Bangladesh Nuclear Threat to India: 'বাংলাদেশের পাহাড়ে থাকা ইউরেনিয়াম তুলে ভারতকে অসংখ্যবার ধ্বংস করা সম্ভব'
ডাকসু নেতা বলেন, ‘প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ বছর আগে এই ইউরেনিয়ামের সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও সরকার সেই ইউরেনিয়াম তোলার বিষয়ে সাহস করতে পারেনি। ভবিষ্যতে বাংলাদেশে যে সরকার গঠন করবে, তাদের যেন মেরুদণ্ড থাকে, তারা যেন সেই ইউরেনিয়াম তুলতে সক্ষম হয়।’
বাংলাদেশের সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া পাহাড়ে নাকি এত ইউরেনিয়াম আছে, যা উত্তোলন করলে নাকি ভারতকে অসংখ্যবার উড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। সম্প্রতি এমনই দাবি করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের সাহিত্য সম্পাদক মোসাদ্দেক আলি। উল্লেখ্য, এর আগে হাদি মৃত্যুর পর এই মোসাদ্দেকই ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশন ভবনের একেকটা ইট খুলে নেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন।

রিপোর্ট অনুযায়ী, সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় মোসাদ্দে বলেন, 'গত কয়েকদিন ধরে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ম নিয়ে সবচেয়ে বেশি হুমকি আসছে ভারত থেকে। তারা কথায় কথায় বলছে যে আমাদের পারমাণবিক বোমা দিয়ে উড়িয়ে দেবে। কিন্তু তারা জানে না, বাংলাদেশের কুলাউড়া পাহাড়ে যে পরিমাণ ইউরেনিয়াম আছে, সেটা যদি আমরা উত্তোলন করতে পারি, ভারতকে অসংখ্যবার ধ্বংস করে দেওয়া যাবে। কিন্তু আমরা কোনও ধ্বংস চাই না। আমরা চাই এমন এক সরকার, যারা মৌলভীবাজারের এই কুলাইড়া পাহাড় থেকে ইউরেনিয়াম তুলতে সক্ষম হবে।'
এরপর ডাকসু নেতা আরও বলেন, 'প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ বছর আগে এই ইউরেনিয়ামের সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও সরকার সেই ইউরেনিয়াম তোলার বিষয়ে সাহস করতে পারেনি। ভবিষ্যতে বাংলাদেশে যে সরকার গঠন করবে, তাদের যেন মেরুদণ্ড থাকে, তারা যেন সেই ইউরেনিয়াম তুলতে সক্ষম হয়। একটা কথা আছে, প্রতিবেশী কখনও বন্ধু হয় না। কারণ প্রতিবেশী যদি বন্ধু হত, তাহলে সে প্রতিবেশী থাকত না, এক পরিবার হয়ে যেত। সীমানা থাকত না, কাঁটাতার থাকত না। সীমানা দিয়ে আলাদা করে মানচিত্র চিহ্নিত করার প্রয়োজন পড়ত না। বন্ধু হলে তো সব মানচিত্র এক হয়ে যেত। প্রতিবেশীদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক থাকতে পারে ন্যায্যতার ভিত্তিতে। তারা যদি আমাদের বিষয়ে ষড়যন্ত্র বা চক্রান্ত করে, তাহলে চক্রান্তের জবাব চক্রান্ত দিয়ে দিতে হবে। ষড়যন্ত্রের জবাব ষড়যন্ত্র দিয়ে দিতে হবে।'
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


