Awami League Latest Update: তারেক জমানায় আওয়ামী লীগ নিয়ে কী সিদ্ধান্ত পুলিশের? সামনে এল নয়া আপডেট
অনেকেই মনে করেছিল, ইউনুস জমানায় আওয়ামী লীগকে যেভাবে দমিয়ে রাখা হয়েছিল, বিএনপি আমলে তেমনটা হবে না। তবে আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা এখনও প্রত্যাহার করা হয়নি। এই আবহে বাংলাদেশের পুলিশ সিদ্ধান্ত নিল, আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিএনপি ক্ষমতায় আসতেই বাংলাদেশে জায়গায় জায়গায় আওয়ামী লীগের অফিস খোলা হচ্ছে। ক্রমে সক্রিয় হচ্ছে আওয়ামী কর্মীরা। তবে এরই মাঝে আওয়ামী লীগ কর্মীদেরও জায়গায় জায়গায় গ্রেফতার করা হচ্ছে। এই অবস্থায় আওয়ামী লীগ নিয়ে বর্তমান সরকারের অবস্থান স্পষ্ট নয়। অনেকেই মনে করেছিল, ইউনুস জমানায় আওয়ামী লীগকে যেভাবে দমিয়ে রাখা হয়েছিল, বিএনপি আমলে তেমনটা হবে না। তবে আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা এখনও প্রত্যাহার করা হয়নি। এই আবহে বাংলাদেশের পুলিশ সিদ্ধান্ত নিল, আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ের তরফ থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, আওয়ামী লীগের কর্মীরা যদি দলীয় কার্যক্রমে সক্রিয় হয়, তাহলে তাদের গ্রেফতার করতে হবে। উল্লেখ্য, নির্যাতনের পর থেকেই বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় দলীয় দফতর পুনরায় খুলতে শুরু করেছে আওয়ামী লীগ। এই বিষয়ে সম্প্রতি বিএনপি-র অবস্থান স্পষ্ট করেন দলের মহাসচিব তথা বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তাঁর কথায়, 'আইনগত ভাবে বলা আছে যে, তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ। তাই সেভাবেই বিষয়টিকে দেখা হবে।' উল্লেখ্য, এর আগে ইউনুস জমানাতে বিভিন্ন সময় ঝটিকা মিছিল করতে দেখা গিয়েছিল আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকদের। তবে জায়গায় জায়গায় বিএনপি নেতাকর্মীরাই আওয়ামী লীগের অফিসের তালা খুলে দিয়েছেন। আবার অনেক জায়গায় আওয়ামী লীগের অফিসে নতুন করে হামলা হয়েছে।
এরই মাঝে গত ২২ ফেব্রুয়ারি নাকি পুলিশের একটি ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেখানেই বলা হয়, আওয়ামী লীগ যেহেতু এখনও নিষিদ্ধ রয়েছে, তাই তাদের রাজনৈতিক কোনও কার্যক্রমের অনুমতি দেওয়া যাবে না। এরই মাঝে রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মহম্মদ শাহাজানের জারি করা একটি নির্দেশিকা প্রকাশ্যে এসেছে, যা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সেই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, যে সব ধৃত আওয়ামী লীগ কর্মীরা রাজনৈতিক ভাবে সক্রিয়, তাঁরা একটি মামলায় জামিন পেলে যেন অন্য মামলায় তাঁদের গ্রেফতার দেখানো হয়। তবে যে সকল ধৃত আওয়ামী লীগ কর্মীরা রাজনৈতিক ভাবে সক্রিয় নয়, তাঁরা জামিন পেলে অন্য কোনও মামলায় গ্রেফতার দেখানোর প্রয়োজন নেই। এহেন নির্দেশিকা নিয়ে অবশ্য বাংলাদেশের পুলিশের শীর্ষ কর্তারা মুখ খুলতে চাননি। বাংলাদেশ পুলিশের সদর দফতরের আইজিপি (প্রশাসন)-কে এই নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, উল্লেখিত নির্দেশিকা নিয়ে সংশ্লিষ্ট পুলিশকর্তাই বলতে পারবেন। সঙ্গে তিনি আবার বলেন, 'নিষিদ্ধ থাকায় আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীদের কোনও কর্মসূচির অনুমতি নেই। কেই সেটা করলে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।'
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


