Bangladesh Update: 'হাসিনাকে ফেরাতে পশ্চিমবঙ্গের লোক সাহায্য না করলে আমরা ভারত বিরোধী সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দেব'

লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) হাসিনুর রহমান হুমকি দেন যে ভারত যদি শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত না পাঠায়, তাহলে বাংলাদেশে ভারতীয় সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দেওয়া হবে।

Published on: Nov 18, 2025, 09:14:34 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বাংলাদেশে ভারত বিরোধী জঙ্গিদের আশ্রয় দেওয়ার হুঁশিয়ারি প্রাক্তন সেনা কর্তার। রিপোর্ট অনুযায়ী, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) হাসিনুর রহমান হুমকি দেন যে ভারত যদি শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত না পাঠায়, তাহলে বাংলাদেশে ভারতীয় সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দেওয়া হবে। এদিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এই হাসিনুর।

ভারত যদি শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত না পাঠায়, তাহলে বাংলাদেশে ভারতীয় সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দেওয়ার হুমকি লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) হাসিনুর রহমানের (PTI)
ভারত যদি শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত না পাঠায়, তাহলে বাংলাদেশে ভারতীয় সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দেওয়ার হুমকি লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) হাসিনুর রহমানের (PTI)

হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়ের প্রতিক্রিয়ায় প্রাক্তন সেনা কর্তা হাসিনুর রহমান বলেন, 'এই রায়ে প্রতিক্রিয়া জানানোর ভাষা নেই। সেই আয়নাঘর, চাকরিরত অবস্থায় গুম ও জেলখানায় নির্যাতন আমাকে সহ্য করতে হয়েছে। ঈশ্বরকে ধন্যবাদ, আমরা ন্যায়বিচার পেয়েছি। রায় কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত আমরা শান্তি পাব না। জুলাই বিপ্লবে শহিদ ১ হাজার ৪০০ মানুষের জন্য আজকে আমরা এখানে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই বিচার শেষ করতে হবে।'

এরপর হাসিনুর বলেন, 'মহম্মদ ইউনুস যোগ্যতম নেতা। আইনি সহায়তার মাধ্যমে তিনি বিদেশ থেকে হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরাতে পারবেন। শেখ হাসিনাকে আনতে ভারতীয় জনগণের সহায়তা প্রয়োজন। ভারতীয় জনগণ, পশ্চিম বাংলার লোকেরা ইনশা আল্লাহ সহায়তা করবে। যদি না করে, তাহলে আমরা ভারতের সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দেব। ভারত শান্তিতে থাকবে না।'

এদিকে ডেক্কান কর্নিকলসের এক সাম্প্রতিক রিপোর্টে বলা হয়েছে, দিল্লি বিস্ফোরণের কয়েকদিন আগেই ঢাকার বনানীতে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়েছিল পাক জঙ্গি নেতা সাইফ। এদিকে ৭ জন জঙ্গি নেতা নাকি বানীর সেই অনুষ্ঠানস্থলে হাজিরও হয়েছিল। বাংলাদেশে নিষিদ্ধ ইসলামপন্থী সংগঠন হিজবুল হাহিরের জুবায়ের আহমেদ চৌধুরী, সাইফের ডান হাত তথা মার্কাজি জামাতে হাদিসের সাধারণ সম্পাদক ইলাহি জাহিররা ছিল সেখানে। এছাড়া সেখানে ছিল ঢাকা উত্তর কর্পোরেশনের সিইও এবং হিজবুল তাহিরের কোঅর্ডিনেটর মহম্মদ আজাজ, আনলারুল্লাহ বংলা টিমের হাফিজ সুজাদুল্লা এবং হাফিজ আলি ফজুল। এবং ছিল বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচিত সুমন আহমেদ। এদিকে বাংলাদেশ সরকারের দুই আমলাও সেখানে ছিলেন।

এবার সেই অনুষ্ঠানেই সাইফ বাংলাদেশিদের নির্দেশ দিয়েছিল ভারতে বড় আকারের হামলা চালাতে। এই আবহে পাকিস্তানের লস্করের কাছ থেকে তারা সাহায্য পাবে বলেও সাইফ আশ্বাস দিয়েছিল। এদিকে রিপোর্টে দাবি করা হয়, সেই বৈঠকের পরই পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ হয়ে একটি জঙ্গি দল নাকি ভারতে অনুপ্রবেশ করে। তাতে এক বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞও ছিল। মুর্শিদাবাদে ইক্তিয়ার নামে এক অবৈধবাসী বাংলাদেশির বাড়িতে নাকি ছিল এই জঙ্গি দলটি। এই ইক্তিয়ারের বাড়িকে নাকি এবিটি জঙ্গিরা প্রায়ই সেফহাউজ হিসেবে ব্যবহার করে থাকে। এদিকে পাকিস্তান থেকে নাকি বেশ কিছু নাশকতামূলক সরঞ্জামও বাংলাদেশ হয়ে মুর্শিদাবাদে এসেছিল বলে দাবি করা হয় রিপোর্টে।

প্রসঙ্গত, দিল্লি বিস্ফোরণের ১০ দিন আগে পাকিস্তানের এক জঙ্গিদের অনুষ্ঠানে এই সাইফই বলেছিল, হাফিজ সইদ চুপচাপ বসে নেই। তার ডান হাত জাহির এখন বাংলাদেশে। সে পূর্ব পাকিস্তান (বাংলাদেশ) দিয়ে ভারতে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এখন আমেরিকা আমাদের সঙ্গে আছে। যে বাংলাদেশ আমাদের থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল, তারা আবার পাকিস্তানের ঘনিষ্ঠ হচ্ছে।' যদিও বাংলাদেশি বিদেশ উপদেষ্টা তৌহিদ হুসেন এই সব দাবি পুরোপুরি খারিজ করেছে।