Bangladesh Update: বাংলাদেশিদের শয়নে স্বপনে শুধুই ভারত! ইরানে মার্কিন হামলার প্রতিবাদে স্লোগান - 'দিল্লির আগ্রাসন…'

ইরানপন্থী সমাবেশে জাবের স্লোগান তোলেন - 'দিল্লির আগ্রাসন ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও'। এদিকে তিনি আরও স্লোগান তোলেন - 'ইরানে হামলা কেন, জাতিসংঘ জবাব দাও'।

Published on: Mar 02, 2026 1:31 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

ইরানে মার্কিন হামলার প্রতিবাদে ঢাকায় সমাবেশ করে ইনকিলাব মঞ্চ। বাংলাদেশে ওসমান হাদির দল ইনকিলাব মঞ্চের তরফ থেকে এই সমেবেশের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আব্দুল্লাহ আল জাবের। আর সেই সমাবেশেও ভারত বিরোধী স্লোগান তুলতে শোনা গেল জাবেরকে। আমেরিকার বিরুদ্ধে সরাসরি স্লোগান না তুলে রাষ্ট্রসংঘকেও কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন বাংলাদেশি বিপ্লবীরা।

ঢাকায় ইরানপন্থী সমাবেশে জাবের স্লোগান তোলেন - 'দিল্লির আগ্রাসন ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও'।
ঢাকায় ইরানপন্থী সমাবেশে জাবের স্লোগান তোলেন - 'দিল্লির আগ্রাসন ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও'।

ইরানপন্থী সমাবেশে জাবের স্লোগান তোলেন - 'দিল্লির আগ্রাসন ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও'। এদিকে তিনি আরও স্লোগান তোলেন - 'ইরানে হামলা কেন, জাতিসংঘ জবাব দাও'। এদিকে ইরানে হামলার ঘটনায় রাস্তায় নেমেছে বাংলাদেশ জামাতে ইসলামিও। সেই দেশের বিরোধী দল হুঁশিয়ারি দেয়, ইরানে যদি মার্কিন হামলা না থামে, তাহলে তারা ঢাকার রাজপথে দীর্ঘমেয়াদী কর্মসূচি পালন করবে।

অপরদিকে ইরানপন্থী বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষে পাকিস্তানে অন্তত ১৭ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা গিয়েছে করাচিতে। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, করাচির সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের। এদিকে পাক অধিকৃত লাদাখে গিলগিট বালটিস্তানে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তত ৭ জন নিহত হন। লাহোরেও হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন গতকাল। পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভিকে ঘিরে ধরেছিল ইরানপন্থী বিক্ষোভকারীরা।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর মৃত্যু হয়েছে ইজরায়েল এবং আমেরিকার যৌথ হামলায়। এই পরিস্থিতিতে বিভিন্ন মুসলিম দেশে মার্কিন দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন হচ্ছে। এমনই এক প্রতিবাদ হিংসাত্মক আকার ধারণ করল পাকিস্তানের করাচিতে। সেখানে আমেরিকার কনস্যুলেটের বাইরে বিক্ষোভরত পাকিস্তানিরা তাণ্ডব শুরু করেন। লাঠি নিয়ে কনস্যুলেটের কাচ ভাঙার চেষ্টা করা হয়। আগুন ধরিয়ে দেওয়ারও চেষ্টা করা হয় ভবনে। এই পরিস্থিতিতে কনস্যুলেটের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পাকিস্তানি পুলিশ গুলি চালায় বিক্ষোভকারীদের ওপর। ঘটনায় একাধিক বিক্ষোভকারী জখম হন। অন্তত ১০ জন প্রাণ হারান। মৃতদের সবাই গুলিবিদ্ধ হন।

এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালেই ইরানে হামলা চালায় ইজরায়েল এবং আমেরিকা। এরই জবাবে পালটা হামলা চালায় ইরান। এদিকে ইরান এবং ইজরায়েলের মধ্যে এই সংঘাতের আবহে তেল আবিবগামী এয়ার ইন্ডিয়ার উড়ান মাঝআকাশ থেকে ফিরে আসে ভারতে। ইরান এবং ইজরায়েল উভয় দেশই তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দেয়। বিশ্বজুড়ে বহু উড়ান সংস্থা তাদের উড়ান বাতিল করে। জবাবি হামলায় ইরানের তরফ থেকে মিসাইল ছোড়া হয় পশ্চিম এশিয়ার ৬টি দেশে। কাতার, সৌদি, সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইতে বিস্ফোরণ শোনা যায়। বাহারিনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতেও আছড়ে পড়ে ইরানি মিসাইল। এছাড়াও ইজরায়েলের বহু জায়গায় হামলা চালায় ইরান। এরই মাঝে খামেনেইর মৃত্যুর বিষয়ে জানা যায়। সেই হামলায় আইআরজিসি প্রধান এবং ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীরও মৃত্যু হয়। এরপরও হামলা জারি রেখেছে ইজরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। পালটা হামলা চালিয়ে এবার জবাব দিচ্ছে ইরান। এরই সঙ্গে বিভিন্ন দেশে শিয়া সম্প্রদায়ের মানুষজন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন।