদের সমতা ফেরানোর আগে পর্যন্ত আর্জেন্টিনা যেন আর্জেন্টিনার ছন্দে ছিল না। এমনকী ৮০ মিনিট পর্যন্ত গোলমুখী শটের নিরিখেও এগিয়ে ছিল সুইৎজারল্যান্ড। তবে সুইসরা সমতা ফেরানোর ঠিক পাঁচ মিনিট পরেই ১০ জনে হয়ে যাওয়ায় এবং খোঁচা খেয়ে জেগে ওঠার পরে আর্জেন্টিনা আক্রমণের ঢেউ তোলে। শেষপর্যন্ত এক্সট্রা টাইমের সেকেন্ড হাফে জোড়া গোল করে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠে যায়। জেতে ৩-১ গোলে।
আর্জেন্টিনার গোল, তবে পজেশনে এগিয়ে সুইসরা
তবে কোয়ার্টার ফাইনালের শুরুটা ভালোই করেছিল আর্জেন্টিনা। ১০ মিনিটেই মেসির কর্নার থেকে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের গোলে এগিয়ে যায় বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। আর প্রথমার্ধে সেটাই ছিল একমাত্র গোলমুখী ‘অ্যাকশন’। মিশর এবং কাবো ভার্দের ধাঁচে সুইৎজারল্যান্ড গুটিয়ে না থেকে আক্রমণে উঠে এলেও লিওনেল স্কালোনির সংগঠিত ডিফেন্সে এসে আটকেচ্ছিল। ফলে নিজেদের দখলে বল বেশি রেখেও গোলের দরজা খুলতে পারেননি সুইসরা। এমিলিয়ানো মার্টিনেজকে কার্যত কোনও পরীক্ষার মুখেই পড়তে হয়নি।
সুইসদের গোল, ৫ মিনিট পরেই লাল কার্ড
সেই অর্থে কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম ভালো সেভটা ৬৬ মিনিটে করেন আর্জেন্টিনার গোলকিপার। এক মিনিট পরেই সুইৎজারল্যান্ডকে সমতায় ফেরান ড্যান এনডয়ে। কিন্তু গোলের সেই রেশ ধরে রাখার আগেই ৭২ মিনিটে লাল কার্ড দেখেন ব্রেল এমবোলো। প্রাথমিকভাবে লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। কিন্তু ভারে দেখা যায় যে সুইস ফরোয়ার্ড ডাইভ মেরেছেন। দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে চোখের জলে মাঠ ছাড়েন।
আরও পড়ুন: FIFA World Cup 2026: এমবাপেকে আপত্তিকর ভাষায় তোপ প্যারাগুয়ের সেনেটরের, বিতর্ক তুঙ্গে
আর তার ফলে বাকি সময়টা ১০ জনকে আর্জেন্টিনার ঢেউ সামলাতে হয় সুইসদের। তা সত্ত্বেও প্রায় ৪০ মিনিটের মতো মেসিদের রুখে দেন। শেষপর্যন্ত ১১২ মিনিটে আর্জেন্টিনার হয়ে গোল করেন জুলিয়ান আলভারেজ। যা নিঃসন্দেহে এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা গোল হয়ে থাকল। নয় মিনিট পরেই আর্জেন্টিনার সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে দেন লাউতারো মার্টিনেজ।
গোল না করেও রেকর্ড মেসির
তারইমধ্যে টানা নয় ম্যাচ পরে বিশ্বকাপে গোল পেলেন না মেসি। তাও অবশ্য রেকর্ড গড়া থেকে তাঁকে কেউ আটকাতে পারল না। প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপে ১০টি অ্যাসিস্টের নজির গড়েছেন।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


