Bangladesh Condoms Supply: বাংলাদেশে কন্ডোমের জন্য হাহাকার! কার্যত শেষ জন্মনিরোধক ভান্ডার, আরও বিপদ আসছে?
বাংলাদেশে কন্ডোমের জন্য হাহাকার! কার্যত শেষ জন্মনিরোধকের ভান্ডার। এখন পরিস্থিতি এমন হয়েছে যে বাংলাদেশে মাত্র ৩৯ দিনের মতো কন্ডোম আছে। অর্থাৎ ৩৯ দিনেই বাংলাদেশের ভাঁড়ার থেকে কন্ডোম শেষ হয়ে যাবে। তাহলে কী হবে?
অশান্তি এবং অরাজকতার মধ্যেই নয়া সমস্যার মুখে পড়েছে বাংলাদেশ। সরকারি আধিকারিকদের সূত্র উদ্ধৃত করে বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যম দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, অর্থের অভাব এবং কর্মীদের সংকটে ভুগছে বাংলাদেশ সরকারের পরিবার পরিকল্পনা সংক্রান্ত কর্মসূচি। এখন পরিস্থিতি এমন হয়েছে যে বাংলাদেশে মাত্র ৩৯ দিনের মতো কন্ডোম আছে। অর্থাৎ ৩৯ দিনেই বাংলাদেশের ভাঁড়ার থেকে কন্ডোম শেষ হয়ে যাবে। সেই পরিস্থিতিতে আগামী বছরের গোড়ার দিকে কমপক্ষে এক মাস কন্ডোম জোগান করতে পারবে না সরকার। আর তার জেরে বাংলাদেশে জন্মহার লাফিয়ে বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

কন্ডোম-সহ অন্যান্য জন্মনিরোধকের জোগান কমছে বাংলাদেশে
ওই সংবাদমাধ্যমের ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশে কন্ডোম-সহ অন্যান্য জন্মনিরোধকের জোগান কমে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক যে জাতীয় সমীক্ষা চালানো হয়েছে, জন্মনিরোধক ব্যবহার কমে গিয়েছে। আর সেখানে ৫০ বছরে প্রথমবার মোট জন্মহার বৃদ্ধি পেয়েছে। গত মাসে প্রকাশিত হওয়া একটি সমীক্ষা অনুযায়ী, গত বছর যেখানে মোট জন্মহার ২.৩ ছিল, সেটা এবার বেড়ে ২.৪-তে ঠেকেছে। কন্ডোম-সহ অন্যান্য জন্মনিরোধকের সেটা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ভারত-বিরোধী হাদির মৃত্যুর পরে তাণ্ডব বাংলাদেশে
এমনিতে এখন বাংলাদেশে চরম অশান্তি চলছে। কট্টর ভারত-বিরোধী হাদির মৃত্যুর পরে নতুন করে হিংসা ছড়িয়ে পড়ে বাংলাদেশে। আগুনে পুড়িয়ে খুন করা হয় হিন্দু যুবককে। তাণ্ডব চালানো হয় বিভিন্ন প্রান্তে। বাংলাদেশের প্রথমসারির সংবাদমাধ্যম প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের অফিসে ভাঙচুর চালানো হয়। জ্বালিয়ে দেওয়া হয় আগুন। ধানমন্ডিতে ছায়ানট ভবন, উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর কার্যালয়ের মতো বাংলাদেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।
বাংলাদেশে হিন্দু যুবককে হত্যা, কী সাফাই সরকারের?
বুধবার রাতেও এক হিন্দু যুবককে হত্যা করা হয়েছে। যদিও মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তরফে দাবি করা হয়েছে, ‘পুলিশের তথ্য ও প্রাথমিক তদন্ত থেকে মনে করা হচ্ছে যে ঘটনাটি মোটেই সাম্প্রদায়িক হামলা নয়। এটি চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপ থেকে উদ্ভূত হিংসাত্মক পরিস্থিতির থেকে সৃষ্ট ঘটনা। নিহত ব্যক্তি শীর্ষ সন্ত্রাসী (অপরাধী) অমৃত মণ্ডল ওরফে সম্রাট চাঁদা দাবির উদ্দেশ্যে (তোলা আদায় করতে) এলাকায় উপস্থিত হন এবং বিক্ষুব্ধ স্থানীয় জনতার সঙ্গে সংঘর্ষের এক পর্যায়ে প্রাণ হারান। তিনি ইতিপূর্বে ২০২৩ সালে রুজুকৃত হত্যা এবং চাঁদাবাজির (তোলাবাজি) মামলা-সহ একাধিক গুরুতর মামলার আসামি ছিলেন। এসব মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাও রয়েছে।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


