Bangladesh Jamaat-e-Islami Election Result: পশ্চিমবঙ্গ লাগোয়া পশ্চিম বাংলাদেশের আসনগুলিতে একচেটিয়া ভাবে জয় জামাতের
বাংলাদেশ জামাতে ইসলামি জোট ৭০টির মতো আসনে জয়ী হয়েছে। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ লাগোয়া সীমান্ত ঘেঁষা আসনগুলিতে একচেটিয়া ভাবে জয়ী হয়েছে তারা। রাজশাহী এবং খুলনায় সবকটি সীমান্ত লাগোয়া আসনেই জামাত জয়ী। এছাড়া রংপুরেও বহু আসনে জিতেছে জামাতের প্রার্থীরা।
বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনে বিএনপির জয়জয়কার। সারা দেশ জুড়ে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীদের জয় নিশ্চিত হয়েছে। ৩০০টি আসনের মধ্যে ২০০টিরও বেশি আসনে বিএনপি এবং তাদের জোটসঙ্গীরা জয়ী হয়েছে। তবে নিজেদের সবথেকে 'সম্ভাবনাময়' নির্বাচনে জামাতে ইসলামি জোট ৫০ পার করেছে। এবং এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ লাগোয়া পশ্চিম বাংলাদেশ এবং উত্তর বাংলাদেশে সীমান্তবর্তী আসনগুলিতে একচেটিয়া ভাবে জয়ী হয়েছে তারা।
খুলনা এবং রাজশাহী ডিভিশনের সবকটি সীমান্তবর্তী আসনে জামাতে ইসলামি জয়ী হয়েছে। এদিকে উত্তরবঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ লাগোয়া রংপুর ডিভিশনে অবশ্য বিএনপি অধিকাংশ আসন জিতেছে। তবে কোচবিহার লাগোয়া নীলফামারি, গাইবান্ধা, রংপুর উপজেলায় আবার অধিকাংশ আসনে জামাতে ইসলামি। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, সারা দেশে বিএনপি জোটের ঝুলিতে ২০৮টি আসন গিয়েছে। এদিকে জামাতের নেতৃত্বাধীন জোটের ঝুলিতে গিয়েছে ৭০টি আসন।
শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ ঘেঁষা কুড়িগ্রম-১, কুড়িগ্রাম-২, নওগাঁ-২, জয়পুরহাট-১, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩, রাজশাহী-১, মেহেরপুর-১, মেহেরপুর-২, চুয়াডাঙা-২, ঝিনাইদহ-৩, যশোর-১, যশোর-২, সাতক্ষীরা-১, সাতক্ষীরা-২, সাতক্ষীরা-৩, সাতক্ষীরা-৪ আসনগুলিতে জামাত কিংবা জামাত সমর্থিত প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন।
এদিকে জামাতের সাধারণ সম্পাদক গোলাম পরওয়ার নিজে হেরেছেন। আবার জামাতে ইসলামির প্রধান শফিকুর রহমান জিতেছেন। তবে নিজের ভোটকেন্দ্রেই পাঁচ ভোটে পিছিয়ে ছিলেন শফিকুর রহমান। এদিকে জামাতের সঙ্গে জোটে যাওয়া এনসিপির হাসনাত আবদুল্লাহ এবং নাহিদ ইসলাম জয়ী হয়েছেন। এদিকে এনসিপির সারজিস আলম এবং নাসিরউদ্দিন পাটওয়ারিরা নিজেদের আসনে হেরেছেন। এর মধ্যে নাহিদ ইসলাম মাত্র ২ হাজারের মতো ভোটে জেতেন।
প্রথমে ভোটের ফলাফল মেনে নেওয়ার কথা বললেও হার নিশ্চিত দেখে বেশ কিছু আসনে আবার কারচুপির অভিযোগ করেছে জামাতে ইসলামি। এই নিয়ে জামাতের আমির শফিকুর রহমান মধ্যরাতে সাংবাদিকদের বলেন, 'কিছু আসনে ইঁদুর-বিড়াল খেলা চলছে। এই বিষয়গুলো কিন্তু সুস্থ ধারার রাজনীতির পরিচয় বহন করে না। এগুলো অসুস্থ ধারার রাজনীতি। তো সেই বিষয়গুলো আমরা বিবেচনায় নেব। জাতিকে আমরা যতটুকু জানানো দরকার মনে করব জানাব, যাতে ভবিষ্যতে একই মন্দ কাজের চর্চা অথবা ধারাবাহিকতা না থাকে। এখনও পর্যন্ত বেশ কিছু আসনে আমরা এগিয়ে আছি বলেই জানি আমরা এবং সেই আসনগুলিতে গণনাও সম্পন্ন। কিন্তু স্থানীয়ভাবে যাঁরা রিটার্নিং অফিসার আছেন, তাঁরা ঘোষণা করছেন না, ঝুলিয়ে রেখেছেন। আমরা বুঝতে পারছি না এটা কেন হচ্ছে?' এদিকে জামাত জোট মনোনীত রিকশা প্রতীকের প্রার্থী ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মহম্মদ মামুনুল হক ভোট বাতিল ও কারচুপির অভিযোগ জানাতে মধ্যরাতে নির্বাচন কমিশনে উপস্থিত হয়েছিলেন।
E-Paper












