Bangladesh Update: ছিল হিন্দুদের বাড়তি সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ, বাংলাদেশের সেই বিদ্যুৎকেন্দ্রের মাথায় এক ভারতীয়
রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে ভারতীয়দের বাড়তি বেতন দেওয়া হত বলে অভিযোগ উঠেছিল ইউনুস জমানায়। সেই সময় তা নিয়ে তদন্ত হয়েছিল। দুর্নীতি দমন কমিশন এই তদন্তে নামার পরে সরকার বলেছিল, প্রকল্প সংক্রান্ত চুক্তি খতিয়ে দেখবে তারা।
বিগত ইউনুস জমানায় ভারত বিরোধিতার সুর সপ্তমে চড়েছিল। তবে তারেক রহমান আসার পরই যে সমীকরণে বদল আসতে পারে, তার ইঙ্গিত মিলেছিল। এরই মাঝে বাংলাদেশের রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের নতুন ম্যানেজিং ডিরেক্টর হলেন ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ার রমানাথ পূজারী। উল্লেখ্য, বাগেরহাটের রামপালে অবস্থিত তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেডের অধীনে। এর আগে এই সংস্থার এমডি ছিলেন সঙ্গীতা কৌশিক।

জানা গিয়েছে, তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রটির নতুন ম্যানেজিং ডিরেক্টর হওয়ার আগে রামপাল মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্রকল্পে প্রোজেক্ট ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করেছেন রামনাথ। এছাড়াও তিনি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর পদেও ছিলেন। রামনাথের জন্ম ভারতের ওড়িশায়। ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করে তিনি এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে আমদাবেদর আইআইএম এবং হার্ভার্ড বিজনেস স্কুল থেকেও তিনি উচ্চতর ডিগ্রি পেয়েছেন। এর আগে তিনি এনটিপিসি-তে কাজ করেছেন। সব মিলিয়ে এই খাতে তাঁর ৩৬ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে।
এর আগে এই রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে ভারতীয়দের বাড়তি বেতন দেওয়া হত বলে অভিযোগ উঠেছিল ইউনুস জমানায়। সেই সময় তা নিয়ে তদন্ত হয়েছিল। দুর্নীতি দমন কমিশন এই তদন্তে নামার পরে সরকার বলেছিল, প্রকল্প সংক্রান্ত চুক্তি খতিয়ে দেখবে তারা। তার আগে আদালতে অভিযোগ দায়ের করে অভিযোগ করা হয়েছিল, এই প্রকল্পে নাকি উচ্চপদে ভারতীয়দের প্রাধান্য দেওয়া হয়। এছাড়া হিন্দুদের নাকি এই প্রকল্পে বাড়তি সুবিধা দেওয়া হয়। তবে কয়েক মাসের ব্যবধানেই সেই সব অভিযোগ 'হাওয়া'। রামপালের এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের মাথায় ফের একজন ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ার বসলেন।
এর আগে ইউনুস জমানার আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল অভিযোগ করেছিলেন, বাংলাদেশে নাকি ২৬ লাখ ভারতীয় চাকরি করেন। তিনি দাবি করেছিলেন, সেই সব ভারতীয়দের বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত করবেন। কিন্তু ইউনুস জমানায় একজন ভারতীয় চাকরিজীবীকেও বাংলাদেশ থেকে তাড়াতে পারেনি ইউনুস সরকার। তবে নিজেদের সময়কালে ভারত বিরোধিতার সুর ক্রমেই চড়িয়েছেন রাজনৈতিক স্বার্থে। ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য করার জন্য মুখিয়ে থেকেছে ইউনুস সরকার, আবার নিজেদের জনগণকে ভারত বয়কটের পাঠ পড়িয়েছিলেন তারা। তবে বিএনপির সরকার গঠন হতেই সেই সব সমীকরণ ধীরে ধীরে পালটাতে শুরু করবে বলে আশা করা হয়েছিল। এবং সেই ইঙ্গিত আরও যেন স্পষ্ট হচ্ছে ক্রমে ক্রমে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


