Bangla Pokkho Demand: 'ICSE, CBSE-সহ রাজ্যের সব স্কুলে দশম শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা ভাষা বাধ্যতামূলক হোক'

পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে সব বোর্ডের সব মাধ‍্যমের স্কুলে একটি আবশ‍্যিক বিষয় হিসেবে বাংলাকে বাধ‍্যতামূলক করার দাবিতে শিক্ষা দফতরে ডেপুটেশন দিল বাংলা পক্ষ। দ্রুত বাংলা বাধ‍্যতামূলকের দাবিতেই আজ ডেপুটেশন দিয়েছে ওই সংগঠনের চার সদস্যের প্রতিনিধি দল।

Published on: Feb 18, 2026, 23:34:59 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে সব বোর্ডের সব মাধ‍্যমের স্কুলে একটি আবশ‍্যিক বিষয় হিসেবে বাংলাকে বাধ‍্যতামূলক করার দাবিতে শিক্ষা দফতরে ডেপুটেশন দিল বাংলা পক্ষ। দ্রুত বাংলা বাধ‍্যতামূলকের দাবিতেই আজ ডেপুটেশন দিয়েছে ওই সংগঠনের চার সদস্যের প্রতিনিধি দল। যে প্রতিনিধি দলে ছিলেন বাংলা পক্ষের সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি, প্রীতি মিত্র, অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সুদীপ্ত দাস। স্কুল শিক্ষা দফতরের অধিকর্তার হাতে ডেপুটেশন তুলে দেন।

সমস্ত স্কুলে বাংলা ভাষা বাধ্যতামূলক চাই - দাবি বাংলা পক্ষের।
সমস্ত স্কুলে বাংলা ভাষা বাধ্যতামূলক চাই - দাবি বাংলা পক্ষের।

'বাংলা পড়ানো বাধ‍্যতামূলক করতেই হবে'

সেই ডেপুটেশনের প্রসঙ্গে বাংলা পক্ষের সাংগঠনিক সম্পাদক বলেন, ‘২১ ফেব্রুয়ারির প্রাক্কালে ভাষা অধিকার সপ্তাহ পালন করছে বাংলা পক্ষ। গতকাল PSC ভবনের পর আজ বিকাশ ভবনে ডেপুটেশন দিলাম। আমরা চাই. এই বাংলায় রাজ‍্যের মূলভাষা অর্থাৎ বাংলা বাধ‍্যতামূলক ভাবে শিখতেই হবে প্রতিটি স্কুলে। রাজ‍্য বোর্ড, ICSE, CBSE - যে বোর্ডই হোক না কেন, সরকারি হোক বা বেসরকারি হোক অথবা যে কোনও মাধ্যমই হোক- বাংলা পড়ানো বাধ‍্যতামূলক করতেই হবে।’

পড়ুয়াদের বাংলা ভাষার অধিকার নিয়ে জানাতে হবে, দাবি বাংলা পক্ষের

সেইসঙ্গে তিনি আরও দাবি করেন, বিভিন্ন ভাষা আন্দোলনের বিষয় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে পাঠ্যক্রমে। ১৯৬১ সালের অসমের বরাক, ১৯৫৬ সালের মানভূম ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস পাঠ‍্যসূচিতে অন্তর্ভূক্ত করতে হবে। তাঁর কথায়, 'সংবিধানে বাংলা ভাষার মর্যাদা ও অধিকার সম্পর্কে ছাত্রছাত্রীদের অবগত করতে হবে।’

একইসুরে বাংলা পক্ষের সদস্য প্রীতি মিত্র বলেন, ‘আজ ভারতের বিভিন্ন বিজেপি-শাসিত রাজ‍্যে বাঙালিকে বাংলা ভাষায় কথা বলার জন‍্য বাংলাদেশি বলে দাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে। স্কুলস্তর থেকে বাংলা ভাষা শিক্ষা, চাকরি পরীক্ষায় বাংলা বাধ‍্যতামূলক করা সেই কারণেই জরুরি।’

  • Ayan Das
    ABOUT THE AUTHOR
    Ayan Das

    অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More