Baaz Battalion in Indian Army: পাকিস্তান,চিনের বুকে কাঁপুনি ধরাতে ভারতীয় সেনায় ‘বাজ ব্যাটালিয়ান’!যুদ্ধকৌশলে নয়া পর্ব
Indian army Latest news: ড্রোনকে শুধুমাত্র নজরদারিতে কাজে লাগানোর পাশাপাশি, তা দিয়ে গোয়েন্দা তথ্য হাতে পাওয়া, নির্দিষ্ট জায়গায় হামলা ও মানবহীন হামলায় যুদ্ধের অঙ্গ বানিয়ে তুলতেই ভারতীয় সেনা এই নয়া ইউনিট আনছে।
সময় যত এগিয়েছে, যুদ্ধকৌশলে তত রদবদল এসেছে। যুগের সঙ্গে পাল্টেছে যুদ্ধের ঘরানা। প্রযুক্তির যুগে একাধিক অস্ত্র যোগ দিয়েছে ভারতের অস্ত্র ভাণ্ডারে। এবার ভারতীয় সেনার শক্তিবল বাড়িয়ে তুলতে আসছে ‘বাজ ব্যাটালিয়ান’। চিন, পাকিস্তানের সঙ্গে অতীতে বহুবাপই সীমান্ত সংঘাত দেখা গিয়েছে ভারতের। সেই জায়গা থেকে প্রতিরক্ষাকে আরও শক্তিশালী করতে ভারতীয় সেনার অংশ হতে চলেছে এই নয়া ব্যাটালিয়ান।

রণাঙ্গনে আকাশপথে মানবহীন অপারেশন এই মুহূর্তে বেশ আলোচ্য বিষয়। অপারেশন সিঁদুরের সময়ও দেখা গিয়েছে, ভারতীয় সেনার ড্রোন কীভাবে দেশের প্রতিরক্ষার ঢাল হয়েছিল। এবার সেই ড্রোনকে কেন্দ্র করেই তৈরি হচ্ছে ভারতীয় সেনার বাজ ব্যাটালিয়ান। ‘বাজ ব্যাটালিয়ন’কে বিশেষায়িত ও স্বতন্ত্র ইউনিট হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে, যা সম্পূর্ণভাবে চালকবিহীন আকাশযান-ভিত্তিক কার্যক্রমের (আনম্যানড এরিয়াল অপারেশন) ওপর কাজ করবে। নতুন ‘বাজ ব্যাটালিয়ন’ হবে বিশেষায়িত ড্রোন যুদ্ধ ইউনিট, যা চালকবিহীন আকাশযানের (ইউএভি) কার্যক্রমের সম্পূর্ণ পরিসর জুড়ে অভিযান পরিচালনায় সক্ষম হবে।
সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের মতে, এই ব্যাটালিয়নগুলো নিরবচ্ছিন্ন গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্য সংগ্রহ (ISR), দূরপাল্লার আকাশ-নজরদারি, নিখুঁত লক্ষ্যভেদী ড্রোন হামলা, ‘লোইটারিং মিউনিশন’ পরিচালনা, আর্টিলারি ও মিসাইল ইউনিটের সাথে সমন্বয়ের কাজ করবে। এছাড়াও ইলেকট্রনিক যুদ্ধ কৌশল ও কাউন্টার ড্রোন হামলার কাজও করবে এরা। কোনও আক্রমণাত্মক ও রক্ষণাত্মক অভিযানের সময় পদাতিক বাহিনীকে সহায়তা প্রদানের জন্য এই বাজ-বাহিনী কাজ করবে। আনম্যানড এরিয়াল সিস্টেমের একাধিক ঘরানায় এই বাজ বাহিনী এক একটি ইউনিট হিসাবে কাজ করবে।
ভারতীয় সেনার অশিনী বাহিনী যুদ্ধক্ষেত্রে এর আগে ড্রোন নিয়ে অপারেশন চালিয়েছে। অন্যদিকে, ‘বাজ ব্যাটালিয়ন’ হল অনেক বড় ও স্বতন্ত্র এক বাহিনী, যা সম্পূর্ণরূপে ড্রোন যুদ্ধের জন্য নিবেদিত। ড্রোনকে শুধুমাত্র নজরদারিতে কাজে লাগানোর পাশাপাশি, তা দিয়ে গোয়েন্দা তথ্য হাতে পাওয়া, নির্দিষ্ট জায়গায় হামলা ও মানবহীন হামলায় যুদ্ধের অঙ্গ বানিয়ে তুলতেই ভারতীয় সেনা এই নয়া ইউনিট আনছে।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


