Attack on Bangladeshi Hindu Temples: বাংলাদেশের সিলেটে মন্দিরে অগ্নিসংযোগ, রংপুরে ভাঙা হল শ্মশানকালীর প্রতিমা

কোথাও মন্দির প্রাঙ্গন থেকে গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তো কোথাও মন্দিরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আবর কোথাও মন্দির এবং প্রতিমা ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। ভোটের ফলাফল বের হতে না হতেই এই সব ঘটনা ঘটেছে বাংলাদেশে।

Published on: Feb 16, 2026 12:39 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

নির্বাচনে জয়ের পরে বাংলাদেশি হিন্দুদের নিরাপত্তা নিয়ে অভয় দিয়েছিলেন বহু বিএনপি নেতা। তবে হিন্দুদের বিভিন্ন মন্দিরে এরই মধ্যে ভাঙচুর চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠল। কোথাও মন্দির প্রাঙ্গন থেকে গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তো কোথাও মন্দিরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আবর কোথাও মন্দির এবং প্রতিমা ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। ভোটের ফলাফল বের হতে না হতেই এই সব ঘটনা ঘটেছে বাংলাদেশে।

বাংলাদেশ জুড়ে বেশ কিছু হিন্দু মন্দিরে হামলার ঘটনা ঘটেছে সম্প্রতি।
বাংলাদেশ জুড়ে বেশ কিছু হিন্দু মন্দিরে হামলার ঘটনা ঘটেছে সম্প্রতি।

রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশ জুড়ে বেশ কিছু হিন্দু মন্দিরে হামলার ঘটনা ঘটেছে সম্প্রতি। রংপুরের পীরগঞ্জে হিন্দু পাড়ায় ঢুকে কালী মন্দিরের গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এদিকে সিলেট তারাপুর মন্দিরে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠে এসেছে। রংপুরের নীলফামারী জেলার ৩ নং খোকশাবাড়ি সাবুল্লীপাড়ার শ্মশানের কালী প্রতিমা ও মন্দির ভাঙচুরের অভিযোগও সামনে এসেছে। প্রতিমাটি ভেঙে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল সেখানে। পরে স্থানীয়রা গিয়ে সেখানে প্রতিমাটি মাটি থেকে তোলেন। পুলিশে খবর দেওয়া হয়।

এছাড়াও বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর একের পর এক হামলার ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি সুনামগঞ্জে জয় মহাপাত্র, নওগাঁয় মিঠুন সরকার, ফেনিতে সমীর কুমার দাসরা প্রাণ হারিয়েছেন। এসব হামলায় নিহতরা তাঁদের ধর্মীয় পরিচয়ের কারণেই প্রাণ হারিয়েছেন বলে অভিযোগ। এর আগে ২৩ জানুয়ারি চঞ্চল চন্দ্র ভৌমিককে দোকানে বন্ধ করে রেখে জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হয়েছিল। এর আগে বাংলাদেশে ২ জানুয়ারি থেকে এখনও পর্যন্ত প্রায় ১০ জন হিন্দুকে খুন করা হয়েছে। ১২ জানুয়ারি ফেনিতে সমীরকুমার দাস নামে ২৮ বছরের অটোচালককে খুন করা হয়। ১০ জানুয়ারি সিলেটে খুন হন জয় মহাপাত্র। এর আগে মিঠুন সরকার তাড়া খেয়ে পালাতে গিয়ে প্রাণ হারিয়ছিলেন বিলে ঝাঁপ দিয়ে। তার আগে গত ৫ জানুয়ারি ২ জন হিন্দুকে খুন করা হয়েছিল বাংলাদেশে। ঢাকার পার্শ্ববর্তী নর‌সিংদী‌তে খুন করা হয় এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে। মৃতের নাম শরৎ চক্রবর্তী ম‌ণি। তার আগে ৫ জানুয়ারি যশোরে গুলি করে খুন করা হয় হিন্দু ব্যবসায়ী তথা সাংবাদিক রানাপ্রতাপ বৈরাগীকে। এছাড়া গত ২ জানুয়ারি খুন হয়েছিলেন সত্য রঞ্জন দাস। ৩ জানুয়ারি খুন হন মিলন দাস এবং সনু দাস। গত ৩১ ডিসেম্বরে হামলার শিকার খোকন চন্দ্র দাসেরও মৃত্যু হয় ৩ জানুয়ারি। ৪ জানুয়ারি খুন হন শুভ পোদ্দার। এর আগে ডিসেম্বরে দীপু চন্দ্র দাস এবং অমৃত মণ্ডলের খুনের ঘটনা সামনে এসেছিল সেই দেশে।