Farakka Ganga Barrage: 'ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশের বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ক্ষতি হচ্ছে'
Farakka: খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আবদুল কাদেরের বক্তব্য, ফারাক্কা বাঁধ বাংলাদেশের জন্য মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, ভারত নাকি বাংলাদেশের অস্তিস্তবকে সংকটে ফেলে দিচ্ছে। তিনি বলেন, 'ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক ক্ষতির শিকার হচ্ছে।'
Bangladesh Khelafat Majlis on Farakka: পদ্মায় বাঁধ নির্মাণ করবে বাংলাদেশ। তবে এই নিয়ে ভারতের সাথে নাকি আলোচনার কোনও প্রয়োজন নেই। আবার সেই বাংলাদেশেই ফারাক্কা বাঁধ নিয়ে ফের শুরু হয়েছে চর্চা। এই আবহে খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আবদুল কাদেরের বক্তব্য, ফারাক্কা বাঁধ বাংলাদেশের জন্য মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, ভারত নাকি বাংলাদেশের অস্তিস্তবকে সংকটে ফেলে দিচ্ছে। তিনি বলেন, 'ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক ক্ষতির শিকার হচ্ছে।'

খেলাফত নেতা বলেন, 'বাংলাদেশের নদীভিত্তিক অর্থনীতি, পরিবেশ এবং কোটি মানুষের জীবিকাকে সরাসরি হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছে ফারাক্কার বাঁধ। এর মাধ্যমে ভারতের একতরফা নিজেদের অনুকূলে জল প্রত্যাহার করছে। এর জেরে বাংলাদেশের অস্তিত্বের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে ফারাক্কা। বাংলাদেশ নিষ্ফলা ঊষর ভূমি হয়ে যাচ্ছে।' এদিকে সম্প্রতি ঢাকায় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি বৈঠকে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে তারেক রহমানের সরকার। আবার গঙ্গা জলবণ্টন চুক্তি আর কয়েক মাসেই শেষ হতে চলেছে। সেই চুক্তি নিয়ে নতুন করে দুই পক্ষের আলোচনা শুরু হয়েছে। এই সবের মাঝে বাংলাদেশে ভারত বিরোধিতার সুর চড়া হচ্ছে। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের ফলাফলের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের মৌলবাদী শক্তি না-খুশ। ভারত নিয়ে মিথ্যাচার ছড়িয়ে তারা রাস্তায় নেমেছে।
প্রসঙ্গত, ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর নয়াদিল্লিতে স্বাক্ষরিত হয়েছিল ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার গঙ্গা জলবণ্টন চুক্তি। শুষ্ক মৌসুমে ফারাক্কা পয়েন্টে গঙ্গার জল কীভাবে বণ্টন হবে, তা নির্ধারণ করাই ছিল এই ঐতিহাসিক চুক্তির মূল উদ্দেশ্য। চুক্তিটি ৩০ বছর মেয়াদের জন্য করা হয়েছিল, যা ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে শেষ হতে চলেছে। ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ভারত ও বাংলাদেশ নির্দিষ্ট অনুপাতে গঙ্গার ভাগ করে নেয় এই চুক্তি অনুযায়ী। দীর্ঘ তিন দশক পর চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পথে। তাই বর্তমানে এটি ভারত ও বাংলাদেশ, উভয় দেশের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কূটনৈতিক ও কৌশলগত বিষয় হয়ে উঠেছে। উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালের পর থেকে জলবায়ু পরিবর্তন এবং নদীর ভৌগোলিক পরিস্থিতিতে অনেক পরিবর্তন এসেছে। তাই চুক্তির শর্তাবলীতে পরিবেশগত এবং অববাহিকা সংক্রান্ত বিষয়গুলি নিয়েও আলোচনা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


