Bangladeshi Cricketer: ‘বিশ্বকাপ খেলতে না পারার কষ্ট..’, ইউনুস সরকার যেতেই মুখ খুললেন বাংলাদেশের ক্রিকেটার সইফ
ক্রিকেটের প্রতি নিজের আবেগের কথা তুলে ধরে সইফ হাসান কী বললেন?
সদ্য সরকার বদল হয়েছে বাংলাদেশে। হাসিনা প্রশাসনের পতনের পর বাংলাদেশের গদিতে বসা মহম্মদ ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকার ছেড়ে গিয়েছে গদি! এবার বাংলাদেশে নির্বাচনের পর সরকারে এসেছে বিএনপি। এর আগে, ইউনুস আমলে বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ড, ভারতের টি২০ বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে নিরাপত্তা ইস্যু নিয়ে প্রশ্ন তোলে। ভারতে খেলতে না চেয়ে শ্রীলঙ্কায় খেলতে চেয়ে দীর্ঘ সময় আইসিসির সঙ্গে আলোচনার পর শেষমেশ বাংলাদেশ এই বিশ্বকাপ থেকে বাদ যায়। আর ইউনুস সরকারের আমলেই নিজেদের জেদে টিকে থেকে এই কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। ২০২৬ টি২০ বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশ বাদ পড়ার পর এবার ফেসবুকে সেই সময়ের মনকষ্ট নিয়ে মুখ খুললেন বাংলাদেশের ওপেনার সইফ হাসান।

এক ফেসবুক পোস্টে সইফ লেখেন,'আমার প্রথম বিশ্বকাপে খেলতে না পারার হৃদয়ভাঙা কষ্ট থেকে ফিরে আসা সহজ ছিল না। এটা ছিল জীবনের একটি স্বপ্ন, যার পেছনে ছিল অনেক পরিশ্রম ও ত্যাগ।' একজন ক্রিকেটারের জন্য বিশ্বকাপ খেলা, কত বড় স্বপ্ন, তা কার্যত তাঁর পোস্টে ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশের এই তরুণ স্টার। ফলত, টি২০ বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশ বাদ পড়ার পর সেদেশের ক্রিকেটারদের মানসিক অবস্থা কেমন হয়েছিল, তা এই পোস্ট থেকেই অনুমেয়! ২০২৬ সালের টি২০ বিশ্বকাপ শুরুর আগে, আইপিএল থেকে বাদ যান বাংলাদেশের ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমান। এরপরই ক্ষোভে ফেটে পড়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। তারা জানায়, ভারতে নিরাপত্তাজনিত কারণে বাংলাদেশ এই টি২০ বিশ্বকাপ খেলতে চায় না। তবে বাংলাদেশ, এই বিশ্বকাপে তাদের ম্যাচগুলি শ্রীলঙ্কায় খেলতে চায়। সেই সময় ঢাকার মসনদে মহম্মদ ইউনুসের সরকার। ইউনুস সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের সঙ্গে এই বিষয়ে বৈঠক করেন বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ডের কর্তারা। বোর্ডের তরফে ও বাংলাদেশের তৎকালীন সরকারের তরফে একই বার্তা দেওয়া হয়। নিজেদের জেদে অনড় থাকে ঢাকা। শেষমেশ এই বছরের টি২০ বিশ্বকাপ খেলা হয়নি বাংলাদেশের।
এদিতে, বিশ্বকাপ না খেলতে পারা নিয়ে বাংলাদেশের তারকা ক্রিকেটার সইফ লিখছেন,' সেখান থেকে নিজেকে সামলে নেওয়াটা আমার জন্য সহজ ছিল না। তবে সেই কঠিন সময়ে যারা আমাকে মানসিকভাবে সমর্থন দিয়েছেন, তাঁদের সবাইকে ধন্যবাদ।'
এদিকে, আসিফ নজরুলের তীব্র সমালোচনা এদিন শোনা যায়, বাংলাদেশের সালাউদ্দিনের তরফে। তিনি বলেন,' আমি তো জানি আমার দুইটা খেলোয়াড় প্রায় কোমাতে চলে গেছিল। পাঁচ দিন ধরে কোথায় যেন হারায় গিয়েছিল তারা। আমরা তাদের (অদম্য কাপ) টুর্নামেন্টে মাঠে ফিরিয়ে আনতে পেরেছি ওইটাই বেশি।' তিনি আরও বলেন, 'এটা সবচেয়ে বড় সাফল্য আমার জীবনে। যে সে মাঠে আসছে এবং এসে আবার রান করেছে।'
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


