Bangladesh Jamaat e Islami: ভারতের ম্যালওয়্যারে জামাত নেতার X অ্যাকাউন্ট হ্যাকের অভিযোগ, কী বলছে বাংলাদেশের পুলিশ?
গত ৩১ জানুয়ারি জামাতে ইসলামির আমির শফিকুর রহমানের এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে চাকরিজীবী নারীদের নিয়ে একটি বিতর্কিত পোস্ট করা হয়েছিল। সেখানে নারীদের ঘরের বাইরে কাজ করাকে 'পতিতাবৃত্তির' সাথে তুলনা করা হয়েছিল। পরে অবশ্য দাবি করা হয়, সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে সেই পোস্টটি করা হয়।
গত ৩১ জানুয়ারি জামাতে ইসলামির আমির শফিকুর রহমানের এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে চাকরিজীবী নারীদের নিয়ে একটি বিতর্কিত পোস্ট করা হয়েছিল। সেখানে নারীদের ঘরের বাইরে কাজ করাকে 'পতিতাবৃত্তির' সাথে তুলনা করা হয়েছিল। পরে অবশ্য দাবি করা হয়, সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে সেই পোস্টটি করা হয়। এবং ভারতে তৈরি ম্যালওয়্যার দিয়ে নাকি সেই হ্যাকিং করা হয়েছে বলে অদ্ভূত দাবি জামাতের। এই ঘটনায় বাংলাদেশের বঙ্গভবনের এক সরকারি কর্মীকে গ্রেফতার করেছে বাংলাদেশের গোয়েন্দারা। পুলিশ বলছে, ধৃত সরওয়ার আলম এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত কি না তা তদন্ত সাপেক্ষ। ফরেনসিক পরীক্ষার পরেই এই নিয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যেতে পারে। এদিকে এই গোটা ঘটনায় ভারতের তৈরি ম্যালওয়্যার নিয়ে কোনও বাক্যব্যয় করেনি বাংলাদেশের পুলিশ।
গত ৩১ জানুয়ারি জামাতে ইসলামির আমির শফিকুর রহমানের এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে চাকরিজীবী নারীদের নিয়ে একটি বিতর্কিত পোস্ট করা হয়েছিল। (AFP)
এর আগে ঢাকায় দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জামাতে ইসলামি দাবি করে, ভারতের তৈরি ম্যালওয়্যার বঙ্গভবনের মেইলের মাধ্যমে ছড়ানো হয়েছিল এবং তা থেকেই অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা হয় জামাত নেতাদের। নারীদের নিয়ে জামাতের অবস্থান নিয়ে এমনিতেই বিতর্ক শুরু হয়েছে। তার মধ্যে জামাত নেতাদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে একের পর এক বিতর্কিত পোস্ট করা হচ্ছে। যা নিয়ে অস্বস্তি কট্টর ইসলামপন্থী দলটি। এই পরিস্থিতিতে তারা হ্যাকিংয়ের দোহাই দিয়ে মুখ বাঁচাতে চাইছে।
এই সবের মাঝেই জামাতের অভিযোগ, সোশ্যাল মিডিয়া হ্যাকিংয়ের নেপথ্যে রয়েছে ভারতে তৈরি ম্যালওয়্যার। এই আবহে শফিকুর রহমানের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকের ঘটনায় হাতিরঝিল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে জামাত। পরে এই ঘটনার তদন্তভার যায় ঢাকা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের হাতে। পরে সরওয়ার আলম নামে সরকারি এক কর্মীকে গ্রেফাতর করা হয়। সেই ব্যক্তির ব্যবহৃত মোবাইল, কম্পিউটার সহ যাবতীয় ইলেকট্রনিক গ্যাজে বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। তবে বাজেয়াপ্ত হওয়া ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলোর ফরেনসিক পরীক্ষা এখনও সম্পন্ন হয়নি। এই পরিস্থিতিতে ঘটনাটি নিয়ে বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আবেদন করে ঢাকা পুলিশ।