Awkward Moment during AI Summit: মোদীর মঞ্চে 'এআই কোল্ড ওয়ার', সম্মেলনে অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে ২ সিইও
ভিডিয়োতে দেখা যায়, মোদীর পাশে দাঁড়ানো স্যাম অল্টম্যান ডান হাত দিয়ে মোদীর হাত ধরেন এবং তাঁর বাঁদিকে দাঁড়িয়েছিলেন দারিও। তবে দারিও তাঁর হাত ধরেননি। কিছুক্ষণ এদিক ওদিক তাকিয়ে স্যাম নিজের বাঁ হাত তুলে ধরে মুঠো করেন। অপরদিকে দারিও তাঁর ডান হাত উঁচু করে মুঠো করেন।
ভারতের এআই সম্মেলনে অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়তে দেখা গেল ওপেনএআই সিইও স্যাম অল্টম্যান এবং অ্যানথ্রপিকের সিইও দারিও আমোদেইকে। আজকের সম্মেলনে বিশ্বের তাবড় প্রযুক্তি সংস্থার প্রধানরা মোদীর সঙ্গে মঞ্চে উঠেছিলেন। তখন একে অপরের হাত ধরে সবাই তা উঁচু করেন। সেই সময় পাশাপাশি দাঁড়িয়ে থাকা স্যাম এবং দারিও হাত তুললেও একে অপরের হাত ধরেননি। সেই ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই চর্চা শুরু হয়েছে। উল্লেখ্য, ওপেনএআই এবং অ্যানথ্রপিকের মধ্যে এআই দৌড়ে রেষারেষি চলছে। এই আবহে দুই এআই সংস্থার সিইও-র এই ঘটনা যেন এআই ঠান্ডা লড়াই।

ভিডিয়োতে দেখা যায়, মোদীর পাশে দাঁড়ানো স্যাম অল্টম্যান ডান হাত দিয়ে মোদীর হাত ধরেন এবং তাঁর বাঁদিকে দাঁড়িয়েছিলেন দারিও। তবে দারিও তাঁর হাত ধরেননি। কিছুক্ষণ এদিক ওদিক তাকিয়ে স্যাম নিজের বাঁ হাত তুলে ধরে মুঠো করেন। অপরদিকে দারিও তাঁর ডান হাত উঁচু করে মুঠো করেন। দারিও অবশ্য নিজের বাঁদিকে থাকা ব্যক্তির হাত ধরে হাত উঁচু করেন।
এদিকে আজকে এআই সম্মেলনে 'সর্বজন সুখায়, সর্বজন হিতায়' বার্তা দিয়ে ভারতের 'মানব ফ্রেমওয়ার্কের' দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রী মোদী আজ বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে ভবিষ্যতে কী হবে তা প্রশ্ন নয়। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল আমরা বর্তমানে এর মাধ্যমে কী করি। তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা একটি রূপান্তরকারী শক্তি। যদি এটি দিকহীন হয়, তবে তা ধ্বংস হয়ে যাবে এবং যদি এটি সঠিক দিকে এগোয় তবে পরিবর্তন আসবে। আমাদের বুঝতে হবে কীভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে দায়িত্বশীল করে তোলা যায়। এটিই আন্তর্জাতিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শীর্ষ সম্মেলনের উদ্দেশ্য এবং এবারের থিম। আমাদের মন্ত্র হল 'সর্বজন সুখায় এবং সর্বজন হিতায়'। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে সবার জন্য গণতান্ত্রিক করতে হবে। মানুষের ক্ষমতায়নের জন্য এটা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে এবং তার জন্য প্রযুক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও মোদী বলেন, আমরা যদি জিপিএসের কথা বলি, তাহলে তা আমাদের পথ দেখায়, কিন্তু আমাদের কোন দিকে যেতে হবে? এই ব্যাপারে আমাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আজ আমরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে যে দিকে নিয়ে যাব, তা আমাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে। তাই আমি এআই-এর জন্য মানব দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করছি। এই দৃষ্টিভঙ্গি বলছে যে নৈতিক দিকনির্দেশনার উপর ভিত্তি করে হওয়া উচিত এআই। এছাড়া জাতির সার্বভৌমত্বের যত্ন নিতে হবে। এর অর্থ হল যার কাছে ডেটা রয়েছে তাদেরই সেটার ওপর অধিকার থাকা উচিত। তবে এটা একচেটিয়া নয়। এছাড়া বৈধ নিয়ম অনুযায়ী হতে হবে এটাকে। প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন যে ভারতের এই মানব দৃষ্টিভঙ্গি ২১ শতকের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-ভিত্তিক বিশ্বে মানব কল্যাণের ভিত্তি হয়ে উঠবে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


