Babar Azam Phone Throwing Controversy: সেলফির আবদারে মাঠে মেজাজ হারিয়ে সমর্থকের ফোন ছুড়ে ফেললেন বাবর আজম
ঘটনাটি ঘটেছে ইসলামাবাদের ডায়মন্ড ক্রিকেট গ্রাউন্ডে। প্রেসিডেন্টস ট্রফি গ্রেড ওয়ানের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল অয়েল অ্যান্ড গ্যাস ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড এবং স্টেট ব্যাঙ্ক অব পাকিস্তান। ওজিডিসিএলের হয়ে খেলছেন বাবর। ম্যাচ চলাকালীন কয়েক জন দর্শক আচমকাই মাঠে ঢুকে তাঁর কাছে পৌঁছে যান।
ক্রিকেট মাঠে তারকাদের ঘিরে সমর্থকদের উন্মাদনা নতুন কিছু নয়। কিন্তু সেই উন্মাদনাই এ বার অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করল পাকিস্তানের তারকা ব্যাটার বাবর আজমের জন্য। ঘরের মাঠে চলা প্রেসিডেন্টস ট্রফির একটি ম্যাচে একাধিক সমর্থক নিরাপত্তা বেষ্টনী পেরিয়ে মাঠে ঢুকে পড়েন। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল বাবরের সঙ্গে ছবি তোলা। পরিস্থিতি সামলাতে গিয়ে মেজাজ হারাতে দেখা যায় পাকিস্তানের ক্রিকেটারকে। এক সমর্থকের হাত থেকে মোবাইল ফোন নিয়ে সেটি দূরে ছুড়ে ফেলেন বাবর। ঘটনাটির ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়তেই তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে ইসলামাবাদের ডায়মন্ড ক্রিকেট গ্রাউন্ডে। প্রেসিডেন্টস ট্রফি গ্রেড ওয়ানের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল অয়েল অ্যান্ড গ্যাস ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড এবং স্টেট ব্যাঙ্ক অব পাকিস্তান। ওজিডিসিএলের হয়ে খেলছেন বাবর। ম্যাচ চলাকালীন কয়েক জন দর্শক আচমকাই মাঠে ঢুকে তাঁর কাছে পৌঁছে যান। প্রত্যক্ষদর্শীদের প্রকাশিত ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, এক জন সমর্থক হাতে ফোন নিয়ে বাবরের দিকে এগিয়ে আসেন। বাবর তাঁকে দূরে সরিয়ে দেন। এর পর আরও এক সমর্থক কাছে আসায় তাঁর ফোনটি নিয়ে দূরে ছুড়ে দেন তিনি। তারপর হাত নেড়ে মাঠে ঢুকে পড়া সবাইকে সরে যেতে বলেন।
সমর্থকদের এমন মাঠে ঢুকে পড়ার ঘটনা অবশ্য বাবরের ক্ষেত্রে এই প্রথম নয়। চলতি প্রতিযোগিতায় এর আগেও তাঁকে ঘিরে একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। কয়েক দিন আগে অ্যাবটাবাদ স্টেডিয়ামেও এক সমর্থক নিরাপত্তা ভেঙে বাবরের কাছে পৌঁছে যান। পরে নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁকে মাঠ থেকে সরিয়ে দেন। সেই ঘটনার পরও মাঠে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল।
এ বারের ঘটনাটি ঘটেছে আরও এক অস্বস্তিকর সময়ের মধ্যে। দীর্ঘ সাত বছর পর ঘরোয়া ক্রিকেটে ফিরে এখনও ব্যাট হাতে নিজের সেরা ছন্দ খুঁজছেন বাবর। ওজিডিসিএলের হয়ে আগের ম্যাচে দুই ইনিংসে তাঁর রান ছিল ১২ এবং ৪। তার পর নতুন ম্যাচের প্রথম ইনিংসেও বড় রান করতে পারেননি। ৩৯ বলে মাত্র ২১ রান করে আউট হন তিনি। একটি স্বল্প দৈর্ঘ্যের বলে পুল করতে গিয়ে মিড উইকেটে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন পাকিস্তানের এই ব্যাটার।
অর্থাৎ এক দিকে ব্যাট হাতে রান না পাওয়ার চাপ, অন্য দিকে মাঠে বার বার সমর্থকদের ঢুকে পড়া। সব মিলিয়ে বাবরের জন্য পরিস্থিতি খুব একটা স্বস্তির নয়। যদিও সমর্থকদের আবেগ কতটা সীমা ছাড়াতে পারে, সেই প্রশ্নও ফের সামনে এসেছে। খেলোয়াড়ের কাছে পৌঁছতে গিয়ে নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেঙে মাঠে ঢুকে পড়া যে কোনও মুহূর্তে বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। এই ঘটনার পর মাঠের নিরাপত্তা আরও কড়া করা হয়েছে বলে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।
বাবরের আচরণ নিয়েও অবশ্য সামাজিক মাধ্যমে মতভেদ দেখা দিয়েছে। কেউ তাঁর প্রতিক্রিয়াকে সমর্থন করেছেন, কেউ আবার মনে করছেন ফোন ছুড়ে ফেলা ঠিক হয়নি। পাশাপাশি অনেকের প্রশ্ন, দর্শকরা কী ভাবে বার বার মাঠে ঢুকে পড়ছেন। ফলে শুধু বাবরের আচরণ নয়, গোটা নিরাপত্তা ব্যবস্থাই এখন আলোচনায়।
ঘটনার ভিডিয়ো ভাইরাল হওয়ার পর নতুন করে চর্চায় পাকিস্তানের তারকা। সাত বছর পর ঘরোয়া ক্রিকেটে ফেরার পর এমনিতেই বাবরের ব্যাটিং ঘিরে নজর ছিল। তার সঙ্গে এ বার যোগ হল মাঠের এই বিতর্কিত ঘটনা। আগামী ম্যাচগুলিতে ব্যাট হাতে তিনি কী ভাবে জবাব দেন, তার পাশাপাশি মাঠে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা কড়া হয়, সেটিও এখন দেখার।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


